রাজধানীতে ৭ দিনব্যাপী এসএমই বৈশাখী মেলা শুরু

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রচার ও বিকাশে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ৭ দিনব্যাপী ‘এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে মেলার উদ্বোধন করেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মেলা চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ও শিল্পসচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সামিম আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এসএমই খাত। এ খাতের বিকাশে সরকারের সহায়তা আরও বাড়ানো হবে। তিনি জানান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচির তহবিল বর্তমান ৩০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মেলায় ১৫০টিরও বেশি স্টলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছেন। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে হস্ত ও কারুশিল্প, পাটজাত দ্রব্য, তৈরি পোশাক ও ফ্যাশন সামগ্রী, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ পণ্য, প্রস্তুত খাবার ও স্ট্রিট ফুড, কৃত্রিম গয়না, চামড়াজাত পণ্য এবং বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্য।

আয়োজকরা জানান, বাংলা নববর্ষকে ঘিরে পরিবার ও দর্শনার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করাই এ মেলার লক্ষ্য। এটি শুধু কেনাকাটার আয়োজন নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ উৎসব।

মেলায় প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হবে। প্রতিদিন থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন। উদ্বোধনী দিন ১২ এপ্রিল মনিপুরি নৃত্য ও গম্ভীরা গান পরিবেশিত হয়। ১৩ এপ্রিল শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা এবং কুদ্দুস বয়াতির গান থাকছে। পহেলা বৈশাখে থাকছে সোহান আলী, ওশান মিউজিক ক্রু, নৃত্যছায়া ও বাউল সংগীতের পরিবেশনা।

এছাড়া মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নাগরদোলা, ফেস পেইন্টিং, টিয়া পাখির মাধ্যমে ভাগ্য গণনা, বানর খেলা, কিডস জোন, বেলুন শুটিং, রণপা, লোকজ নৃত্য, লাইভ টি-শার্ট পেইন্টিং এবং ঢাক-ঢোলের পরিবেশনা। টোকাই গ্রুপের লাইভ স্ট্রিট পারফরম্যান্সও মেলার একটি বিশেষ আকর্ষণ।

খাদ্যপ্রেমীদের জন্য রাখা হয়েছে ‘টেস্ট অব বাংলাদেশ’ কর্নার, যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। এতে অংশ নিচ্ছে দেশের আটটি জেলার খাবারের স্টল।

মেলায় প্রবেশের জন্য সাধারণ টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। এছাড়া ৭ দিনের জন্য এক্সপ্রেস টিকিট রাখা হয়েছে ২০০ টাকা, যার সঙ্গে পার্কিং সুবিধা রয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৯ শতাংশই কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতভুক্ত। শিল্প খাতে মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ এ খাতে, যেখানে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মরত।

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২১ লাখ উদ্যোক্তা উপকৃত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশই নারী।




চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজিবাহী দুই জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি বোঝাই দুটি জাহাজ পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি এলএনজি ও এলপিজিবাহী জাহাজ পর্যায়ক্রমে দেশে আসছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ডিএল লিলি এবং ভারত থেকে গ্যাস ক্যারেজ জাহাজ দুটি বন্দরে পৌঁছেছে।

তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে কংটং জাহাজ আসার কথা রয়েছে। সোমবার মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে পল জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে। এছাড়া আগামী ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে দেশে পৌঁছাবে মারান গ্যাস হাইড্রা এবং ১৮ এপ্রিল আসবে এলএনজিবাহী লবিটো।

এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাসের মিশ্রণ, যা সিলিন্ডারে ভরে বাসাবাড়ি ও রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজে এবং যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বহনযোগ্য হওয়ায় পাইপলাইন বিহীন এলাকায় গৃহস্থালি ও ক্ষুদ্র শিল্পের তাপ উৎপাদনে প্রধান ভরসা।

অন্যদিকে এলএনজি হলো অতিশীতল প্রাকৃতিক গ্যাস যা মূলত বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বড় বড় শিল্প কারখানায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সার কারখানা, টেক্সটাইল ও সিরামিকের মতো ভারী শিল্পে উচ্চ তাপ নিশ্চিত করতে পাইপলাইনের মাধ্যমে এটি সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সমুদ্রগামী জাহাজ ও দূরপাল্লার ভারী ট্রাকের জ্বালানি হিসেবেও এলএনজির ব্যবহার হয়।




বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জার্মানি-সুইডেন

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জার্মানি ও সুইডেন। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক এই আগ্রহের কথা জানান।

সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইউরোপ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের একটি প্রধান গন্তব্য। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশই লাভবান হতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু নন-ট্যারিফ বাধা রয়েছে, যা দূর করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।

এসময় তিনি জার্মানিকে বাংলাদেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ও লেদার খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ নতুন কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তিনি বাজারমুখী খাতে দক্ষতা উন্নয়ন (স্কিল ডেভেলপমেন্ট) এবং সম্ভাবনাময় বাজার উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যে একটি সমান প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) প্রত্যাশা করেন।

এরপর বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। তিনি জানান, সুইডেনের সঙ্গে নন-ট্যারিফ বাধা অপসারণে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, টেলিকম খাতে সুইডেন বিশ্বে অগ্রণী দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ খাতে তাদের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে। তিনি বাংলাদেশের টেলিকম খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিম খান বৈঠকগুলোতে উপস্থিত ছিলেন।




মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার দ্রুত খুলতে কাজ করছে সরকার

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় চালু করতে সরকার জোর তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা চাই স্বল্প খরচে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যেন আমাদের মানুষ যেতে পারেন। মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছি এই প্রক্রিয়াটাকে সিন্ডিকেটমুক্ত করার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন সেটি যেন করে।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আন্তরিক, তেমনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

শ্রমিক পাঠানো কবে শুরু হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এটি উন্মোচনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

মামলা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

‘বাংলাদেশে এখন যে গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে, আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। বিচার বিভাগ তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা অপরাধী, যারা দুর্নীতি বা অপকর্মে যুক্ত, তারা আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি পাবে। একইভাবে যারা নির্দোষ, তারাও সুবিচার পাবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’ বলেন তিনি।

‘ক্রেডিবল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি’ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, এটি কোনো নতুন সিন্ডিকেট তৈরির উদ্যোগ নয়। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, মালয়েশিয়ার সব সেন্ডিং কান্ট্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাদের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড রয়েছে, সেই অনুযায়ী তারা এজেন্সি নির্বাচন করে।

বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমরা ক্রেডিবল বা কোয়ালিফাইড বলতে তাদেরই বোঝাবো, যারা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রিক্রুটমেন্ট পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে আমরা ধীরে ধীরে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনতে চাই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বেশি সংখ্যক মানুষ বিদেশে যেতে পারবে, অভিবাসন ব্যয় কমবে এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছি।




ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে বাড়ল ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন নির্ধারিত দাম ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা। যার পূর্বনির্ধারিত মূল্য ৭০ টাকা ১০ পয়সা।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বিকালে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন দাম আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর হচ্ছে।

এর আগে ফার্নেস অয়েলের দাম বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নির্ধারণ করত। তবে অন্তর্বর্তী সরকার সেই ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেয়ার পর গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস অয়েলের দাম ঘোষণা করে। আজ দ্বিতীয়বারের মতো দাম সমন্বয় করা হলো।

সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম সবশেষ নির্ধারণ করা হয় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিইআরসির কাছে দাম নির্ধারণের প্রস্তাব করে বিপিসি। এরপর চারটি জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিও প্রস্তাব পাঠায় বিইআরসিতে। এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।

বিপিসির অধীন থাকা জ্বালানি তেল বিপণন করা সরকারি চার কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে। এ তেলের প্রধান ক্রেতা সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।




মালয়েশিয়া থেকে আসছে ৬০ হাজার টন ডিজেল

মালয়েশিয়া থেকে ৭ কোটি লিটার ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ আসছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ও রাতে ৩ ঘণ্টা বিরতিতে ‍‘এমটি টর্ম দামিনি’ এবং ‘এমটি লুসিয়া সোলিস’ নামের জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

বিপিসির এক উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিপিসির নিয়মিত সরবরাহকারী ইউনিপেক (সিঙ্গাপুর) পিটিই লিমিটেড চায়না এবং পিটি বুমি সিয়াক পুসাকু (বিএসপি)-জাপিন ইন্দোনেশিয়া ডিজেলগুলো সরবরাহ দিচ্ছে।

জানা গেছে, ডেনমার্কের পতাকাবাহী ট্যাংকার জাহাজ এমটি টর্ম দামিনি মালয়েশিয়ার জোহর বন্দর এবং ইন্দোনেশিয়ান পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস মালয়েশিয়ার তানজুং পেলেপাস বন্দর থেকে গত ৯ এপ্রিল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। জাহাজ দুটি ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। জাহাজ দুটিতে ৩০ হাজার টন করে ৬০ হাজার টন ডিজেল থাকবে। যা লিটারে প্রায় ৭ কোটি ১১ লাখ লিটার।