নারী-শিক্ষার্থী-তরুণদের জন্য ৫ প্রোডাক্ট আনলো মেঘনা ব্যাংক

মেঘনা ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক আর্থিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাঁচটি রিটেইল ব্যাংকিং প্রোডাক্ট উদ্বোধন করেছে।

উদ্বোধন করা প্রোডাক্টগুলোর মধ্যে রয়েছে—নারী গ্রাহকদের বিশেষ সঞ্চয়ী হিসাব ‘শ্রেয়সী’ (Sreyoshi); রিটেইল সঞ্চয়কারীদের জন্য ‘রেগুলার ডিপিএস’ (ডিপোজিট পেনশন স্কিম); শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য ফ্লেক্সিবল ব্যাংকিং সল্যুশন ‘ইয়াংস্টার’ (Youngster) ও ‘ইয়াংস্টার প্লাস’ (Youngster Plus); এবং শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুবিধার্থে ওভারসিজ এডুকেশন ফান্ড সার্ভিস ‘মেঘনা আরোহী’ (Meghna Arohi) – স্টুডেন্ট ফাইল সার্ভিস)।

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই রিটেইল প্রোডাক্টগুলো নতুন আঙ্গিকে উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম এবং ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




চট্টগ্রামে খোয়া যাওয়া ১০১ মোবাইল ফিরিয়ে দিলো পুলিশ

চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খোয়া যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে জেলা পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে নগরের নাসিরাবাদে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। তারা বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও বাড়াবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হারানো সম্পদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় জেলার ১৭টি থানায় মোবাইল হারানোর ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরিগুলো (জিডি) পর্যালোচনা করা হয়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে তাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারা পুলিশের জন্য আনন্দের বিষয়। আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা, হারানো সম্পদ উদ্ধার এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




বর্জ্য অপসারণ এখন ডিএসসিসির এক নম্বর অগ্রাধিকার : প্রশাসক

মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও বর্তমানে দ্রুত বর্জ্য অপসারণই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বুধবার (১৭ জুন) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান হস্তান্তর করা হয়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশনের সবচেয়ে কঠিন ও কষ্টসাধ্য কাজটি করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। নাগরিকদের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা চলমান থাকলে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকার চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।

তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদেরও জনসচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

বাসাবাড়ির বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মো. আবদুস সালাম বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক টেন্ডারের মাধ্যমে পরিচালিত বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত সময়ে ময়লা তোলা হচ্ছে না, আবার কোথাও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। আগামী বছর বর্তমান ব্যবস্থা বহাল থাকবে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেলে প্রয়োজনে নতুন ব্যবস্থা চালু করা হবে।

এবারের ঈদুল আজহায় স্বল্প সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশাসক বলেন, দ্রুত বর্জ্য অপসারণের ফলে এবার নগরবাসী দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেয়েছে, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ইতোমধ্যে এক হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ‘হেলথ কার্ড’ দেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে ছয় হাজারে উন্নীত করা হবে। এছাড়া, আর্থিক সংকটের কারণে কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সন্তান যেন উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন সহযোগিতা করবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তোলা শুধু সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নয়, এটি নাগরিকদেরও দায়িত্ব। সবাই মিলে কাজ করলে রাজধানীকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




হঠাৎ কেন ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের জন্য টাকা নিচ্ছে মেটা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রায়ই ‘প্লাস’ সাবস্ক্রিপশন আপগ্রেড করতে বিভিন্ন ধরনের নোটিফিকেশন দিয়ে থাকে। মার্ক জাকারবার্গের নেতৃত্বাধীন মেটা ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামেও সাবস্ক্রিপশন চালু হয়েছে। ব্যবহারকারীদের এটি ব্যবহারের জন্য অথ্য খরচ করতে হচ্ছে।  বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।  

