সালমান ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ

অক্ষয় কুমার অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত কমেডি চলচ্চিত্র ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ আগামী ২৬ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। তারকাবহুল কাস্টের কারণে ছবিটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহও তুঙ্গে। তবে মুক্তির আগে সালমান খানের সম্ভাব্য ক্যামিও নিয়ে যে জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত সত্যি হচ্ছে না।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটিতে সালমান খানের কোনো বিশেষ উপস্থিতি বা ক্যামিও চরিত্র নেই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

সূত্রটির দাবি, সালমান খান বর্তমানে একাধিক পূর্বনির্ধারিত শুটিং ও পেশাগত কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফলে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’–এর সঙ্গে তার যুক্ত হওয়ার কোনো সুযোগ হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, “সালমান এই মুহূর্তে নিজের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত। ছবিতে তার উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে আলোচনা চলছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।”

মূলত অভিনেতা ও জনপ্রিয় কমেডিয়ান কৃষ্ণা অভিষেকের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই জল্পনার সূত্রপাত। সম্প্রতি ‘লাফটার শেফস’ অনুষ্ঠানের সেটে পাপারাজ্জিদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষ্ণা রহস্যময় ভঙ্গিতে ইঙ্গিত দেন যে, ছবিতে দর্শকদের জন্য বড় কোনো চমক অপেক্ষা করছে।

এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, সেই চমক হতে পারেন সালমান খান। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ছবিতে ‘ভাইজান’-এর কোনো ক্যামিও থাকছে না।

তবে ক্যামিও না থাকলেও বিশাল তারকাবহুল এই কমেডি সিনেমা ঘিরে দর্শকদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। মুক্তির অপেক্ষায় এখন ভক্তরা।




আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

আগামী ছয় মাসের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এর মধ্যে বরিশাল  ও খুলনা বিভাগের হাসপাতাল দুটি আগস্টের প্রথম দিকে চালুর সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সুবিধা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হবে। পাশাপাশি বড় পরিসরের আইসিইউ ইউনিটও থাকবে হাসপাতালগুলোতে।

এসব হাসপাতালের আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।

পুুরোদমে কার্যক্রম চালুর জন্য প্রতিটি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৫ জন জনবলের প্রয়োজন হবে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ইতোমধ্যে খুলনা, বরিশাল ও কুমিল্লা গিয়ে হাসপাতাল ভবনগুলো পরিদর্শন করেছেন।

বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি আগামী আগস্টের শুরুতে হাসপাতালটি চালুর ঘোষণা দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নিউনেটাল ভেন্টিলেটর, সিটি স্ক্যান, এক্সরে মেশিন, পোর্টেবল এক্স-রে, মাল্টি প্যারামিটার বা কার্ডিয়াক মনিটর, ফটোথেরাপি মেশিনসহ ২০০ বেডের শিশু হাসপাতাল চালু করতে যেসব যন্ত্রাংশ প্রয়োজন, সেগুলো জুলাইয়ের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ১ আগস্ট হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হবে।

এর আগে গত ১০ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে দেশের ছয় বিভাগে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতালগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে আগামী ২ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন। মূলত এরপরই হাসপাতালগুলো চালুর তোড়জোড় শুরু হয়।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বাসস’কে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ বিভাগে একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল চালু হচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এসব হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) ব্যবস্থাও থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এই পাঁচটি হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতির টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৫ জন করে জনবল প্রয়োজন। পূর্ণ জনবল বরাদ্দ করার জন্য ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রতিটি শিশু হাসপাতালে আইসিইউ থাকবে। সেন্ট্রালি এয়ার কন্ডিশন ব্যবস্থা থাকবে। একটি করে আইসিইউ থাকবে এবং ভবিষ্যতে বেড বাড়ানোর পরিসরও রাখা হবে। আইসিইউর জন্য একটি বড় স্পেস রাখা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারও ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত বরিশাল শিশু হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, এই শিশু হাসপাতালটিও আগস্টে চালু হবে। প্রথম ধাপে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু করতেও জোরোশোরে কাজ শুরু হয়েছে।

গত ২০ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুলনায় নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যেই হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, গণপূর্ত বিভাগ ও সিভিল সার্জনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। নতুন শিশু হাসপাতাল সম্পর্কে আমাদের কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছে মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে যে নির্দেশনা আসবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

এদিকে গত ২৫ মে কুমিল্লার সদর দক্ষিণের বেলতলী এলাকায় নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। এই হাসপাতালটিও আগামী ছয় মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা দেন তিনি।

