সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ২

রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রেশমা আক্তার (২০) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী রয়েছেন। তিনি বরিশালের শশীপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহত অন্য ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত দুজনকে উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে পাঠিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুজনের সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন। এরমধ্যে আহত নারীর অবস্থা বেশ গুরুতর বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় কেউ মারা গেছে কি না—জানতে চাইলে সদরঘাট নৌ পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, দুই লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুজন আহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এখনো মারা যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে, দুর্ঘটনার পর সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে আসে।

সদরঘাট পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টার্মিনালে অবস্থান করা একটি লঞ্চে যাত্রী তোলা হচ্ছিল। এসময় পেছন থেকে আরেকটি লঞ্চ এসে ধাক্কা দিলে দুই লঞ্চের মাঝে পড়ে গুরুতর আহত হন দুজন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সদরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী সজীব আহমেদ জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, আহতদের একজন অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সে করে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা চিকিৎসাধীন আছেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং লঞ্চ দুটির চালক বা সংশ্লিষ্টদের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




সদরঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড়

ভোর থেকেই রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। ঈদের ছুটি শুরু হতেই দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ফেরার জন্য যাত্রীরা আগেভাগে ঘাটে চলে আসছেন। প্রতিটি লঞ্চ যাত্রীতে পরিপূর্ণ হয়ে ছেড়ে যাচ্ছে, তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কঠোর নজরদারিতে রেখেছে যেন কোনো লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে না ছাড়ে।

সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, দূরপাল্লার যাত্রীরা পরিবার নিয়ে অনেক আগেই ঘাটে পৌঁছে গেছেন। কেউ টিকিট কাটছেন, কেউ মালপত্র গুছিয়ে লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছেন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যাত্রীর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশেষ করে বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা আসন নিশ্চিত করতে ভিড় জমিয়েছেন। পাশাপাশি মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুরের মতো স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরাও নির্ধারিত লঞ্চ ধরে রওনা দিচ্ছেন।

ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। যাত্রী ওঠানামা, টিকিট সংগ্রহ ও মালামাল বহনে কোনো বিশৃঙ্খলা যেন না হয়, সেজন্য বিভিন্ন স্থানে নজরদারি চলছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সকাল থেকে চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নতুন সরকারের আমলে যাত্রীসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বিআইডব্লিউটিএ। সদরঘাটকে আরও সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি চালু করা হয়েছে একগুচ্ছ নতুন সুবিধা। ঈদের আগে পাঁচ দিন ও পরে পাঁচ দিন মোট ১০ দিনের জন্য যাত্রীদের জন্য ফ্রি কুলি (পোর্টার) সেবা দেওয়া হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ নিজস্ব অর্থায়নে কুলিদের মজুরি দিয়ে নিয়োগ করায় যাত্রীরা কোনো হয়রানির শিকার হচ্ছেন না।

মালামাল বহনে সুবিধার জন্য বিমানবন্দর থেকে আনা হয়েছে ১০০টি ট্রলি, যা যাত্রীরা নিজেরাই ব্যবহার করতে পারবেন। অসুস্থ, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য হুইলচেয়ারের সংখ্যা বাড়িয়ে ২০টি গেটে মোট ৪০টি রাখা হয়েছে। ক্যাডেট সদস্যরা এতে সহায়তা করছেন। এছাড়া চাপ সামলাতে অতিরিক্ত দুটি ঘাট চালু করা হয়েছে।
লঞ্চ মালিকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদ উপলক্ষে ভাড়া ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত স্বস্তি যোগ করেছে।

বিআইডব্লিউটিএর বন্দর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, নতুন সরকারের সময়ে যাত্রীদের কল্যাণে আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। আগে উপরের অংশ পরিষ্কার থাকলেও ভেতরটা তেমন ভালো ছিল না। এবার পুরো এলাকায় পরিবর্তন এনেছি। সরেজমিনে এলে বোঝা যাবে সদরঘাট এখন অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্ন।




ঈদের আগেই প্রায় সব পোশাক কারখানায় বেতন-বোনাস পরিশোধ

ঈদের আগেই প্রায় সব পোশাক কারখানায় ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