বুধবার (১৭ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং এআই চ্যাটবটসহ মেটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স) ব্যবহারকারীদের জন্যও নতুন সাবস্ক্রিপশন চালু করেছে। ইনস্টাগ্রাম প্লাস এবং ফেসবুক প্লাস নামে এ সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষামূলক চালু হয়েছে। এছাড়া মেটা আরও উচ্চতর স্তরের সাবস্ক্রিপশনও পরীক্ষা করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এআই খাতে ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে এ ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে। জাকারবার্গ অন্যদের তুলনায় এআই জগতে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি সেই জায়গাটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

টেক আর্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান বিশ্লেষক ফয়সাল কাওসা এনডিটিভিকে বলেন, মেটা এআই অবকাঠামোতে ১২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এই বিনিয়োগের সার্থকতা প্রমাণের জন্য তাদের একটি পূর্বাভাসযোগ্য এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ আয়ের উৎস প্রয়োজন। শুধু বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে এটি পূরণ করা সম্ভব নয়। এআই আসার পর পর কন্টেন্ট খোঁজ করার এবং ব্যবহারের ধরন যখন বদলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, মেটা মাইক্রোসফট বা গুগলের মতো বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা অর্জন করতে পারেনি। ফলে তাদের বাণিজ্যিক উপস্থিতিও তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। বিনামূল্যে ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নেতিবাচক মনে হতে পারে।

ট্রুইস্ট সিকিউরিটিজ বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ সাবস্ক্রিপশন থেকে বছরে মেটার ২০ বিলিয়ন ডলার বাড়তি আয় হতে পারে।  ডয়চে ব্যাংকের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলেছে, আগামী বছর সাবস্ক্রিপশন থেকে ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে। যদিও অনেক বিশ্লেষক উচ্চাভিলাষী হিসাব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

মেটা বলছে, গত বছর সংস্থাটির মোট আয়ের ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ বিজ্ঞাপন থেকে এসেছিল। প্রতিষ্ঠানটি দুই দশকেও বিজ্ঞাপনের বাইরে ব্যবসাকে বিস্তৃত করতে পারেনি। অন্যদিকে গুগল বিজ্ঞপননির্ভর হলেও ১০ বছর আগে বিজ্ঞাপনের বাইরে যা আয় করত, মেটা গত বছরও সেই পরিমাণ আয় করতে পারেনি। এসব কারণে জাকারবার্গ এ ধরনের তৎপরতার দিকে ঝুঁকতে পারেন।

এআই বিশেষজ্ঞ এবং এআইএনসিউর্ডের সিটিও শ্রীনিবাস পদ্মনাভুনী বলেন, মেটার এ ধরনের পদক্ষেপ মূলত সাময়িক জোড়াতালি দেওয়ার শামিল। তিনি বলেন, মেটার পেইড প্লানগুলো দেখে মনে হচ্ছে তারা এআইতে নিজেদের বিশাল বিনিয়োগ তুলে আনতে চেষ্টা করছে। এজন্য কেবল নিয়মিত ব্যবহারকারীদের আরও বাড়তি কিছু সুবিধা দিয়ে টাকা আদায়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

সূত্র: এনডিটিভি




দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি আটক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি আটক রয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সংসদে কুমিল্লা -৪ আসনের এমপি এনসিপি দলীয় সদস্য মো. আবুল হাসনাতের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ৭ জুন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে সর্বমোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫,১৩৬ (পুরুষ ৪৩,১০৭ এবং মহিলা ২,০২৯) জনের বিপরীতে বর্তমানে ৭৬,১১৩ জন (পুরুষ ৭৪,০৩৬ এবং মহিলা ২,০৭৭) জন বন্দি আটক আছে, যা ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ।

তিনি বলেন, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি আটক থাকায় কিছু কিছু কারাগারে বন্দিদের আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে। বন্দি আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য ইতোমধ্যে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরাণীগঞ্জ, সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ চালু করা হয়েছে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-২, মাদারীপুর জেলা কারাগার-২, পিরোজপুর জেলা কারাগার-২ শীঘ্রই চালু করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, জামালপুর কারাগার পুনর্নির্মাণ এবং নরসিংদীতে নতুন কারাগার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। উল্লিখিত ৪টি কারাগারের নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরো ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পেয়ে সর্বমোট ৪৮ হাজার ৯১ জনে উন্নীত হবে।

