কক্সবাজারে সন্ধানী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন

সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সম্মেলন ২০২৬ সম্প্রতি কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিমাই কুমার সাহার সভাপতিত্বে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কর্মকর্তা ও উন্নয়ন কর্মীরা অংশ নেন।

সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম ফাতেমা তাহেরা খানম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান মজিবুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পরিচালক শাফাফ রহমান সাদ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক কর্ণেল (অবসরপ্রাপ্ত) ওয়েস হুদা, পরিচালক শাহেদুজ্জামান চৌধুরী (এফসিএ), অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ ইদ্রিস মিয়া তালুকদার এবং সন্ধানী লাইফ হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্ণেল (অবসরপ্রাপ্ত) সালেহ আহমেদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 




ব্র্যাক ব্যাংকের চলতি-সঞ্চয়ী হিসাবে আমানত বেড়েছে ২১০০ কোটি টাকা

ব্র্যাক ব্যাংক ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে চলতি হিসাব ও সঞ্চয়ী হিসাব (সিএএসএ) খাতে দুই হাজার ১০০ কোটি টাকার নিট আমানত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

ব্যাংকটির ইতিহাসে এ খাতে এটি অন্যতম শক্তিশালী পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রাহকদের ধারাবাহিক আস্থা, সম্পর্কভিত্তিক ব্যাংকিং এবং একটি স্থিতিশীল ও বৈচিত্র্যময় তহবিল কাঠামো গড়ে তোলার কৌশলের ফলেই এ প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। দেশজুড়ে বিস্তৃত ৩১০টি শাখা ও উপ-শাখার নেটওয়ার্ক এবং নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাও এ সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এই সিএএসএ আমানত প্রবাহের ফলে স্বল্প খরচের তহবিল সংগ্রহে ব্যাংকের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এর মাধ্যমে শিল্পায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এ সাফল্য উদ্‌যাপন উপলক্ষে সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক প্রধান শেখ মোহাম্মদ আশফাক এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিং প্রধান মো. মাহানীয়ুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জোনাল হেড (নর্থ) এ কে এম তারেক, সিনিয়র জোনাল হেড (সাউথ) তাহের হাসান আল মামুনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের রিজিওনাল, ক্লাস্টার ও শাখা ব্যবস্থাপকরা।

অনুষ্ঠানে সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, শক্তিশালী সিএএসএ প্রবৃদ্ধি একটি স্থিতিশীল ব্যালান্স শিট গঠনের অন্যতম ভিত্তি। এই অর্জন গ্রাহকদের আস্থা এবং ব্যাংকের টিমের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে তহবিল ভিত্তি আরও শক্তিশালী করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংক আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে চায়।

তিনি আরও বলেন, ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক টিমের পেশাদারিত্ব, গ্রাহককেন্দ্রিকতা ও সেবার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টাই এ সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।

 




পদত্যাগ করলেন সাধারণ বীমা করপোরেশনের চেয়ারম্যান

সাধারণ বীমা করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী পদত্যাগ করেছেন।

সোমবার (২ মার্চ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। ঢাকা পোস্টকে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ব্যক্তিগত কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

এর আগে সোমবার সকালে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান আসলাম আলমও পদত্যাগপত্র জমা দেন।




আইডিআরএর চেয়ারম্যান আসলাম আলমের পদত্যাগ

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম আসলাম আলম পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সোমবার (২ মার্চ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে তিনি পদত্যাগের কথা জানান।চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত কারণে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।




জেনিথ ইসলামী লাইফের প্রিমিয়াম আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি, দাবি পরিশোধ প্রায় শতভাগ

২০২৫ সালের ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে শরীয়াহভিত্তিক জীবন বিমা কোম্পানি জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসি। আলোচিত হিসাব বছরে কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় বৃদ্ধি, নতুন ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং জীবন বিমা তহবিলে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফের ৪৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা প্রিমিয়াম আয় করেছে। যেখানে ২০২৪ সালে এই আয় হয়েছিল ৩৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কোম্পানির প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

এদিকে ২০২৫ সালে কোম্পানিটি ২৪ কোটি ১০ লাখ টাকা নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭৮ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।

কোম্পানিটি ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের ক্ষেত্রে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০২৫ সালে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের হার শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানিটির মোট ব্যবস্থাপনা ব্যয় ছিল ৩২ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা গ্রাহকের বিমা দাবি পরিশোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০২৫ সালে কোম্পানিটি উত্থাপিত মোট বিমা দাবির ৯৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ পরিশোধ করেছে। আলোচ্য বছরে বিমা কোম্পানিটিতে মোট উত্থাপিত দাবির পরিমাণ ৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর মধ্যে কোম্পানিটি পরিশোধ করেছে ৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বিমা দাবি।

এর আগে ২০২৪ সালে কোম্পানিটির দাবি পরিশোধের হার ছিল ৯৮.১৩ শতাংশ। এক্ষেত্রে কোম্পানিটির বিমা দাবি পরিশোধের হার ২০২৫ সালে ১.৪১ শতাংশ বেড়েছে।

২০২৫ হিসাব বছর শেষে কোম্পানির জীবন বিমা তহবিলেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আলোচিত হিসাব বছরে কোম্পানির জীবন বিমা তহবিলে ৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা যুক্ত হয়েছে। চলতি বছরে জীবন বিমা তহবিল বৃদ্ধির হার ২৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ।




ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী, কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে ‘এএ+’। আর স্বল্প মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে ‘এসটি-১’।

কোম্পানিটির ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা ১১ ডিসেম্বর

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১১ ডিসেম্বর এ এজিএম হবে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ নভেম্বর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের গত ৭ ডিসেম্বরের আদেশ (কোম্পানি ম্যাটার নং ১১০৭ অব ২০২৫) অনুসরণ করে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় এজিএমের তারিখ নির্ধারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ইসলামী ব্যাংকের ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ১১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে করা হবে।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সমাপ্ত হিসাববছরের কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৬৮ টাকা। আগের হিসাববছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৩.৯৫ টাকা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৪.৩৬ টাকা।




সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.৫০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্যমতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ডিসেম্বর।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৩ টাকা। আগের হিসাব বছরে একই সময়ে কোম্পানিটির ছিল ১.৪৯ টাকা।

এদিকে, সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৭.৩৭ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির এনওসিএফপিএস ছিল ২০.১৬ টাকা।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৯.৬৪ টাকায়।

এই করপোরেট ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের কোনো মূল্যসীমা থাকবে না।




সন্ধানী লাইফের খুলনা জোনাল সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত

সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বর্ষ সমাপনী-২০২৫ সফল করার লক্ষ্যে খুলনা জোনাল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিমাই কুমার সাহা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ¦ ইদ্রিস মিয়া তালুকদার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জোনের প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন জুলু এসভিপি (উ:)।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জিএম (উ:), ডিজিএম (উ:), এজিএম (উ:)-সহ খুলনা জোনের সফল উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।




যমুনা লাইফের ভারপ্রাপ্ত সিইও হলেন অজিত চন্দ্র আইচ

চতুর্থ প্রজন্মের বীমা কোম্পানি যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বীমা খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব অজিত চন্দ্র আইচ। তিনি গত ২৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় কোম্পানির সাফল্যের ধারাবাহিকতা, ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে।

