দেশে গম চাষের আওতায় ২ লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে : কৃষিমন্ত্রী

সারা দেশে বর্তমানে গম চাষের আওতায় ২ লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমির রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস‌্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কৃষিমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। বৃহস্পতিবারের (আজ) প্রশ্ন উত্তরে টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, সারা দেশে বর্তমানে গম চাষের আওতায় ২ লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমির রয়েছে। গম চাষ বাড়ানোর জন্য সরকার উল্লিখিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

পরিকল্পনাগুলো হলো- প্রধান প্রধান গম উৎপাদন এলাকায় নতুন এবং উচ্চফলনশীল জাতের সম্প্রসারণ জোরদার করা; ধান ভিত্তিক ফসল ধারায় (ধান-গম-পাট, ধান-গম-মুগ ডাল) গমকে অন্তর্ভুক্ত করা। উত্তরাঞ্চলের হালকা বুনটের মাটির জন্য অধিক লাভজনক চার ফসল-ধারা ‘আগাম আলু-গম-ভুট্টা-আমন ধান’ জনপ্রিয়করণ।

অপ্রচলিত এলাকা যেমন : দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততা প্রবণ এলাকা, সিলেট অঞ্চলের পতিত জমি, চরাঞ্চল, বরেন্দ্র এলাকা, পাহাড়ি সমতল এলাকা, তামাক চাষের জমি ইত্যাদি এলাকায় গমের আবাদ সম্প্রসারণ। হেক্টরপ্রতি ৬টন বা এর অধিক ফলন প্রদানে সক্ষম গমের জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ। গমের আধুনিক উৎপাদন ও রোগ বালাই ব্যবস্থাপনা, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করা। গমের সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও সরকারি পর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের থেকে গম ক্রয়।

দেশে পথ চাষ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতি বছর কৃষকদের প্রণোদনার সাবাসে সার, বীজ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রণোদনার মাধ্যমে ৬৪জেলার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ জন কৃষককে ১ বিঘা জমির জন্য ১০ কেজি পর বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার সহায়তা দেওয়া হয়।




জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

দেশের ইতিহাসে এই প্রথম গণমাধ্যমের সব ধারার অংশীজনকে এক মঞ্চে সমবেত করেছে সরকার। এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত ও দেশে একটি স্বাধীন জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এমনটাই জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, ‘এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কেবল একজন ‘সহায়ক’ ও সহযোগী অংশীদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এ জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় সভা প্রধানের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি দেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের জন্য এক অনন্য মাইলফলক।

বাংলাদেশে এই প্রথম গণমাধ্যমের মূল ধারার সকল অংশীজনকে আমরা একই মঞ্চে জড়ো করতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন মূলত একটি উন্মুক্ত সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। আমরা সবাই যদি আলোচনার মধ্য দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে আমাদের পথ চলার মূল বিন্দুটি খুঁজে বের করতে পারি, তবেই এই আয়োজন সার্থক হবে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের মহান ও স্বাধীন উদ্দেশ্যকে সফলভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কেবল একজন ‘সহায়ক’ এবং ‘সমন্বয়কারী’র দায়িত্ব পালন করবে।

বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বাচনে যাওয়ার আগেই দেশের জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলÑ রাষ্ট্রকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার। এজন্য রাষ্ট্রের কাঠামোগত যেসব জায়গায় মেরামত বা সংস্কার করা দরকার, সকলকে সাথে নিয়ে সেসব জায়গায় সরকার মেরামত করবে।’

তিনি বলেন, ‘সংস্কারের এইতালিকাভুক্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গণমাধ্যম। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ও সংগ্রামের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই গণতন্ত্রকে কীভাবে সমুন্নত রাখা যায় এবং সরকারের এই উন্নয়ন যাত্রায় গণমাধ্যম কীভাবে সহযাত্রী ও সহযোগী হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ প্রয়োজন। গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় সরকার ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এমন একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে চাই যা অত্যন্ত শক্তিশালী হবে এবং যেখানে জবাবদিহিতা থাকবে। এই কমিশনকে কীভাবে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিতামূলক করা যায়, সে বিষয়ে আপনাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি।‘

মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানার সঞ্চালনায় কর্মশালায় ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল, সম্পাদক পরিষদ, জাতীয় নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব), টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো), ন্যাশনাল মিডিয়া ওয়াচ কাউন্সিল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি), ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টসহ বিভিন্ন টেলিভিশন মালিক, সম্পাদকবৃন্দ, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

তথ্যমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের পর কর্মশালার মূল অধিবেশনে উপদেষ্টার উপস্থাপিত রূপরেখার ওপর ভিত্তি করে উপস্থিত গণমাধ্যম নেতৃবৃন্দ, সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে স্ব-স্ব মতামত, ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের খসড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন।




প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।​একই মামলায় আত্মসমর্পণ করা অপর তিন আসামি আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন।​এর আগে আদালতের সমন উপেক্ষা করায় বুধবার (১৭ জুন) আহমেদ জোবায়েরসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। আজ চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আহমেদ জোবায়েরসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।

গত ১০ মে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।​নির্ধারিত তারিখে কেউ আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন- আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

আজকের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন দাবি করেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং হয়রানিমূলক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে।