এছাড়া রাজশাহী, রংপুর, নোয়াখালী, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি কারাগার পুনর্নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে; যা বাস্তবায়িত হলে ধারণক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।




পুলিশের পর সাংবাদিক হয়ে ফিরছেন অপূর্ব

বছর দুয়েক আগে ওটিটিতে দেখা গিয়েছিল জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে। শিহাব শাহীনের ‘গোলাম মামুন’ সিরিজের নাম ভূমিকায় পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছিলেন। দুই বছর পর ওটিটিতে ফিরছেন অভিনেতা। এবার তিনি সাংবাদিক। সিরিজের নাম ‘হেডলাইন’। বানিয়েছেন সালেহ সোবহান অনীম।

২৫ জুন হইচইতে মুক্তি পাবে সিরিজটি। এ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ট্রেলার। তাতে আঁচ করা যায়, সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ, সিস্টেমের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা দিক উঠে আসবে এতে। সেই সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত সংকট ও মানবিক টানাপোড়েনও থাকবে সমান্তরালে।

৮ পর্বের এ সিরিজে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, ইয়াশ রোহান, আফসান আরা বিন্দু, সারিকা সাবরিন, ফারহানা হামিদ, শ্যামল মাওলা, রাই রাজন্যা, অর্নিল বিরল, মনিরুল ইসলাম রুবেল, আমিনুর রহমান মুকুল, এ কে আজাদ সেতু, সাহানা রহমান সুমি, আরিফিন জিলানী জাহাঙ্গীর আলমসহ অনেক।

‘হেডলাইন’-এ সাংবাদিক জহির চরিত্রে আছেন অপূর্ব। তিনি বলেন, ‘জহির চরিত্রটার একটা দারুণ গ্রাফ আছে। গল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে তাকে ভিন্ন ভিন্ন রূপে দেখা যায়। কখনো সে খুবই আবেগপ্রবণ, আবার কখনো বাস্তবতার কঠিন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। একজন অভিনেতা হিসেবে এই ধরনের বহুস্তরীয় চরিত্র সবসময়ই আমাকে আকৃষ্ট করে।’

সিরিজটির মাধ্যমে তিন বছর পর আবারও ওটিটিতে প্রত্যাবর্তন করছেন আফসান আরা বিন্দু। তিনিও ভীষণ অপেক্ষায় আছেন সিরিজটি নিয়ে দর্শকের প্রতিক্রিয়া দেখার।

অন্যদিকে ইয়াশ রোহানের মন্তব্য এমন, ‘চরিত্রটার জন্য আমি পুরো ক্যারিয়ারজুড়েই অপেক্ষা করেছি। সামিউল এমন একটা চরিত্র যেখানে অভিনয় করতে গিয়ে আমি ইয়াশ থাকিনি, হয়ে উঠেছিলাম সামিউল। এই চরিত্রটির জন্য আমি হার্ট অ্যান্ড সোল দিয়েছি। আশা করি, দর্শকরা সামিউলের গল্প ও অনুভূতির সঙ্গে নিজেদের কানেক্ট করতে পারবেন।’




বাজেটে প্রতিরক্ষা ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো উচিত : ড. মিজানুর রহমান

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষিখাতে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ হয়নি বলে মনে করেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক এবং সেন্ট্রাল ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড পিচ স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মিজানুর রহমান। তার মতে, বর্তমান প্রতিরক্ষা নীতি এবং সামরিক বাজেট অপ্রতুল। আর কৃষিখাত বাজেটে অনেকটা উপেক্ষিত হয়েছে। এই খাতে আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