অজিত চন্দ্র আইচ এর আগে দেশের চতুর্থ প্রজন্মের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতিষ্ঠাকালীন সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন (২০১৩–২০২০)। তার নেতৃত্বেই সোনালী লাইফ মাত্র ছয় বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। পরবর্তীতে তিনি প্রোগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিইও হিসেবে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন সফলতার সঙ্গে।

বীমা খাতে দীর্ঘ চার দশকের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই বীমা বিশেষজ্ঞ ১৯৮৫ সালে জীবন বীমা কর্পোরেশনে উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ন্যাশনাল লাইফ, *সন্ধানী লাইফ, সোনালী লাইফ ও প্রোগ্রেসিভ লাইফে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। বীমা শিল্পে তার অবদান, সংগঠন গঠন ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের জন্য তিনি একাধিক জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হন।

ভারপ্রাপ্ত সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অজিত চন্দ্র আইচ বলেন, পরিচালনা পর্ষদ যমুনা লাইফের বৃহত্তর স্বার্থে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। দক্ষ কর্মীবাহিনীকে কাজে লাগিয়ে, বীমা আইন ও আইডিআরএ’র নির্দেশনা মেনে কোম্পানিকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।”

তিনি আরও জানান, যমুনা লাইফে শতভাগ ডিজিটাল সেবা (ইআরপি) চালুর মাধ্যমে সারাদেশে নতুন সংগঠন গড়ে তোলা, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন তার মূল লক্ষ্য।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক অজিত চন্দ্র আইচ বর্তমানে দেশের বীমা শিল্পের পরিচিত নাম।




কৃষকদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় গার্ডিয়ান ও এগ্রিভেঞ্চারের চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশের কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও অ্যাগ্রোফিনটেক স্টার্টআপ এগ্রিভেঞ্চার লিমিটেড যৌথভাবে কৃষকদের জন্য ‘ক্রেডিট শিল্ড ইন্স্যুরেন্স’ সেবা চালু করেছে। এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এগ্রিভেঞ্চারের অর্থায়নে গার্ডিয়ান এখন থেকে কৃষকদের বিমা সুরক্ষা দিবে। এর ফলে, কোন অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের সময়েও কৃষকদের অতিরিক্ত ঋণের ভার বহন করতে হবে না।

যাদের পরিশ্রমে দেশের খাদ্য সরবরাহ টিকে থাকে, তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করাই এই যৌথ উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। পাশাপাশি, কৃষির সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ও আর্থিক সুরক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষিভিত্তিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠান দু’টির।

নতুন এ চুক্তি সম্পর্কে শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন সবার জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড স্বরূপ। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তাই, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, তাদের পরিশ্রম যেন বৃথা না হয়, সেই সাথে ভবিষ্যৎও যেন নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকে।”

অন্যদিকে, এগ্রিভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাবিব রিদওয়ান বলেন, “প্রযুক্তিই শক্তির মূল উৎস। ডিজিটাল উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল এবং শক্তিশালী করে তুলতে পারি। কৃষকদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে আর্থিক অনিশ্চয়তা, আর গার্ডিয়ানের সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব এই অনিশ্চয়তা দূর করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।”

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এগ্রিভেঞ্চারের পক্ষ থেকে এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান আমিরুল মোস্তফা আরেফিন, পিপল গ্রোথ স্ট্রাটেজির ব্যবস্থাপক অভিজিৎ ঘোষ,  সিনিয়র ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল গ্রোথের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নাফিজাকানিজ ইরিন।

গার্ডিয়ান এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ইভিপি ও হেড অব মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল এবং এডিসি আব্দুল হালিম, এসএভিপি আসিফ বিন মুজিব, ভিপি নওশাদুল করিম চৌধুরী, এভিপি তানিম বুলবুল এবং বিজনেস রিলেশনশিপ ম্যানেজার শারমিন আক্তার শাওন ও অন্তরা ভট্টাচার্য।

গার্ডিয়ান তাদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে গতানুগতিক কৃষি ও আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে, এর ফলে, যারা পুরো দেশের জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে তারা এখন থেকে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেদের জীবিকা সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।




বিতর্কিত অজিতকে সিইও নিয়োগ দিচ্ছে যমুনা লাইফ!

বীমা খাতের একের পর এক প্রতিষ্ঠানে আইন লংঘন, অনিয়ম-দুর্নীতি, জালিয়াতি, দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থেকে এক ভয়াবহ বিতর্কিত চরিত্রে পরিণত হয়েছেন অজিত চন্দ্র আইচ। আর সেই বিতর্কিত অজিতকেই সিইও নিয়োগ দিচ্ছে যমুনা লাইফ! এই নিয়োগের পেছনে রয়েছে যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দীর্ঘদিনের অনিয়ম-অপরাধ চলমান রাখার গভীর ষড়যন্ত্র। পরিচালনা পর্যদের একটি অংশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এর মতামতকে পাশ কাটিয়ে এই বিতর্কিত অজিতকে নিয়োগের নীল নকশা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি এর আগেও একাধীকবার বীমা আইন লঙ্ঘন করে আইডিআরএ’র দ্বারা জরিমানার সন্মুখিন হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ন্যাশনাল লাইফ, সন্ধানী, প্রগ্রেসিভ, থেকে শুরু করে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি—প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তার উপস্থিতিই যেন ছিল বিশৃঙ্খলার প্রতীক। তবুও আশ্চর্যের বিষয়, এতসব অনিয়ম ও অপরাধের পরেও তিনি এখন আবারও বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি আইডিআরএ।

সূত্র জানায়, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডে অজিত চন্দ্র আইচের মেয়াদকালে সংঘটিত হয় ৩৪৯.০৮ কোটি টাকার ভয়াবহ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) ইতোমধ্যে এই অনিয়মের বিস্তারিত অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন আকারে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নিকট প্রেরণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে—কোম্পানির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা আত্মসাৎ করেন। আত্মসাৎ চলাকালীন দীর্ঘ সময় সোনালীর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে অজিত চন্দ্র আইচ প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন।

অজিতের অপরাধের ইতিহাস কিন্তু নতুন নয়। ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সে আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগে গভীর রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে মতিঝিল থানায় নিয়ে যায়—এমন ঘটনাও রেকর্ডে আছে।

এছাড়াও ২০২০ সালের দিকে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সে যোগদান করেন তিনি, কিন্তু কর্মজীবনে ব্যর্থতার কারণে দীর্ঘদিন ছুটিতে থেকে কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। তার এই অদক্ষতা ও নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কোম্পানির ভেতরে গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে প্রোগ্রেসিভে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি সাধন করে। প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, প্রগ্রেসিভ লাইফের পতনের জন্য অজিতের দুর্বল নেতৃত্ব ও দায়িত্বহীনতাই মূলত দায়ী।