​আসামিপক্ষের ভাষ্য, সময় মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানা ও পরিচালনা নিয়ে চলমান বিরোধের জেরে বাদী মোবারক হোসেন প্রতিশোধমূলকভাবে এই মামলা করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অর্থ আত্মসাতের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই এবং তারা তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলেও আদালতকে আশ্বস্ত করা হয়।

তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিলেও বাকি তিন আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।




এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোনোরকম প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ছাড়াই এবারের এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে আগামী ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট নিয়ে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ‘শহর এবং গ্রামের শিক্ষার মধ্যে বৈষম্য কমিয়ে আনতে শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চায় সরকার।’

তিনি জানান, মূল শিক্ষার বাইরে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলাসহ সৃজনশীল শিক্ষার দিকে সরকার আগাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ক্রীড়া এবং সংস্কৃতি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

মাহদী আমিন বলেন, ‘আগামী ২০ জুন আর্মি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’

 




বাণিজ্য-বিনিয়োগ সহযোগিতা চীনের সঙ্গে বিসিসিসিআই’র দুই সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যাংকিং সহযোগিতা, রেনমিনবি (আরএমবি/ইউয়ান) ভিত্তিক বাণিজ্য সহজ করা এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে দুটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)।

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে ১১ থেকে ১৬ জুন অনুষ্ঠিত ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো ও ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় অংশ নিয়ে এসব সমঝোতা স্মারক সই করে সংগঠনটি।

বিসিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল এক্সপোতে অংশ নেয়।

বুধবার (১৭ জুন) এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিসিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, চীনের মতো বৃহৎ বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্চমানের, মূল্য সংযোজিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে ব্র্যান্ডিং, প্যাকেজিং এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আরও কৌশলগতভাবে অংশগ্রহণের ওপর জোর দেন।

এবারের এক্সপোতে বাংলাদেশ ছিল ‘থিম কান্ট্রি’। বিসিসিসিআই’র উদ্যোগে আমানত শাহ গ্রুপ, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, আইমান এগ্রো লিমিটেড, এমএম ট্রেড এবং বিসিসিসিআইসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

এছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সমন্বয়ে বাংলাদেশ কান্ট্রি প্যাভিলিয়নে ১০০টিরও বেশি বাংলাদেশি কোম্পানি তাদের পণ্য প্রদর্শন করে।

এক্সপোর প্রথম দিন ১১ জুন বিসিসিসিআই চীনের ব্যাংক অব হুজৌ কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ব্যাংকটির প্রতিনিধি কার্যালয় স্থাপনে সহায়তা করবে বিসিসিসিআই। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে ব্যাংকিং সহযোগিতা বৃদ্ধি, রেনমিনবি ভিত্তিক বাণিজ্যিক লেনদেন সহজ করা, বাণিজ্য নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করা এবং লেনদেন ব্যয় কমানোর উপায় অনুসন্ধান করা হবে।

একই দিন চায়না চেম্বার অব কমার্স ফর ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অব মেশিনারি অ্যান্ড ইলেকট্রনিক প্রোডাক্টসের (সিসিসিএমই) সঙ্গেও আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বিনিময়, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত হয় দুই পক্ষ।

১২ জুন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিংয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে বিসিসিসিআইর ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাসুদ আলী খান সংগঠনের পক্ষে বক্তব্য দেন। এ সময় বিসিসিসিআই সভাপতির উপদেষ্টা ফাইজুল আলম বিদ্যুৎ বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরে একটি উপস্থাপনা করেন।

উপস্থাপনায় তৈরি পোশাক ও বস্ত্র, চামড়া ও পাদুকাশিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কারিগরি জনশক্তি ও প্রযুক্তি স্থানান্তর, স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধশিল্প, বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) ও ই-কমার্সসহ সাতটি অগ্রাধিকার খাত তুলে ধরা হয়। বিসিসিসিআইর মতে, এতে চীনা ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগে কাজ করার বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

এক্সপো চলাকালে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ কান্ট্রি প্যাভিলিয়ন এবং বিভিন্ন প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করে। এ সময় তারা বাংলাদেশের পণ্যের মান, ব্র্যান্ডিং, বাজার সম্প্রসারণ এবং চীনা বাজারে রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।




সিটি ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নারী-পুরুষ উভয়ে আবেদন করুন

সিটি ব্যাংক পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি ব্রাঞ্চ, রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগ ট্রানজেকশন সার্ভিস পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গতকাল ১৭ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে সিটি ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম
সিটি ব্যাংক পিএলসি
চাকরির ধরন
প্রকাশের তারিখ
১৭ জুন ২০২৬
পদ সংখ্যা
১টি
লোকবল নিয়োগ
নির্ধারিত নয়
চাকরির খবর
আবেদন করার মাধ্যম
অনলাইন
আবেদন শুরুর তারিখ
১৭ জুন ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ
২৩ জুন ২০২৬
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট
আবেদন করার লিংক
অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: সিটি ব্যাংক পিএলসি
পদের নাম: ট্রানজেকশন সার্ভিস
বিভাগ: ব্রাঞ্চ, রিটেইল ব্যাংকিং
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২৫ থেকে ৩২ বছর

কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
বেতন: ৩০,০০০ টাকা (মাসিক)
অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আবেদনের শেষ সময়: ২৩ জুন ২০২৬