৫১ ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছালেন ২০,৫৫৩ হজযাত্রী

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৫৫৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৫১টি ফ্লাইটে তারা সেখানে যান। এদিকে হজে গিয়ে নইম উদ্দীন মন্ডল (৭৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রকাশিত হজ বিষয়ক সর্বশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

হজ বুলেটিনের আইটি হেল্প ডেস্ক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৮৫৫ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ১৮টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ১৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৪টি ফ্লাইটে ৫ হাজার ৬৯৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

মোট হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন ২ হাজার ৮৩০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ১৭ হাজার ৬৯৩ জন।

এদিকে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। নিহত নইম উদ্দীন মন্ডলের বাড়ি জয়পুরহাট সদর উপজেলায়। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ওই দিন ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

হজ ফ্লাইট পরিচালনা চলবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত। এরপর ৩০ মে থেকে শুরু হবে ফিরতি ফ্লাইট, যা শেষ হবে ৩০ জুন।

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে যাবেন ৫ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় অংশ নেবেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন।




রাজস্ব কাঠামোতে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন চায় ঢাকা চেম্বার

মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) করের অবদান বৃদ্ধিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব কাঠমোর পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একইসঙ্গে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ২৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ, ব্যক্তিখাতে করমুক্ত আয়ের নূন্যতম সীমা ৫ লক্ষ টাকা করা, বাণিজ্যিক আমদানিতে আগাম কর ৭.৫ শতাংশ হতে হ্রাস করে ৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং কাস্টমস রিফান্ড ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

আজ (বুধবার) এনবিআরের সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং আমদানি শুল্ক খাতে ঢাকা চেম্বারের ৫৪টি প্রস্তাবনার সারসংক্ষেপ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ’র নিকট পেশ করেন ডিসিসিআইয়ের মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।

প্রস্তাবনা উপস্থাপনের শুরুতেই ঢাকা চেম্বারের কাস্টমস ভ্যাট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক এম বি এম লুৎফুল হাদি বলেন, করজাল সম্প্রসারণ ও রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ ও করের বোঝা হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগে নীতি সহায়তা প্রদানের বিষয়গুলোকে এ বছর ডিসিসিআই জোর দিয়েছে, যার মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আহরণের হার বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব আসবে বলে মনে করছে বাণিজ্য এ সংগঠনটি।

এসময় ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, পরিচালক এম মোসাররফ হোসেন, ইঞ্জি মোস্তফা কামাল এবং রাশীদ মাইমুনুর ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী করজাল সম্প্রসারণ ও রাজস্ব ঘাটতি কমাতে সরকারী সকল সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর ডেটা সমন্বয়ের মাধ্যমে সেন্ট্রাল এপিআই ইন্টিগ্রেশন ব্যবস্থার প্রবর্তন, কোম্পানির আমানতের উৎসে সুদ হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোম্পানির নিট সম্পদের উপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বিলোপকরনের উপর জোরারোপ করেন। সেই সাথে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে গতি আনায়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পরোক্ষ রাজস্ব আয় বাড়াতে ভ্যাট রিফান্ডের ঊর্ধ্বসীমা বাতিল ও ভ্যাট সংগ্রহ বৃদ্ধিতে মোবাইল অ্যাপ প্রবর্তন সহ সামগ্রিক মূসক কার্যক্রমে অটোমেশনের প্রস্তাব করেন ডিসিসিআই’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

ঢাকা চেম্বারের বাজেট প্রস্তাবনার সাথে একমত পোষণ করে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, এ বছরের বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, শুল্কের হার হ্রাসের চেয়ে নন-ট্যারিফ প্রতিবন্ধকতা নিরসনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেবে, যার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমবে, উদ্যোক্তাদের স্বস্তি আসবে পাশাপাশি দেশের ম্যাক্রো অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরে আসবে। তিনি আরও বলেন, সত্যিকারের কমপ্লায়েন্স করদাতাদের ওপর করের বোঝা ও হয়রানি হ্রাসের লক্ষ্যে যারা কর ফাঁকি দিচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করে করের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে কোনো শৈথিল্য গ্রহণ করা হবে না। এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, সরকার ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর বিষয়ে এনবিআর বদ্ধ পরিকর।

তিনি উল্লেখ করেন, ভ্যাটের থ্রেসহোল্ড গতবছর ৩ কোটি টাকা থেকে ৫০ লাখে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং বর্তমানে ভ্যাট নিবন্ধনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ৮ লাখেরও কম, আমাদের অর্থনীতির সক্ষমতা বিচারে এ সংখ্যা কোটির বেশি হওয়া উচিত। এনবিআর চেয়ারম্যান আরও বলেন, কর্পোরেট করের হার ৫০ শতাংশ হতে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে বর্তমানে ২৭.৫ শতাংশ নামিয়ে আনা হয়েছে, এটিকে আরও হ্রাসের আসলেই তেমন সুযোগ নেই, তবে ইফেকটিভ করের হার যেন না বাড়ে তার ওপর বেশি মনোযোগী হওয়া জরুরি। আগামী বছর থেকে কর্পোরেট করের রিটার্ন অনলাইনে প্রদান প্রক্রিয়া চালু হবে পাশাপাশি কর ফেরত (রিফান্ড) প্রদানের ব্যবস্থা অনালইনে নিশ্চিতের কার্যক্রমও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।