‘আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পোশাক শিল্পের শ্রমিক ভাইবোনদের বেতন-ভাতা পরিশোধের সর্বশেষ পরিস্থিতি’ নিয়ে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ সভাপতি জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে ৯৯.৯১ শতাংশ কারখানা। অবশিষ্ট দুটি কারখানার বেতন প্রদান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঈদ বোনাস প্রদান সম্পন্ন করেছে ৯৯.৮১ শতাংশ কারখানা। অবশিষ্ট চারটি কারখানার ঈদ বোনাস প্রদান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকলেও ৬৪ দশমিক ০৩ শতাংশ কারখানা মার্চ মাসের আংশিক বেতন অগ্রিম প্রদান করেছে।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, মহাসড়কে চাপ কমাতে এলাকাভিত্তিক ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ১৭ মার্চ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কারখানায় ছুটি হয়েছে। আজ ও আগামীকালের মধ্যে বাকি কারখানাগুলো ছুটি দেবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বর্তমান সময়টিতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি – এই তিনটি বড় চাপ একযোগে আমাদের শিল্পকে প্রভাবিত করছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে আমাদের রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে কাঁচামাল আমদানির জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার হার ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ কমেছে এবং পোশাকের গড় ইউনিট মূল্য ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, পরিবহন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা বিশ্ববাণিজ্যে নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে, যার প্রভাব আমাদের মতো রপ্তানিনির্ভর শিল্পের ওপর সরাসরি পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জও কম নয়। গত ৫ বছরে গ্যাসের দাম ২৮৬ শতাংশ এবং বিদ্যুতের দাম ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ এখনও নিশ্চিত নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উচ্চ সুদহার, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং চলতি মূলধনের ঘাটতি।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিজিএমইএর সদস্যরা বরাবরই শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি দায়বদ্ধ। আর তাই, ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও এবং অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে তহবিল সংগ্রহ করে উদ্যোক্তারা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছেন। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী কিছু সংখ্যক কারখানায় বড় ধরনের আর্থিক সংকট ছিল। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে মালিক, ব্যাংক এবং শ্রমিক ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সেই কারখানাগুলোর বেতন-ভাতা পরিশোধ নিশ্চিত করেছি। আজ অত্যন্ত স্বস্তির সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের জানামতে বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত এমন কোনো কারখানা নেই, যেখানে শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন নিয়ে অমীমাংসিত কোনো সমস্যা রয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আমরা অত্যন্ত গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি বর্তমান ব্যবসাবান্ধব ও শ্রমিকবান্ধব সরকারের বিশেষ নির্দেশনার কথা। সরকারের সময়োচিত হস্তক্ষেপে শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রদান এবং দ্রুততম সময়ে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড় করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো আমাদের উদ্যোক্তাদের তীব্র তারল্য সংকট লাঘবে এবং শিল্পের চাকা সচল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ধন্যবাদ জানান।

সবশেষে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, প্রতি বছর ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় আমরা সড়ক দুর্ঘটনায় বহু প্রাণহানির ঘটনা দেখি। আমরা পরিবহন চালকদের প্রতি উদাত্ত্ব আহ্বান জানাই, সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালান, যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ, – মহাসড়কে নজরদারি আরও জোরদার করা হোক, যাতে কোনো পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে।




বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় খোলা থাকবে ব্যাংক

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরের দিন ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের নির্ধারিত ছুটি। সাধারণ ছুটির কারণে এই সময়ে ব্যাংক বন্ধ থাকার কথা থাকলেও পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাসসহ অন্যান্য ভাতা পরিশোধ এবং রপ্তানি বিল বিক্রয়ের সুবিধার্থে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৮ ও ১৯ মার্চ পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যাংক শাখাগুলো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ওই দুই দিন সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন চলবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ সাইট সুপারভিশন থেকে গত ১০ মার্চ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জা‌রি করে।

নির্দেশনায় বলা হয়, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে তৈরি পােশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা ও রপ্তানি বিল ক্রয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ঈদের আগের সরকারি ছুটির দিন ১৮ ও ১৯ মার্চ সীমিত পরিসরে খােলা থাকবে। ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরিপােশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ছুটির দিন সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা থাকবে।

 

ছুটির দিন ব্যাংক লেনদেন সূচি—

সকাল ১০টা থে‌কে দুপুর ১টা পর্যন্ত লেন‌দেন হ‌বে আর অ‌ফিস চল‌বে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর ম‌ধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মি‌নিট থে‌কে দেড়টা পর্যন্ত যোহরের নামাজের বিরতি থাক‌বে। ছুটির মধ্যে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন তাদের বিধি মোতাবেক ভাতা দিতে ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।