বুধবার (১৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে অবস্থিত ইআরএফ অডিটোরিয়ামে ওয়ান ইনিশিয়েটিভ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (ওআইআরডি) আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট : উন্নয়ন ও রাজনৈতিক অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে আলোচক হিসেবে তিনি এমন বক্তব্য দেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ওআইআরডির চেয়ারম্যান এবং মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব।

ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা নীতি অনেকটা ভারতকেন্দ্রিক হয়ে আছে, যা শক্তির পরিবর্তে পরনির্ভরশীলতা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটে সামরিক খাতের জন্য ৪০ থেকে ৪২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও এর সিংহভাগই ব্যয় হয় বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক কাজে। প্রকৃত সামরিক সরঞ্জামের জন্য বরাদ্দ থাকে মাত্র ১ থেকে ২ হাজার কোটি টাকা, যা দিয়ে একটি আধুনিক এয়ারক্রাফট কেনাও সম্ভব নয়।

তবে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের কাছ থেকে ড্রোন ও এয়ারক্রাফট সংগ্রহের জন্য ২৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বাজেট আলোচনার বিষয়টিকে তিনি একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখন করেন। পাশাপাশি বাজেটে সামরিক বরাদ্দ আরো বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান এই বিশ্লেষক।

ড. মো. মিজানুর রহমান বাজেটে কৃষি খাতের বরাদ্দ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর বাজেটে কৃষিখাতে মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়। বর্তমান সরকার মুখে কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো কথা বললেও বস্তুতপক্ষে সার্বিক বাজেট গ্রোথের সঙ্গে এই খুবই সামান্য বাড়ানো হয়েছে। এ বছর জাতীয় বাজেট ১৭-১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও কৃষিখাতে বরাদ্দ বেড়েছে মাত্র ৬ শতাংশ, যা মূলত কৃষকদের ঠকানোর শামিল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কৃষিখাতে ১৭-১৮ হাজার কোটি টাকার যে ভর্তুকি দেওয়া হয়, তার বড় একটি অংশই মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে চলে যায়। সাধারণ কৃষকরা এই সুবিধার খুবই সামান্য পায়। এক্ষেত্রে অমূল পরিবর্তন আনতে হবে।

ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা সমালোচনা করে বিশ্লেষক বলেন, ব্যক্তিগত আয়কর সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৭৫ লাখ টাকা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। তার মতে, মুদ্রাস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে, ফলে এই বৃদ্ধি কোনো কাজে আসছে না। উপরন্তু ট্যাক্স স্ল্যাব বা ধাপ পরিবর্তনের মাধ্যমে করের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। আগের হিসেবে ৫ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে যেখানে ১০ হাজার টাকা কর দিতে হতো, নতুন নিয়মে সেখানে ১২ হাজার ৫০০ টাকা কর দিতে হচ্ছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের (বিআইজিএম) সহযোগী অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ ড. জুবায়ের আহমেদ। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাগুলো দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানত প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জনে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার চেয়ে ‘রাজনৈতিক সদিচ্ছা’ বা ‘উচ্চাভিলাষের’ প্রতিফলনই বেশি দেখা যাচ্ছে।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ হলেও আগামী অর্থবছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে এই ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন বিশাল চ্যালেঞ্জ এবং উচ্চাভিলাষী। একইভাবে, সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য রাখা হয়েছে, যেখানে ঐতিহাসিকভাবে এটি সব সময় ১ শতাংশের নিচেই অবস্থান করে। এছাড়া বর্তমানে মূল্যস্ফীতি যেখানে ১০ শতাংশের কাছাকাছি, সেখানে বাজেটে এটি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যটিও অর্জন সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, একদিকে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যাপক বরাদ্দ, অন্যদিকে ব্যাংক খাতের জন্য ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ এবং নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন অর্থনীতিতে মুদ্রার প্রবাহ বাড়িয়ে দেবে। এই বাড়তি অর্থপ্রবাহের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমানো মোটেও সহজ হবে না।