এর আগে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে থাকাকালীন একই ধরণের অনিয়ম ও জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে অজিত চন্দ্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে তিনি প্রতিষ্ঠানের প্যাড ব্যবহার করে নিজস্ব স্বাক্ষরে বিভিন্ন অনুমোদন ও আর্থিক সুবিধা প্রদান করেছেন, যা অফিসের নিয়ম-বিধির চরম লঙ্ঘন। ভুয়া ছাড়পত্র, যোগ্যতা না থাকা কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার এবং প্রশাসনিক কারচুপিসহ নানা দুর্নীতির চিত্র পাওয়া গেছে তার সময়কালে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে তিনি কেবল নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন না- বীমা খাতকেও করেছেন গভীরভাবে কলুষিত।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী ছিলেন অজিত চন্দ্র আইচ। তাঁর সময়ে কোম্পানির বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়, যা বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে আত্মসাৎ করে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। প্রতিটি লেনদেনেই মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে অজিতের অনুমোদন বা সহযোগিতা ছিল।

তদন্তকারী সংস্থা বলছে, পরিচালনা পর্ষদ এককভাবে এত বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করতে পারত না যদি মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সহযোগিতা না করতেন। ফলে অজিত চন্দ্র আইচ এই অর্থ আত্মসাতের দায় থেকে অব্যাহতি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বীমা আইনের ৫০(১) ধারা অনুযায়ী গ্রাহক স্বার্থ ক্ষুন্ন করার দায়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও, বিস্ময়করভাবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং তাকে বীমা কোম্পানির সিইও “পুলে” অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়েও গভীর প্রশ্ন তুলেছে।

বীমা খাতের অনেকেই বলছেন, যে খাতে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা ছিল, সেখানে অজিত চন্দ্র আইচের মতো কর্মকর্তাদের অপরাধ-অনিয়ম বীমা শিল্পের প্রতি জনআস্থা ধ্বংস করছে। তার মতো অপরাধীদের যদি বারবার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে পুরো খাতই ধ্বংসের পথে যাবে। এখন প্রয়োজন—অজিত চন্দ্র আইচসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা তার পদমর্যাদা ব্যবহার করে এমন অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে না পারে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য অজিত চন্দ্র আইচের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও, তিনি কলটি ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, অতীত থেকেই আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অব্যবস্থাপনা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। কোম্পানির একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, ভ্যাট ও ট্যাক্স ফাঁকি, ভুয়া বিল তৈরি এবং ঘুষ-বাণিজ্যের মাধ্যমে কোম্পানিকে দেউলিয়া অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, সরকারি কোষাগারে ভ্যাট ও ট্যাক্স জমা না দেওয়ায় অডিটে দুই কোটি টাকা জরিমানা হয়, যার মধ্যে ঘুষের নামে এক কোটি টাকা তোলা হয়। কোম্পানির বিভিন্ন ক্যাশ অফিস থেকেও কোটি কোটি টাকা তুলে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন সিন্ডিকেটের সদস্যরা। চট্টগ্রামে এফডিআর কেলেংকারীরও অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

এছাড়া গ্রুপ বিমা, বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি, পরিবহন খরচ, বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা খাতে ভুয়া বিল ও অতিরিক্ত ব্যয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। এর ফলে কোম্পানির লাইফ ফান্ড নেমে এসেছে ঋণাত্মক অবস্থায়, প্রিমিয়াম আদায় কমে গেছে, নবায়ন হার কমে দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশে, আর সম্পদও ক্রমাগত কমছে।

আইডিআরএ’র তদন্তে দেখা যায়, যমুনা লাইফ ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা খাতে আইন লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত ব্যয় করেছে ১৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা, যার ফলে ২০২১ সালে লাইফ ফান্ড ঋণাত্মক ৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে কোম্পানিটি বিমা গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে ব্যর্থ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

তদন্ত প্রতিবেদনে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়, পলিসি তামাদি, নবায়ন প্রিমিয়াম কমে যাওয়া, সম্পদ বিনিয়োগে অনিয়মসহ নানা অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, কমিশন ব্যয় হ্রাস ও বিশেষ নিরীক্ষার সুপারিশ করা হয়েছে। কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি নাজুক হয়ে পড়ায় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় আইডিআরএকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে খাত সংশ্লিষ্টরা।




ফারইস্ট লাইফের আত্মসাতকৃত টাকা উদ্ধার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অর্থ আত্মসাতে দুদক মামলায় গ্রেফতার হওয়া সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সুষ্ঠু বিচার ও আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন কোম্পানিটির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ভুক্তভোগী বীমা গ্রাহকরা।

একইসঙ্গে আত্মসাতকারীদের দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে কোম্পানিকে ফেরত এবং আত্মসাতে সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবিও জানান তারা।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এসব দাবি জানান। কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আরো অংশ নেন কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আব্দুর রহিম ভুঁইয়া, চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিব (এসভিপি) শাহাদাত হোসেন রোমান, রিয়েল এস্টেট বিভাগের ইনচার্জ আজগর আলী, গণযোগাযোগ বিষয়ক ইনচার্জ প্রশান্ত সুবাশ চন্দ্রসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাঠকর্মী এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা।

উল্লেখ্য, জমি ক্রয় দেখিয়ে অর্থ আত্মাসাতের মামলায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন কমিশন। একইদিন তাকে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে হাজির করা হলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৩১ জুলাই কোম্পানিটির ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নজরুল ইসলামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। তবে এই মামলায় ফারইস্টের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও সাবেক পরিচালক এম এ খালেক ছাড়া অপর কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি। এমনকি মামলার আসামি ও তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্য এখনো কোম্পানিটির পর্ষদে বহাল রয়েছেন।

মানববন্ধনে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের মুখ্য নির্বাহী (ভারপ্রাপ্ত) কামরুল হাসান বলেন, আমরা আজ এখানে সমবেতন হয়েছি একটাই কারণে- আমাদের এই কোম্পানি থেকে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা লুণ্ঠণ হয়েছে। এই টাকাগুলো আমরা ফেরত চাই আমাদের ভুক্তভোগী গ্রাহকদের জন্য। এসব টাকা আমাদের গ্রাহকদের এবং এই টাকা তাদেরকে ফেরত দিতেই হবে।একইসঙ্গে আমরা এই ঘটনার সুবিচার চাই।

ফারইস্ট ইসলামী লাইফের এসভিপি শাহাদাত হোসেন রোমান বলেন, আমরা দোষীদের কাছ থেকে আত্মসাতকৃত টাকা দ্রুত ফেরত চাই। এই নজরুল-খালেকের জন্যই আমরা কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকরা আজ পথে বসেছি।

তিনি আরও বলেন, এতে শুধু গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, টাকা আত্মসাতের সাথে জড়িতদের জন্যই আজ ফারইস্ট ইসলামী লাইফও পথে বসেছে। এমনকি সময়মতো গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে না পারায় অন্য বীমা কোম্পানিগুলোর ওপর ভরসা করতে পারছে না গ্রাহকরা।

