সিনোবাংলায় স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে বিএসইসির সম্মতি

শেয়ারবাজারে বিবিধ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদেবা আখতারকে কোম্পানিটির স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ প্রদানে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করপোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ এর কনডিশন ১(৩)(ডি) এ স্বতন্ত্র পরিচালকের শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত যে শর্ত রয়েছে, তা শিথিল করে আদেবা আখতারকে সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করবে বিএসইসির ইস্যুয়ার কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন।

বিএসইসির করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালকের নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও শর্ত পূরণের বিধান রয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কমিশনের বিবেচনায় নির্দিষ্ট শর্ত শিথিল করার সুযোগ রয়েছে। সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের ক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই আদেবা আখতারকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে অন্তত একজন স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগের সময়সীমা আরও এক বছর বাড়িয়েছে বিএসইসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড-২০১৮ অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানির পর্ষদে অন্তত একজন স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগের নির্দেশনা ২০২৪ সালের এপ্রিলে দেওয়া হয়। তখন বাস্তবায়নের সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে চার শতাধিক তালিকাভুক্ত কোম্পানির অধিকাংশ নির্ধারিত সময়ে এ শর্ত পূরণ করতে না পারায় সময়সীমা আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে।




চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা ও উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভেট), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), শিল্প-শিক্ষা সংযোগ ও ব্লু ইকোনমিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগানো যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঢাকা চায়না ডে ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শিক্ষা ও উন্নয়নে দুই দেশের বন্ধুত্ব, আস্থা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। দেশের উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর জোর দিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতি শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে আছে, কারণ তারাই দেশের ভবিষ্যৎ। ‘আগামীর বাংলাদেশ’ গড়তে তাদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড একটি বড় সুযোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো প্রয়োজন।

শিল্প-শিক্ষা সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লিংকেজে চীনের অভিজ্ঞতা অনুসরণ করা যেতে পারে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। একইভাবে চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উন্নয়নেও কাজ চলছে।

সরকার সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি), সবুজ প্রযুক্তি ও আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নেও কাজ চলছে। রোবটিক্স ও ব্লু ইকোনমির মতো সম্ভাবনাময় খাতেও চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগতে পারে।

বাংলাদেশকে ‘এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশে ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী ও মানসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, তরুণরাই বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে পারে। বাংলাদেশের শিক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার কথাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. ফরাসউদ্দিন বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শামস রহমান।

 




বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্লু ইকোনমির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, দেশের মেরিনাররা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যে অপচেষ্টা চলছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের জুলদিয়ায় বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং বিশ্ব সামুদ্রিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত যৌথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘বাইরে গিয়ে আমাদের নাবিকেরা যখন চাকরির পর জাহাজে উঠতে চান, সেখানে ভিসাগত কিছু সমস্যা তৈরি হয়। বিষয়টি ইতোমধ্যে আমি জেনেছি এবং তা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথাবার্তাও বলেছি। এই প্রতিবন্ধকতাগুলো আমরা যেকোনো মূল্যে দূর করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ৮০০ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ও বাণিজ্য নির্ভর করছে মাত্র ১৮ থেকে ২০ লাখ মানুষের পারফরম্যান্সের ওপর। এই সাড়ে ১৮ লাখ সমুদ্রগামী মানুষের প্রচেষ্টায় বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ বাণিজ্য পরিচালিত হয়। ফলে এই খাতে নজরদারি, মনোযোগ এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ আরও অনেক বাড়াতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কেবল সমুদ্রগামী নাবিক তৈরি করে বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়। নীল অর্থনীতিকে (ব্লু ইকোনমি) টেকসই করতে হলে জাহাজ পরিচালনা, বন্দর ব্যবস্থাপনা, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত, পুরোনো জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ (শিপ রিসাইক্লিং), সামুদ্রিক বিমা এবং তীরভিত্তিক বিভিন্ন সেবা খাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটানো প্রয়োজন।

এবারের বিশ্ব সামুদ্রিক দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘নীতি থেকে বাস্তবায়ন: সামুদ্রিক উৎকর্ষের পথে এগিয়ে যাওয়া’। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নীতি ও প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব খাত গড়ে তোলাই এর মূল উদ্দেশ্য।

কর্ণফুলী নদীর মোহনায় জুলদিয়ায় ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি গত ছয় দশক ধরে আন্তর্জাতিক মানের সামুদ্রিক শিক্ষা দিয়ে আসছে। একাডেমি থেকে এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাঁচ হাজারের বেশি মেরিনার দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত থেকে দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। বর্তমানে একাডেমির ১২৫ জনেরও বেশি প্রশিক্ষিত নারী মেরিনারও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্বাগত বক্তব্যে একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এবিএম শামীম বলেন, ‘নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়ন এবং সম্ভাবনার উৎকর্ষের মাধ্যমেই বঙ্গোপসাগরের সুফল বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যুক্ত করা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া।




স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে চিকিৎসক নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ও স্বাস্থ্যখাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করতে চিকিৎসক নেতাদের সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এবং প্রস্তাবসহ এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের নেতৃত্বে সংগঠনটির ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার জন্য স্বাস্থ্যখাতের যে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের লক্ষ্য ছিল, সে পর্যায়ে আমরা পৌঁছাতে পারিনি। আমাদের কতজন ডাক্তার, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও মেডিকেল যন্ত্রপাতি লাগবে, কী কাঠামো লাগবে তার সঠিক ও সার্বিক কোনো পরিকল্পনা ছিল না।

বর্তমান সরকারের সময়ে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে এ যাবতকালের সব থেকে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে, একটি সুব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রপতি এ সময় স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে নতুন ডাক্তার নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে যথাযথ পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ দেন। পদোন্নতি ও পদায়নে বিগত দিনের তদবির সংস্কৃতি বন্ধ করে যোগ্য ব্যক্তিদের সঠিক পদে পদায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি চিকিৎসকদের গবেষণা কার্যক্রমে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের যত্র-তত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নষ্ট করে ফেলছে। তিনি এসব প্রতিষ্ঠানকে একটি যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে দিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলের অত্যাচার-নির্যাতনে আহত নেতাকর্মী ও তার নিজের চিকিৎসায় আন্তরিক সাহায্য ও সহযোগিতার জন্য চিকিৎসকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বর্তমানে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এসব ঘটনায় চিকিৎসকদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। তিনি এ ধরনের ঘটনা বন্ধে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।




বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশংসনীয় : জহির উদ্দিন স্বপন

বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান রডরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতিসংঘকে আরও কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্টেফান রডরিক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব নতুন সরকার কীভাবে আরও বৃহৎ পরিসরে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে পারে সে বিষয়ে সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে জুলাই অভ্যুত্থানের পরে প্রতিষ্ঠানিক রিফর্ম নিয়েও গুরুত্ব আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের চলমান কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে জাতিসংঘকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন জহির উদ্দিন স্বপন।