ড. জুবায়ের আহমেদ আরো বলেন, এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রতিবছরই লক্ষ্যমাত্রা ও আদায়ের মধ্যে গ্যাপ বা ব্যবধান বাড়ছে। এনবিআরের বর্তমান সক্ষমতা, ডিজিটাল ব্যবস্থার অভাব এবং করের আওতা বাড়ানোর সীমাবদ্ধতার কারণে এক বছরের মধ্যে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাস্তবসম্মত নয়।

তিনি বলেন, সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ কমানোর দাবি করলেও ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক উৎসের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের জন্য এই ব্যয়বহুল বৈদেশিক ঋণ শেষ পর্যন্ত বিদেশের প্রতি নির্ভরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের ফলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে যাওয়ার বা ক্রাউডিং আউট ইফেক্ট তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

এই বিশ্লেষক বলেন, উন্নয়নের অগ্রাধিকার ও রাজনৈতিক অর্থনীতি এবারের বাজেটে ভৌত অবকাঠামোর চেয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো ‘সফট ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ বা জনকল্যাণমূলক খাতে গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে এই বাজেট মূলত ভোটার বা নাগরিকদের সন্তুষ্ট করার একটি প্রবণতা এবং এটি মূলত একটি সিটিজেন সেন্ট্রিক বা নাগরিক-কেন্দ্রিক বাজেট হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

নীতি নির্ধাকরদের প্রতি পরামর্শ দিয়ে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, এনবিআরের সক্ষমতার সাথে মিল রেখে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা, ভৌত অবকাঠামো এবং সামাজিক খাতের বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে বরাদ্দ করা অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।




স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী

একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

 

বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে্ন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

সাক্ষাৎকালে তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন‌।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তবে একই সঙ্গে সরকার জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকেও সুরক্ষা দিতে চায়। এজন্য একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি ড্রাফট কমিটি গঠন করা হবে যারা একটি ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।




জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেবো না : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেবো না আমরা। জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করা হবে। জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে।

বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি সবাই চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে এই দেশের মানুষের অর্থ-সম্পদ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না এবং সেই টাকা দিয়ে আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করব এবং সেই অর্থ দিয়ে আমরা দেশ এবং দেশের মানুষের ভাগ্যকে পরিবর্তন করব।

তিনি বলেন, আজকে আল্লাহর কাছে আমি হাজারো শুকরিয়া জানাই, লাখো শুকরিয়া জানাই যে আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দিয়েছেন, আজকে আমি আমার কথা আজকে রাখতে পেরেছি। নির্বাচনী প্রচারণার সময় হবিগঞ্জের জনসভা থেকে চা বাগানের নারী শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার অংশ হিসেবে এই কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান। আমরা হয়তো আজকে সবাইকে দিতে পারিনি, কিন্তু ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা সব নারী শ্রমিকসহ চা বাগানের সবার কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।

আগামী এক বছরে ৪০ লাখ পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড এবং একইভাবে ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ারও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটকে কেউ কেউ ‘গণবিরোধী’ ও ‘চানাচুরের মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন—এর সরাসরি জবাব দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেই বাজেটে ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, সেই বাজেটকে একটি দল বলে গণবিরোধী বাজেট। এখন জনগণের জন্য যেই বাজেটের সব ব্যবস্থা রেখেছি, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা কি কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না।

তারেক রহমান বলেন, যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটি সংসদের ভেতরেই হোক, বাইরেই হোক, তাদের ব্যাপারে আপনাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। এই সব লোকেরা, এই সব দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করার সুযোগ পায়, তাহলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না।

তিনি বলেন, জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে পারবে না। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কেউ নষ্ট করতে পারবে না।

মৌলভীবাজারের উন্নয়নে বিএনপির অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই যে মৌলভীবাজারের যতগুলো বড় বড় রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ দেখেছেন, খোঁজ করে দেখুন, এগুলো সব বিএনপির, মরহুম সাইফুর রহমান সাহেবের সময় এই কাজগুলো হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা।