নির্মাণকাজ শেষেও দীর্ঘ ছয়বছর অব্যবহৃত পড়ে থাকার পর চালু হতে যাচ্ছে বিশেষায়িত রংপুর শিশু হাসপাতালও। তারেক রহমানের নির্দেশের প্রেক্ষিতে দ্রুত এই হাসপাতাল চালু করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে হাসপাতালটির অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘শুধু এই পাঁচটি শিশু হাসপাতালই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগে এ ধরণের আরও অনেক স্থাপনা রয়েছে, যেগুলো এখনও চালু হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সেগুলো চালু করারও নির্দেশ দেন।’

এদিকে বহুল প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চালু হতে যাচ্ছে কুমিল্লা শিশু হাসপাতালটিও। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সচিবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে জনবল ও যন্ত্রপাতির চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

এদিকে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি চালু করা হবে।

ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস রাজশাহী শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বলেন, প্রথম ধাপে শিশু হাসপাতালটিতে আউটডোর সেবা চালু করা হবে। পরবর্তী অর্থবছরে ধাপে ধাপে অন্যান্য সেবাও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।




সম্পত্তি দখলে ​বাধা দেওয়ায় নারীকে শ্লীলতাহানি ও সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার অভিযোগ

 

নরসিংদীর মনোহরদীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল এবং তাতে বাধা দেওয়ায় এক নারীসহ সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, মারধর, শ্লীলতাহানি ও লুটের অভিযোগ উঠেছে। গত ৭ মে (২০২৬) মনোহরদী বাজারস্থ বাইপাস রোডের ‘শাহীন প্লাজা’র ২য় তলায় এই ঘটনা ঘটে।
​এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পপি আক্তার বাদী হয়ে নরসিংদীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা (মনোহরদী সি.আর মামলা নং- ২১৮/২০২৬ইং) দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন—স্থানীয় বিএনপি নেতা মো: আমিনুর রহমান সরকার দোলন (৫০), আ: জব্বার (৩০) এবং মো: মোক্তার উদ্দিন তালুকদার (৪৮)।
​দলীয় ক্ষমতার দাপটে জবরদখল ও নৃশংসতা
​মামলার আরজি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদী পপি আক্তারের মালিকানাধীন শাহীন প্লাজার ২য় তলার মূল্যবান জায়গাটি আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় পদের প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করছিল। ঘটনার দিন দুপুর অনুমান ১২:৩০ ঘটিকায় আসামিরা বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত সম্পত্তি দখল করতে আসে।
​বাদী পপি আক্তার আসামিদের এই অবৈধ কার্যকলাপে বাধা দিলে ১নং আসামি আমিনুর রহমান সরকার দোলন ক্ষমতার দম্ভোক্তি প্রকাশ করে বাদীর ওপর চড়াও হন। তিনি বাদীর চুল ধরে টানাহেঁচড়া করেন এবং শ্লীলতাহানি ঘটান। এ সময় ২নং আসামি আ: জব্বার লোহার রড দিয়ে বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করতে গেলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পিঠে লাগে এবং তিনি গুরুতর জখম হন। ৩নং আসামি মোক্তার উদ্দিন তালুকদারসহ অন্যান্যরা বাদীকে এলোপাতাড়ি লাথি ও কিলঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে।
​স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
​মারধরের একপর্যায়ে ১নং আসামি আমিনুর রহমান সরকার দোলন বাদীর গলা থেকে আনুমানিক ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন। এছাড়া ২নং আসামি আ: জব্বার বাদীর শ্লীলতাহানি করে তার কাছে থাকা নগদ ৫২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
​সাক্ষীদের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি
​বাদীর চিৎকার শুনে ১নং সাক্ষী সুমাইয়া এবং ২নং সাক্ষী সাদিয়াসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসলে আসামিরা তাদের ওপরও চড়াও হয় এবং মারধর করে। ভাঙচুর ও লুটপাট শেষে আসামিরা বীরদর্পে এলাকা ত্যাগ করার সময় প্রকাশ্যে হুমকি দেয় যে, এই ঘটনা নিয়ে পরবর্তীতে কোনো আইনি পদক্ষেপ নিলে বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণনাশ করা হবে।
​আইনের আশ্রয় ও বর্তমান অবস্থা
​গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন বাদী ও সাক্ষীদের উদ্ধার করে কটিয়াদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আসামিদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় মামলা নিতে গড়িমসি করায়, বাদী বাধ্য হয়ে নরসিংদীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI)-কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
​বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয় সচেতন মহল এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।