গণযোগাযোগ বিষয়ক ইনচার্জ প্রশান্ত সুবাশ চন্দ্র বলেন, আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে কোম্পানির আত্মসাতকৃত টাকা উদ্ধারসহ দোষীদের বিদেশে থাকা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দিতে হবে। এর জন্য দেশের প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের নামে রাজধানীর ৩৬ তোপখানায় ২০৭ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার টাকার জমি ক্রয় দেখিয়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ৪৫ কোটি টাকা আত্মাসাৎ করে। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম আত্মসাৎ করেন ১০ কোটি ও তার স্ত্রী এবং ফারইস্ট লাইফের সাবেক পরিচালক তাসলিমা ইসলাম আত্মসাৎ করে সাড়ে ৯ কোটি। জমি ক্রয় ও অর্থ আত্মসাতের এ ঘটনা ঘটে ২০১৫ সালে।

মামলার আসামিদের মধ্যে পরিচালক নাজনিন হোসেন এখনো পরিচালনা পর্ষদে আছেন। মামলার অপর আসামি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. মো. মনোয়ার হোসেনের বড় ভাই ড. মোকাদ্দেস হোসেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফের ভাইস চেয়ারম্যান। এ ছাড়াও ড. মোকাদ্দেস হোসেনের আরেক ভাই মোজাম্মেল হোসেনও দুদকের অপর মামলার আসামি। ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পরিচালনা পর্ষদের নিরপেক্ষ পরিচালক হিসেবে আছেন মোবারক হোসেনের ভাই মামলার অপর আসামী আমানত শাহ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. হেলাল মিয়া।

মামলার অন্য আসমিরা হলেন- পিএফআই প্রোপার্টিজ ও নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক শাহরিয়ার খালেদ, গেটকো টেলিকমিউনিকেশন ও গেটকো এগ্রো ভিশনের চেয়ারম্যান কে এম খালেদ, প্রাইম ব্যাংক ও প্রাইম ফাউন্ডেশনের উদ্যোক্তা এবং ম্যাক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টি এম এ খালেক, টারটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ড. ইফফাৎ জাহান, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পরিচালক খন্দকার মোস্তাক মাহমুদ, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের শেয়ারহোল্ডার পরিচালক রাবেয়া বেগম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও আইডিআরএ’র সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ও পিএফআই সিকিউরিটিজের সাবেক এমডি কাজী ফরিদ উদ্দীন আহমেদ। কোম্পানিটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হেমায়েত উল্যাহ-কেও দুদকের মামলার আসামি করা হয়।




পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পরিচালনা পর্ষদ তৃতীয় প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৫) ও নয় মাসের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর, ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

‎এর আগে বুধবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

তথ্য মতে, কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৯৫ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৯৩ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ০.০২ টাকা বা ২.১৫ শতাংশ।

এদিকে, চলতি হিসাব বছরের নয় মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩.১৫ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৩.৫০ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ০.৩৫ টাকা বা ১০ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ১.০৯ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটি ঋণাত্মক এনওসিএফপিএস ছিল (৩.৮৯) টাকা।

‎২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৬.৭১ টাকায়।




তরুণদের বীমায় সম্পৃক্ত করতে আইডিআরএর গ্রাহক সেবা পক্ষ উদ্বোধন

“তারুণ্যের উৎসব-২০২৫” উদযাপনের লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) উদ্যোগে আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গ্রাহক সেবা পক্ষ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন আইডিআরএর চেয়ারম্যান ড. এম. আসলাম আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) সচিব নাজমা মোবারেক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বীমা খাতের আধুনিকায়ন, গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ এবং তরুণ প্রজন্মকে বীমা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

“তারুণ্যের উৎসব-২০২৫” উপলক্ষে দেশের সব জীবন ও নন–লাইফ বীমা কোম্পানিকে দুটি বিশেষ কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে আইডিআরএ। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ৯ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রথম কর্মসূচি অনুযায়ী, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়াতে বীমার গুরুত্ব তুলে ধরে ‘তরুণদের বীমা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি’ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। এতে তরুণদের মধ্যে বীমার প্রয়োজনীয়তা ও সুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হবে।

দ্বিতীয় কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, তরুণদের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষায় উপযোগী বীমা পরিকল্প উদ্ভাবন এবং তাদের আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘জুলাই বিপ্লবকে উপজীব্য করে তরুণদের জন্য নতুন বীমা পরিকল্প উদ্ভাবন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।




গার্ডিয়ান লাইফ শতভাগ ক্যাশলেস; লেনদেন হবে ডিজিটাল মাধ্যমে

গার্ডিয়ান লাইফ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকের সাথে সকল ধরনের নগদ লেনদেন চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। বর্তমানে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রিমিয়াম সংগ্রহ ও দাবি নিষ্পত্তি শতভাগ ক্যাশলেস পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। আর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে গার্ডিয়ান লাইফ নিজেদের দেশের প্রথম ও একমাত্র সম্পূর্ণ ক্যাশলেস ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

গার্ডিয়ানের প্রিমিয়াম শুধু মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে জমা করতে হয়। আর দাবি নিস্পত্তির ব্যাপার হলে সেটিও শুধুমাত্র ব্যাংকের মাধ্যমেই গ্রাহককে পরিশোধ করা হয়। এই ক্যাশলেস সেবা দেয়ার মাধ্যমে গ্রাহক, গার্ডিয়ান লাইফ এবং যে মাধ্যমে পেমেন্ট করা হয়েছে; অর্থাৎ লেনদেনের সাথে জড়িত সকল পক্ষই প্রতিটি লেনদেনের স্পষ্ট ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ করতে পারবে, যা পরবর্তীতে যেকোনো প্রয়োজনে আর্থিক লেনদেন শনাক্তকরণে সহায়তা করবে। 

এটা শুধু একটি প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে কোম্পানির উন্নয়ন নয়, এটি প্রকৃতপক্ষে গ্রাহকের আস্থার উন্নয়ন। সকল গ্রাহক আর্থিক কার্যক্রমে আরও বেশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানসিক শান্তি উপভোগ করতে পারেন। কারণ, তাদের অর্থ আর কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতার ভীড়ে হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

সুতরাং, এখন গ্রাহক চায়ের কাপ হাতে নিয়ে প্রিমিয়াম জমা দিতে পারবেন, নিজের ঘরে সোফায় বসে দাবি (ক্লেইম)-এর বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন এবং তাদের প্রতিটি লেনদেন শেষ হবে মাত্র কয়েক ক্লিকে।

গার্ডিয়ান লাইফ বিশ্বাস করে—২০২৫ সালে নগদ লেনদেন নয়, ডিজিটালই নতুন বাস্তবতা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গার্ডিয়ান আবারও প্রমাণ করলো, তারা শুধু সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে না, বরং দেশের বীমা খাতকে এগিয়ে নিচ্ছে এক নতুন যুগের পথে।




বর্ণাঢ্য আয়োজনে জেনিথ ইসলামী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫ বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দিনব্যাপী হোটেল সী প্যালেসের বলরুমে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)’র প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বিআইএফ’র জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল এস. এম. নুরুজ্জামান।

সারা দেশ থেকে আগত প্রায় ৮৫০ জন উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। দিনব্যাপী আয়োজনে বীমা খাতের উন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, গ্রাহকসেবা বৃদ্ধি এবং ইসলামী বীমার প্রসারে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা হয়।


“জেনিথ ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে ক্লেইম না পরিশোধের কোনো অভিযোগ নেই” — বিআইএ প্রেসিডেন্ট

বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ বলেন,

“জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে বীমা দাবির কোনো অভিযোগ নেই—এটি গ্রাহক আস্থা ও সুশাসনের প্রতিফলন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোথাও শুনিনি যে এই কোম্পানি কোনো ক্লেইম পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।”

তিনি বলেন, দেশের ৩৬টি বীমা কোম্পানির মধ্যে প্রায় ১০টি কোম্পানি বর্তমানে চরম দুরবস্থায় রয়েছে। এসব কোম্পানি প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার দাবি পরিশোধে ব্যর্থ। এসময় তিনি দুর্নীতিবাজ কোম্পানির পরিচালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন এবং বলেন,

“আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইডিআরএ’র সঙ্গে সমন্বয় করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

বীমা কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,

“প্রথম বর্ষের ব্যবসা ধরে রাখতে পারলে কোম্পানি টেকসই অগ্রগতি অর্জন করবে। গ্রাহক সেবার মান বজায় রাখাই সাফল্যের চাবিকাঠি।”


গ্রাহক দাবি পরিশোধ ও সম্মাননা প্রদান

সম্মেলনের বিকাল পর্বে একজন গ্রাহকের মৃত্যুদাবি ও তিনজনের মেয়াদোত্তীর্ণ দাবিসহ মোট ২২ লাখ ৩০ হাজার ৬০৫ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। মৃত্যুদাবির পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩০ টাকা, যেখানে ওই গ্রাহক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা প্রিমিয়াম প্রদান করেছিলেন।
চেক হস্তান্তর করেন বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ, কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান এ টি এম এনায়েত উল্লাহ ও বিআইএফ প্রেসিডেন্ট বিএম ইউসুফ আলী।


“বীমা মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মানবিক অঙ্গীকার” — বিএম ইউসুফ আলী

বিআইএফ প্রেসিডেন্ট বিএম ইউসুফ আলী বলেন,

“বীমা কেবল আর্থিক পণ্য নয়, এটি মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মানবিক অঙ্গীকার। জেনিথ অর্থ ‘শীর্ষ’, তাই এই কোম্পানি একদিন অবশ্যই দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানের সারিতে পৌঁছাবে।”

তিনি আরও বলেন,

“সিইও এস. এম. নুরুজ্জামান অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। তার নেতৃত্বে জেনিথ ইসলামী লাইফ অচিরেই বড় সাফল্য অর্জন করবে।”


প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও আর্থিক প্রবৃদ্ধি

সভাপতির বক্তব্যে সিইও এস. এম. নুরুজ্জামান বলেন,

“জেনিথ ইসলামী লাইফ একটি সম্পূর্ণ অনলাইন-ভিত্তিক আধুনিক প্রতিষ্ঠান। আমরা ইআরপি সফটওয়্যারের মাধ্যমে অফিস পরিচালনা করছি এবং কল সেন্টার, ই-রিসিপ্ট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রাহকসেবা আরও গতিশীল করেছি।”

তিনি জানান,

  • কোম্পানি এখন ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমু ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে দাবি আবেদন গ্রহণ করছে;

  • দেশের ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জীবন ও স্বাস্থ্যবীমা পরিচালিত হচ্ছে;

  • ২২টি ব্যাংকের সঙ্গে অনলাইন সংযোগে প্রিমিয়াম পরিশোধ সম্ভব;

  • বাংলা ভাষায় মোবাইল অ্যাপস ও বিকাশ-নগদ-পেমেন্ট সুবিধাও রয়েছে।

২০২৫ সালে কোম্পানির দাবি নিষ্পত্তির হার ৯৭.২৩%, প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম বৃদ্ধি ৭১.৮১%, নবায়ন প্রিমিয়াম ১১.৫০%, এবং গ্রুপ বীমা ২৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা ২৫ হাজারের বেশি


রঙিন র‍্যালিতে উদ্বোধন

দিনের শুরুতে বেলা ২টায় হোটেল সী প্যালেসের সামনে রঙিন র‌্যালির মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইমরানসহ কোম্পানির বিভিন্ন শাখা প্রধানরা।

সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. নুরুজ্জামান। তিনি বলেন,

“প্রতিদিন একটি নতুন পলিসি বিক্রি, একটি নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ, একটি নতুন এফএ নিয়োগ এবং সাপ্তাহিক সভায় অংশগ্রহণ—এই চার অভ্যাসই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।”




ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) হাইব্রিড প্লাটফর্মে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোম্পানির চেয়ারম্যানের সভাপত্বিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৫ সালের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

এছাড়াও আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন, পরিচালক পরিষদের প্রতিবেদন, স্থিতিপত্র, লাভ-লোকসান হিসাব ও অডিট প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ শেয়ারহোল্ডারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে অনুমোদিত হয়।

কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনসহ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সভায় অংশ নেন।

সভায় শেয়ারহোল্ডারের বিভিন্ন মাধ্যমে পাঠানো কোম্পানির আর্থিক বিবরনীর উপরে প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা।

শেয়ারহোল্ডারের সর্বোচ্চ ভোট প্রদানের মাধ্যমে কোম্পানির ২০২৪ সালের এজেন্ডা অনুমোদিত হয়। সভায় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কোম্পানির সমৃদ্ধি, ভবিষৎ পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনাসহ ব্যবসায়িক অবস্থান শেয়ারহোল্ডারের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী বিনিয়োগকারীরা প্রতিকূল পরিবেশেও ব্যবসা বৃদ্ধি এবং নগদ লভ্যাংশ প্রদানসহ কোম্পানির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামীতে নগদ লভ্যাংশের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যাশা করেন।

সভা পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।




নন লাইফে কমিশন শূন্যের প্রস্তাবে বিতর্ক, বিআইএ থেকে ফখরুল ইসলামের পদত্যাগ

নন লাইফ বীমা খাতে এজেন্ট কমিশন শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে বীমা কোম্পানিগুলোর মুখ্য নির্বাহীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)-এর আহ্বানে আয়োজিত এই বৈঠকে কমিশন বাতিল নিয়ে মতবিরোধের পাশাপাশি সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাও প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে সংগঠনটি “নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে” অভিযোগ তুলে বিআইএ নির্বাহী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অংশ নেন দেশের নন লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীরা। সভায় নন লাইফ বীমা খাতে এজেন্ট কমিশন বাতিলসহ সাত দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করে এ বিষয়ে সম্মতি থাকলে অংশগ্রহণকারীদের একশ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে আহ্বান জানান বিআইএ প্রেসিডেন্ট।

তবে এ প্রস্তাবে বেশিরভাগ মুখ্য নির্বাহী বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখান। তাঁরা বিষয়টিকে “বিব্রতকর ও বিআইএ’র সঙ্গে বেমানান” বলে মন্তব্য করেন। অনেক নির্বাহী প্রশ্ন তোলেন—বিআইএ’র আদৌ এমন অঙ্গীকার গ্রহণ বা লঙ্ঘনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার আছে কি না।