বাজারে চাল ও নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী

হুট করে ঢাকার দুটি বাজার পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তারা ওই সময় বাজারে চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল পেয়েছেন। সরবরাহও ছিল স্বাভাবিক।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর বাদামতলীর পাইকারি চালের বাজার ও নয়াবাজার কাঁচাবাজার পরিদর্শন করেছিলেন দুই মন্ত্রী। পরিদর্শন থেকে ফিরে দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটা প্রেস ব্রিফিং করেন তারা।

ওই সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) একটি পত্রিকায় চালের দাম বেড়েছে এমন খবরে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমরা বাজারে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা চালের পাইকারি বাজারে তেমন কিছু পাইনি। আমরা দেখেছি, চালের দাম এক থেকে দেড় টাকা কম-বেশি আছে। বিক্রেতারা আমাদের জানিয়েছেন, মিল মালিকরা প্রতি বস্তায় ১০০ টাকা দাম বাড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এখন বাজার সাড়া না দেওয়ার কারণে বরং কমে এসেছে।’

মন্ত্রী বলেন, সবমিলে আমরা দেখেছি, চালের মুল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। মানভেদে ২/১ টাকা দামের কম-বেশি আছে। তবে সেটা স্বাভাবিক। নতুন ও পুরনো চালের মধ্যে এমন কমবেশি থাকেই।

তিনি বলেন, এরপর আমরা নয়া বাজারে খুচরা বাজারে গিয়েছি। সেখানে নিত্যপণ্যের দামও স্থিতিশীল দেখেছি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু এখন নয়, গত রোজার পর থেকে খাদ্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল আছে। আমরা শুধু বিশ্ববাজারে দাম সমন্বয় করার জন্য সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়েছি। এছাড়া অন্য কোনো পণ্যের দামে কোনো অস্থিরতা নেই।

মন্ত্রী বলেন, এ বছর বাজেট পরবর্তীতেও বাজারে কোনো অস্থিরতা ছিল না।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, সরকারের কাছে আপদকালীন মজুত থাকার কথা ১৩ লাখ টন খাদ্যশস্য। সেখানে আমাদের মজুত আছে ২০ লাখ টন। পাশাপাশি সন্তোষজনক সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি বা সমস্যা নেই।




রাতে পর্তুগালের ম্যাচ, কখন কোথায় কিভাবে দেখবেন

ঘুম চোখে লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিক দেখার পর ভক্তরা মুখিয়ে আছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর খেলা দেখতে। প্রিয় মহাতারকার খেলা দেখতে অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে না দর্শকদের।

আজ বুধবার (১৭ তারিখ) রাত ১১টায় কঙ্গোর মুখোমুখি হচ্ছে ফেবারিট পর্তুগাল।

ঘরে বসেই টিভিতে দেশের তিনটি চ্যানেলে দেখা যাবে পর্তুগাল-কঙ্গোর খেলা। রাষ্ট্রীয় চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ছাড়াও এই ফুটবল মহাযজ্ঞের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও সময় টেলিভিশন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা ফিফার কাছ থেকেই সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে তারা।

এ ছাড়া মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপ থেকেও ম্যাচগুলো উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। তবে সেক্ষেত্রে সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে।

নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে মোবাইল ফোন ও স্মার্ট ডিভাইসে মাই রবি অ্যাপ, বাংলালিংকের টফি ও গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপে ঘরে বসেই ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ উপভোগ করতে পারবেন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। এ ছাড়া পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন জায়গায় বড় পর্দায় দেখানো হচ্ছে বিশ্বকাপ।




কাঁচা মরিচ-পটলসহ কমল সব ধরনের সবজির দাম

রাজবাড়ীতে গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির বাজার দর কমে অর্ধেকে নেমেছে। বাজারে সবজির সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে কেজিপ্রতি বিভিন্ন ধরনের সবজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