ঈদ ঘিরে শিল্পাঞ্চলে দুষ্কৃতকারী দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে সরকার তৎপরতা বাড়িয়েছে। এ লক্ষ্যে শিল্পাঞ্চলে দুষ্কৃতকারীদের দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (২২ এপ্রিল) গাজীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিল্প মালিক ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা ঢাকা ও গাজীপুরের শ্রমঘন শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন বজায় রাখতে কারখানাগুলোর জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। এসময় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান বাবু কারখানার জেনারেটরের জন্য ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের সহায়তা চান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমমন্ত্রী পেট্রোল পাম্পগুলোতে সংশ্লিষ্ট কারখানার নাম ও প্রাপ্য ডিজেলের পরিমাণ উল্লেখ করে নোটিশ টানানোর নির্দেশ দেন, যেন স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। পাশাপাশি শিল্পঘন এলাকায় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

দুর্বল আর্থিক অবস্থায় থাকা কারখানাগুলো চিহ্নিত করে নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ভাসমান ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের তালিকা করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।” শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের উৎসবের আনন্দ নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়ে কারখানা মালিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন মন্ত্রী।

 

সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ওমর মো. ইমরুল মহসিন এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুছ সামাদ আল আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। এছাড়া বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং শিল্প মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।




‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই’

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নেই।

আজ (বুধবার) সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. শাহাদাত হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথোরিটি (পিপিপিএ) অথবা সরকার কর্তৃক জারিকৃত অথবা অনুমোদনকৃত ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার লক্ষ্যে অপারেটর নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে দেশি এবং বিদেশি উভয় ধরনের অপারেটর বিবেচনা যোগ্য।

তিনি বলেন, বর্তমানে বন্দরের আধুনিকায়ন এবং দেশের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের অব্যাহত অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি অপারেটর দ্বারা বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা করা হচ্ছে। যেমন বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) বিদেশি অপারেটর দ্বারা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন।

 

এ ছাড়া, কর্ণফুলি নদীর ডান তীরে লালদিয়া চর নামক স্থানে লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য পিপিপি পদ্ধতিতে ডেনমার্কে মার্কস গ্রুপের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস বিভি-এর সহিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আরও উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম বন্দর একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২ অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বোর্ড এবং সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত। উপরন্তু সরকার কর্তৃক সময় সময় যেসব নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তা সরকারি নির্দেশনামতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিপালন করে থাকে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।




উপায়ের সিইও শ্যামল বরন দাশ

দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) উপায়ের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন শ্যামল বরন দাশ। ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং আর্থিক খাতে কাজ করার ক্ষেত্রে তাঁর ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, দীর্ঘ কর্মজীবনে আধুনিক আর্থিক সেবা মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে এমএফএস, ডিজিটাল ব্যাংকিং, রিটেইল ও এসএমই সলিউশন, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং কার্ড সার্ভিসের মতো খাতে তিনি সফলভাবে কাজ করেছেন।

‘উপায়’-এ আসার আগে তিনি দেশের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নগদের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেঘনা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, ব্র্যাক ব্যাংক-এর প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা এবং ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেড-এর সিইও হিসেবে কাজ করেছেন। নতুন নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি এবং দক্ষ কর্মীদল গঠনে তাঁর চমৎকার সাফল্য রয়েছে।

শিক্ষাজীবনে শ্যামল বরন দাশ ভারতের বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং যুক্তরাজ্যের রয়্যাল হলোওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড, এমআইটি, কর্নেল ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি পেশাগত ডিগ্রি ও সনদ গ্রহণ করেছেন।

ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের (উপায়) পরিচালনা পর্ষদ তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেছে। পর্ষদের আশা, শ্যামল বরন দাশের দক্ষ নেতৃত্বে উপায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং ভবিষ্যতে গ্রাহকদের আরও আধুনিক ও উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হবে।




শিক্ষার্থীদের মাঝে পাটের তৈরি ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার

দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে পাটের তৈরি ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার।

আজ সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্কুলে পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রম সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন ।

তিনি জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে তিন মন্ত্রণালয় যথাক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, বস্ত্র ও পাট এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এই বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে প্রতিটি উপজেলায় দুটি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাটের তৈরি ব্যাগ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

দেশীয় পাট শিল্পকে রক্ষা এবং পরিবেশকে দূষণমুক্ত করতে এই কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই থেকে প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে স্কুলে এই কর্মসূচি শুরু হবে। স্কুল নির্বাচন করবে স্থানীয় প্রশাসন।

তিনি বলেন, প্রথম মাসে এক লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস দেয়া হবে। সরকারের এই কার্যক্রমে প্রথম ধাপে প্রতি উপজেলার দুটি স্কুল পাবে। পর্যায়ক্রমে সব প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, এর মাধ্যমে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমতা ও ন্যায্যতার বার্তা পৌঁছে দেয়া হবে। ধনী-দরিদ্র বৈষম্য কমাতে এটি ভূমিকা রাখবে।