হজের প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল, যাবেন ৪১৯ জন হজযাত্রী

সৌদি সরকার ঘোষিত হজ ব্যবস্থাপনার রোডম্যাপ অনুসারে ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে। ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী ফ্লাইটে থাকবেন ৪১৯ জন হজযাত্রী।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এবছর বাংলাদেশ থেকে হজের উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট রয়েছে, যার মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া ও চারটি ফ্লাইনাস পরিবহন করবে।

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন জানিয়ে এতে আরও বলা হয়, এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের জন্য যাবেন।

সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হজচুক্তি অনুসারে মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে। বাকি ৫০ ভাগের মধ্যে সৌদি আরবের সাউদিয়া শতকরা ৩৫ ভাগ ও ফ্লাইনাস ১৫ ভাগ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

২১ মে প্রি-হজ ফ্লাইট শেষ হবে। প্রি-হজ ফ্লাইট ২০৭টি, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়ার ৭৫ টি ও ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে হতে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং তা ১ জুলাই শেষ হবে।




প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীকে পুঁজিবাজারের সমস্যা-সম্ভাবনা জানাল বিএসইসি

প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) তানভীর গনির সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বৈঠকে পুঁজিবাজারের সমস্যাগুলো ও সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক বিশেষ সহকারীর কাছে উপস্থাপন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। এছাড়াও কমিশনের কমিশনারবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বিএসইসির পক্ষ থেকে একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে কমিশনের ভূমিকা, সামগ্রিক কার্যক্রম, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও সক্ষমতা, পুঁজিবাজারে ইকোসিস্টেম ও রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক, পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএসইসি কর্তৃক বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম ও অর্জিত সাফল্য এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএসইসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরা হয়।

এছাড়া পুঁজিবাজারের সংস্কার ও টেকসই উন্নয়নে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসসিসি কর্তৃক যে এসব পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারীকে অবহিত করা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি পুঁজিবাজারের বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন এবং বাজারের টেকসই উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।