কমেছে কাঁচা মরিচের দামও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি পটল, ঝিঙ্গা, ভেন্ডি, করলা, বেগুন, পেঁপেসহ অন্যান্য সবজি বাজারে ৫০/৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে কেজিতে ২০/৪০ টাকা পর্যন্ত কমে ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ মান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে।

প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় সব ধরনের সবজির বাজার দর কমেছে। প্রকার ভেদে কেজিপ্রতি ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কমেছে। দাম কমার কারণে সাধারণ ক্রেতারা সবজি কিনতে পারছেন।

 




সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।




ইবনে সিনায় চাকরি, বেতন ছাড়াও থাকছে অন্যান্য সুবিধা

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার (ন্যাচারাল মেডিসিন) পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গতকাল ১৬ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ইবনে সিনায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি
চাকরির ধরন
প্রকাশের তারিখ
১৬ জুন ২০২৬
পদ সংখ্যা
১টি
লোকবল নিয়োগ
নির্ধারিত নয়
চাকরির খবর
আবেদন করার মাধ্যম
অনলাইন
আবেদন শুরুর তারিখ
১৬ জুন ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ
২৫ জুন ২০২৬
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট
আবেদন করার লিংক
অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি
পদের নাম: রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার (ন্যাচারাল মেডিসিন)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতা
অভিজ্ঞতা: ১০ থেকে ১২ বছর

চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ৪০ থেকে ৪৫ বছর

কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
বেতন: যোগ্য প্রার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ দেওয়া হবে।
অন্যান্য সুবিধা: চিকিৎসা ভাতা, মুনাফার অংশ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, মোবাইল বিল, ভ্রমণ ভাতা, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, মাসিক ও ত্রৈমাসিক ইনসেনটিভ, বিদেশ ভ্রমণ, মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন পাবেন কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ জুন ২০২৬




বিশ্বকাপে একদিনে তিন তারকার গোল উৎসব

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর ২৪ ঘণ্টার সাক্ষী হলো পুরো ফুটবল বিশ্ব। আন্তর্জাতিক ফুটবলের এক অমর মহাকাব্যের দিনে গোল উৎসবে মাতলেন বর্তমান বিশ্বের তিন মহাতারকা- লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হালান্ড। নিজ দলের হয়ে খেলতে নেমে জয়ের দেখা পেয়েছেন তিনজনই।

দিনের সবচেয় বড় ধামাকাটি এসেছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির পা থেকে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০০তম ম্যাচের রাতটিকে রাঙালেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক দিয়ে।

আর ৩৯তম জন্মদিনের এক সপ্তাহ আগে আগে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করার অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েন তিনি। এই জাদুকরীর হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মোট ১৬ ড়োল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বকালীন সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেললেন আর্জেন্টিনার এই ফুটবল জাদুকর।

এদিকে দীর্ঘ ২৬ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়েকে একাই টানলেন ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড। বোস্টন স্টেডিয়ামে ইরাকের বিপক্ষে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমেই জোড়া গোল করে দলকে ৪-১ গোলের বিশাল জয় উপকার দেন তিনি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের ৫৭তম গোলটি তুলে নিয়ে হালান্ড স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন, এবার নরওয়ে বিশ্বকাপে কেবল অংশ নিতে আসেনি, দাপট দেখাতে এসেছে।

গ্রুপ ‘আই’ এর আরেক হাইভোল্টেজ ম্যাচের ফ্রান্সকে জয় এনে দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। গত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে এই আসরের প্রথম ম্যাচেই নিজের চেনা রূপ দেখিয়েছেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে নিজের অতিমানবীয় গতিতে পরাস্থ করে দলের জয়ে অবদান রাখেন এবং বিশ্বমঞ্চে নিজের গোলসংখ্যাকে আরও উঁচুতে নিয়ে গেলেন এই ফরাসি তারকা।