সভায় কেউ কেউ আইডিআরএ নির্ধারিত কমিশন বহাল রাখার পক্ষে মত দেন, আবার অনেকে কমিশন পুরোপুরি বাতিলের পক্ষে অবস্থান নেন। বিআইএ সূত্রে জানা যায়, সভায় উত্থাপিত সাত দফা অঙ্গীকারনামায় বীমা খাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও শূন্য কমিশন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বিআইএ নেতারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি না হলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংগঠনের একাধিক নেতা জানান, উদ্যোগটি নন লাইফ বীমা খাতের স্বচ্ছতার জন্য নেওয়া হয়েছিল। তবে কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি এসেছে, যা সংশোধন করে পরে পুনরায় উপস্থাপন করা হবে।

অন্যদিকে, অনেক মুখ্য নির্বাহী বলেন—“কোনো সিইও পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি ছাড়া স্ট্যাম্পে পাবলিক অঙ্গীকারে সই করতে পারেন না।” তাঁরা মনে করেন, বিআইএ’র এই কৌশল যথাযথ হয়নি এবং এটি সংগঠনের মর্যাদাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া খাতসংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, কমিশন শূন্যে নামানোর আগে বীমা আইন ও এজেন্ট নিয়োগ, নিবন্ধন ও লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রবিধানমালা সংশোধন করা জরুরি। তারা পরামর্শ দেন, নন ট্যারিফ মার্কেট, সলভেন্সি মার্জিন ও পুনঃবীমা মুক্তকরণের মতো কাঠামোগত সংস্কারের দিকেও নজর দিতে হবে।

এ বিষয়ে বিআইএ’র সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল) বলেন, “২০২১ সালে আইডিআরএ নন লাইফে কমিশন শূন্য করে দেয়, পরে ‘বীমা এজেন্ট প্রবিধানমালা ২০২১’-এর মাধ্যমে আবার ১৫ শতাংশ কমিশন নির্ধারণ করা হয়। তাই আইন ও প্রবিধানমালা সংশোধন ছাড়া কমিশন শূন্যের উদ্যোগ আইনি জটিলতা তৈরি করবে।”

তিনি আরও বলেন, “এজেন্টদের লাইসেন্স আছে, সরকার তাদের আয়ের ওপর রাজস্ব পায়। কমিশন বন্ধ করলে আইনগত প্রশ্ন উঠবে। তাই আইনের ৫৮(১) ধারা ও সংশ্লিষ্ট প্রবিধান দুটোই সংশোধন করা দরকার।”

এদিকে, একই সময় বিআইএ’র অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম নিয়েও বিতর্ক দানা বাঁধে।
সংগঠনটি “নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে” অভিযোগ তুলে বিআইএ নির্বাহী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম।

বুধবার বিআইএ প্রেসিডেন্ট বরাবর দাখিল করা পদত্যাগপত্রে ফখরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “গত ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির ২২৫তম সভায় বিভিন্ন কমিটি ও সাবকমিটি গঠনে স্বেচ্ছাচারিতা করা হচ্ছে এবং গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে উপেক্ষা করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় আমি সভা থেকে ওয়াকআউট করি। বিআইএ নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হওয়ায় এই ধরনের স্বেচ্ছাচারী নির্বাহী কমিটিতে থাকা সম্ভব নয়।”

বীমা খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নন লাইফ কমিশন ইস্যুতে উত্তেজনা ও অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব সংকটের মধ্য দিয়ে বিআইএ নতুন করে বিতর্কে জড়াচ্ছে। সংগঠনটি দেশের জীবন ও নন লাইফ উভয় খাতের বীমা কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো এর ঐক্য ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।




ফারইস্ট লাইফের চেয়ারম্যান-সিইওসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
অকথ্য ভাষায় গালমন্দ, পিস্তুল ঠেকিয়ে স্বাক্ষর চেষ্টা, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে জখম, হত্যার করতে লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে রক্তাক্ত আঘাত, মুক্তিপন দাবী, মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান, সিইওসহ ১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
নির্যাতিত সাবেক কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন আকন্দ বাদী হয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪২, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩২৩, ৩২৫, ৩৭৯ ও ৫০৬ ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মো. শাহাদাৎ হোসেন আকন্দ জানান, তিনি ১৩ বছর ফারইস্টে চাকরির পর বর্তমানে প্রাইম ইসলামী লাইফে কর্মরত। ৮ সেপ্টেম্বর পাওনা বেতনের বিষয়ে জানতে তিনি সহকর্মীসহ ফারইস্ট টাওয়ারে গেলে চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মুকাদ্দেছ হোসেনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের ওপর চড়াও হন। লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ১৮ তলায় আটক রাখা হয় প্রায় ৭ ঘণ্টা।
অভিযোগে বলা হয়, সেখানে উপস্থিত ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মুকাদ্দেছ হোসেন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের নির্দেশে একদল কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের ওপর অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও হামলা চালান।
শাহাদাৎ হোসেন জানান, তাকে ও নজরুল ইসলামকে কিল, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তারা দুজনকে ১৮ তলার একটি কক্ষে অবৈধভাবে ৬-৭ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আটক অবস্থায় তাদের ওপর লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে নির্যাতন চালানো হয়, মোবাইল ফোন, নগদ ৩০,০০০ টাকা, এবং একটি স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এমনকি তাদের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায়ের চেষ্টা করা হয় এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
ঘটনার একপর্যায়ে শাহাদাৎ হোসেন তার চাচা রুহুল আমিন আকন্দকে বিষয়টি জানালে তিনি শাহবাগ থানায় ফোন করে সহায়তা চান। পরে এসআই ফয়সাল নেতৃত্বাধীন পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শাহাদাৎ ও নজরুল ইসলামকে উদ্ধার করে এবং তাদের মোবাইল ফোন উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে শাহাদাৎ হোসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তিনি চিকিৎসাধীন থাকায় কিছুটা বিলম্বে থানায় এজাহার দাখিল করেন। ঘটনায় শাহাদাৎ হোসেন ২৫ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন (নং-২৩)।
এজাহারে মোট ১৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন— চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. মুকাদ্দেছ হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. মোবারক হোসেন, পরিচালক মো. হেলাল মিয়া ও মো. মোশারফ হোসেন পুস্তি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কামরুল হাসান, অতিরিক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অ্যাডিশনাল সিইও) মো. শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মো. আব্দুর রহিম ভুইয়া, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসভিপি) ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) কে. এম. সামছুদ্দিন, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইভিপি-উন্নয়ন) মো. হামিদুর রহমান আজাদ ও মো. মোস্তফা জামান হামিদি, ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোজাম্মেল হোসেন, (ভিপি-আইন ও রিয়েল এস্টেট বিভাগ) মো. আজগর আলী এবং (ভিপি-আইন বিভাগ) মো. জসিম উদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) ও চেয়ারম্যানের পিএস মো. এ.এস.এম. শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া (রুমন), এক্সিকিউটিভ অফিসার এ.কে.এম. শহিদুল হক, রিসেপশনিস্ট মো. ইউসুফ নবী, নিরাপত্তা প্রহরী মো. সাইদুর রহমান এবং সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. আব্দুর রাজ্জাক।
মামলার ব্যাপারে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আইন ও রিয়েল এস্টেট বিভাগের ভিপি আজগর আলীর সাথে সাবেক কর্মকর্তা শাহাদাতের ঝামেলা হয়েছিল তবে সিইও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছিল।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসানের বক্তব্য জানার জন্য ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
পরে কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি এবং আমার কোনো পরিচালনা পর্যদের সদস্য ঘটনার দিন প্রতিষ্ঠানে ছিল না। শুনলাম যে, গত ৮ সেপ্টেম্বর আমাদের কোম্পানীর সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বহিরাগত ৫০-৬০ জনকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। বিষয়টি শাহবাগ থানায় অবগত করলে প্রশাসন ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আইন ও রিয়েল এস্টেট বিভাগের ভিপি আজগর আলী বাদী হয়ে আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলা থেকে বাঁচতে প্রতিপক্ষরা আমাদের নামে মিথ্যা-কাল্পনিক অভিযোগ এনে শাহবাগ থানায় একটি কাউন্টার মামলা করেছে।
সম্প্রতি দুর্নীতি ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে আলোচনায় থাকা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এবার নির্যাতনের অভিযোগ নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।




রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সুরক্ষায় গার্ডিয়ান ও ক্লিনিকলের যৌথ উদ্যোগ

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইন্স্যুরেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ক্লিনিকল লিমিটেডের সাথে এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য একটি সমন্বিত ইন্স্যুরেন্স ও স্বাস্থ্যসেবা প্যাকেজ চালু করেছে গার্ডিয়ান।

সম্প্রতি, রাজধানী ঢাকায় গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা লক্ষাধিক প্রবাসীর স্বাস্থ্যসেবা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতে যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেগুলো মোকাবিলা করা এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। নতুন চালু করা এ প্যাকেজের আওতায় থাকছে লাইফ ও হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা, ক্লিনিকলের মাধ্যমে আনলিমিটেড ডাক্তারের পরামর্শ, চাকরি হারালে আর্থিক সুরক্ষা এবং দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্য সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা।

গার্ডিয়ানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ ও ক্লিনিকল লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ অপারেশনস অফিসার পারভেজ আহমেদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব মাইক্রোইন্স্যুরেন্স ডিজিটাল চ্যানেল অ্যান্ড এডিসি আব্দুল হালিম এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক্রোইন্স্যুরেন্স ডিজিটাল চ্যানেল অ্যান্ড এডিসি মো. নওশাদুল করিম চৌধুরী।

ক্লিনিকলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব বিজনেস সাদ এম. মিলকান এবং হেড অব টেকনোলজি সাবা শামস।

এ বিষয়ে শেখ রকিবুল করিম বলেন, “এই অংশীদারিত্ব আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার প্রতিফলন। যারা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারকে সহায়তা করছেন এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, তাদের জন্য টেকসই ও সহজলভ্য সমাধান দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ক্লিনিকলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ অপারেশনস অফিসার পারভেজ আহমেদ বলেন, “গার্ডিয়ানের নির্ভরযোগ্য ইন্স্যুরেন্স সেবার সঙ্গে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা যুক্ত হওয়ায় এটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের যৌথ লক্ষ্য হলো প্রত্যেক প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের কাছে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

এই উদ্যোগ বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গার্ডিয়ান ও ক্লিনিকলের এ যৌথ প্রচেষ্টা রেমিট্যান্স যোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আরও উন্নত আর্থিক সুরক্ষা ও মানসিক শান্তি নিশ্চিত করবে।




বিমা দাবি প্রত্যাখ্যান: কেন ঘটে, কীভাবে এড়ানো যায়

সাধারণ মানুষ ইন্স্যুরেন্স করেন সঞ্চয়ের পাশাপাশি বিপদের সময় আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে। যা ব্যক্তি, পরিবার বা ব্যবসাকে আকস্মিক কোনো দুর্ঘটনা, অসুস্থতা, মৃত্যু বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির সময় আর্থিক সুরক্ষা দেয়। সেই সাথে একটা বাড়তি সুবিধা হলো, ইন্স্যুরেন্স আয়করমুক্ত। এজন্য ইন্স্যুরেন্স গ্রহীতারা বছরের পর বছর নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করে যান।

পলিসির মেয়াদ শেষে নির্ধারিত কাগজপত্রসহ আবেদনের পর সেই কাঙ্ক্ষিত অর্থ গ্রাহকের কাছে হস্তান্তর করে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি।

তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও হয়। নানা কারণেই বিমা দাবি বাতিল হয়, যা গ্রাহকের জন্য এক ধরনের মানসিক ও আর্থিক ধাক্কা। বিশেষ করে, গুরুতর অসুস্থতা বা আর্থিক সংকটকালীন মুহূর্তে দাবি পরিশোধ না হওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

আমরা মনে করি যে, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো বিমা দাবি পরিশোধ করতে চায় নাহ। কিন্তু এর মাঝেও যারা বেশি ইন্স্যুরেন্সের ক্লেইম পরিশোধ করে তাদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দাবি বাতিল হওয়ার পেছনে গ্রাহকের অসতর্কতা বা নিয়ম না বোঝার বিষয়টি প্রধান ভূমিকা রাখে। আবার কখনও কখনও নিয়মভঙ্গ বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণেও দাবি নাকোচ হয়। তাই, বিমা দাবি গ্রহণযোগ্য করতে হলে কেন দাবিগুলো প্রত্যাখ্যাত হয় এবং কীভাবে তা এড়ানো যায়—এ বিষয়ে গ্রাহকের স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।

কেন দাবি প্রত্যাখ্যাত হয়

ইন্স্যুরেন্স চুক্তি একটি আনুষ্ঠানিক দলিল, যেখানে শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলেই জটিলতা দেখা দেয়। গার্ডিয়ানের এর তথ্যমতে বিমা দাবি প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণসমূহঃ

  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয়ের রশিদ প্রদানে ব্যর্থতা

বিমা দাবি করার সময় সঠিক কাগজপত্র জমা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় দেখা যায়, গ্রাহক চিকিৎসা খরচের রসিদ বা হাসপাতালের বিল সংরক্ষণ করেন না, কিংবা সেগুলো অসম্পূর্ণ থাকে। ফলে কোম্পানি খরচের সত্যতা যাচাই করতে না পেরে দাবি নাকোচ করে।

  • পূর্ব থেকে বিদ্যমান অসুস্থতা গোপন করা

পলিসি গ্রহণের আগে যেসব শারীরিক সমস্যা ছিল, সেগুলো যদি গ্রাহক লুকিয়ে রাখেন তবে পরবর্তীতে সেই অসুস্থতার কারণে করা দাবি গ্রহণযোগ্য হয় না। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি হার্টের সমস্যা গোপন করে ইন্স্যুরেন্স নেন, পরে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে কোম্পানি তা ‘প্রি-এক্সিস্টিং কন্ডিশন’ হিসেবে উল্লেখ করে দাবি বাতিল করতে পারে।

  • কাগজপত্রে অসদুপায় অবলম্বন

কিছু গ্রাহক মিথ্যা তথ্য বা জাল কাগজপত্র জমা দেন; যেমন: হাসপাতালে ভর্তি না হয়েও ভর্তি খরচ দেখানো, অথবা চিকিৎসার ব্যয় অতিরঞ্জিত করা। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি তদন্তে এ ধরনের অসঙ্গতি পেলে পুরো দাবিই বাতিল করে দেয়।

  • আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড থেকে সৃষ্ট দাবি

যে সব দুর্ঘটনা বা ঘটনা বেআইনি কাজের সঙ্গে জড়িত, সেগুলো থেকে করা দাবি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি কখনও গ্রহণ করে না। যেমন: ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটলে, আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু, অথবা খুন-অপরাধে জড়িয়ে পড়লে সেই দাবিগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যাত হয়।

  • নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দাবি না তোলা

পলিসির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি জানাতে হয়। কিন্তু অনেকেই অসচেতনতার কারণে দেরি করে আবেদন করেন। এতে দাবি বাতিল হয়ে যায়। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো সাধারণত স্পষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়, যেমন ৩০ দিন বা ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে বিমা দাবি নাকোচ হয়ে যায়।

  • চুক্তির আওতার বাইরের দাবি

সব দাবি ইন্স্যুরেন্সের আওতায় পড়ে না। পলিসিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে কোন দুর্ঘটনা বা পরিস্থিতি কাভার হবে আর কোনগুলো হবে না।এ কারণে পলিসির বাইরে থাকা ঘটনায় বিমা দাবি করলে তা গ্রহণ করা হয় না।

কীভাবে এড়ানো যাবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু পদক্ষেপ মেনে চললে দাবি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব –

প্রথমত, দাবি জমা দেওয়ার আগে পলিসির শর্তাবলি ও বর্জনীয় বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এতে গ্রাহক বুঝতে পারবেন কোন দাবিগুলো গ্রহণযোগ্য আর কোনগুলো নয়।

দ্বিতীয়ত, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো নিয়মিত সচেতনতা সেশন আয়োজন করতে পারে, যেখানে গ্রাহকদের সঠিকভাবে নথিপত্র প্রস্তুতের পদ্ধতি শেখানো হবে।

এছাড়া শুধুমাত্র নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র সংরক্ষণ করা জরুরি। একইভাবে, দাবি জমা দেওয়ার সময় তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে প্রদান করাও অপরিহার্য। অনেক সময় সামান্য ভুল তথ্যও পুরো দাবি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পলিসি নেওয়ার সময় গ্রাহকের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত সব তথ্য স্বচ্ছভাবে জানানো। পূর্ববর্তী অসুস্থতা গোপন করলে ভবিষ্যতে বিমা দাবি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

পরিশেষে, বিমা দাবি প্রত্যাখ্যানের ঘটনা গ্রাহকের আস্থা নষ্ট করে এবং অনেকসময় পুরো খাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অথচ সামান্য সচেতনতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি সহজেই এড়ানো সম্ভব। গ্রাহকের দায়িত্ব সঠিক তথ্য ও নথিপত্র প্রদান করা, আর কোম্পানির দায়িত্ব হলো গ্রাহককে নিয়ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া। উভয় পক্ষ দায়িত্বশীল হলে ইন্স্যুরেন্স খাতকে আরও বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকর করা যাবে।

আমরা মনে করি যে, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো ইন্স্যুরেন্সের ক্লেইম পরিশোধ করে নাহ। কিন্তু এর মাঝেও যারা বেশি ইন্স্যুরেন্সের ক্লেইম পরিশোধ করে তাদের মধ্যে রয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।




আস্থা লাইফের ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন ‘সুরক্ষিত জীবনের প্রতিশ্রুতি’

‘সুরক্ষিত জীবনের প্রতিশ্রুতি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবং সময়ের আবর্তে ‘অগ্রযাত্রার অর্ধযুগের অদম্য’ কে ধারণকল্পে আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠার ৬ষ্ঠ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষ্যে মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে অতিথিবৃন্দের অভ্যর্থনা, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা, নতুন প্রোডাক্ট উদ্বোধন, মধ্যাহ্ন ভোজ, কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে সৌহার্দ্য বিনিময়ের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সগিরুল ইসলাম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি (অব.)। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জীবন বীমা খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে এবং জীবন বীমায় মানুষের আস্থার সংকট দূর করতে আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অধীনে আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী গঠিত হয়। আর এ লক্ষ্য অর্জনে আস্থা লাইফের সেলস ফোর্সগণ যেভাবে সেনাবাহিনীর আদর্শ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা, স্বচ্ছতা, বিশ্বস্ততা ইত্যাদির প্রতিফলন ঘটিয়ে জনগণের সেবায় ও বীমা শিল্পে গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণে কাজ করে চলেছেন তা প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, আস্থা লাইফের কোম্পানি কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে শতভাগ নিয়ম-নীতি অনুসরণ, প্রিমিয়াম সংগ্রহে প্রবৃদ্ধি অর্জন, পজিটিভ লাইফ ফান্ড তৈরী যা প্রায় ৫১ কোটিতে উন্নতিকরণ, শতভাগ বীমা দাবি নিষ্পত্তিকরণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য অর্জনে সেলস ফোর্সগণ এবং এদের সহযোগী বা কান্ডারী হিসেবে প্রধান কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা অনস্বীকার্য। এই ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইন্স্যুরেন্স খাত প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স বর্তমানে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বীমা সেবার আওতা বৃদ্ধি করার জন্য দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বীমা সেবার ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরাসহ বিভিন্ন সেনানিবাসে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচীর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

পরিশেষে তিনি কোম্পানির সকল ডিপার্টমেন্টের কর্মমূল্যায়ন উপস্থাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন এবং প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপনসহ সকলের সুখ, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

উল্লেখ্য, প্রধান কার্যালয় ছাড়াও দেশব্যাপী আস্থা লাইফের অন্যান্য শাখা অফিসসমূহে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।




সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান ও এএমএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পুনর্নিয়োগ অনুমোদন

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ও ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ নবায়ন অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। গত ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত পৃথক দু’টি চিঠি ইস্যু করেছে সংস্থাটি। উপ-পরিচালক (নন-লাইফ) মো. সোলায়মান চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

তথ্য অনুসারে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছে সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান। ২০২৫ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের ১ জুন পর্যন্ত অর্থাৎ ৬৭ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার নিয়োগ নবায়ন অনুমোদন করা হয়েছে।

অপরদিকে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছে এ এম এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। নিয়োগপত্রের শর্তাদি পরিপালন সাপেক্ষে ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ বছরের জন্য তার নিয়োগ নবায়ন অনুমোদন করা হয়েছে।




সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (আলফা রেটিং) রেটিং অনুযায়ী, কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-১’।

কোম্পানিটির ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গুণগত অন্যান্য প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে এ ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় পপুলার লাইফের ২০% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান কবির আহমেদ, পরিচালক মো. মোতাহার হোসেন ও মোহাম্মদ আমির হোসেন চৌধুরী, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ হাবিবুল বাহার, মোহাম্মদ আতিক আকবর, ময়নুল ইসলাম ও মোস্তফা জামাল হোসেন এফসিএ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বি এম ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন।

সভা পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব মোস্তফা হেলাল কবির। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৪ সালের জন্য ২০% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি




গাউছিয়ায় পপুলার লাইফের বীমাদাবীর ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের গাউছিয়া অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকার বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার ( ২১ সেপ্টেম্বর ) সকালে ঢাকার গাউছিয়ায় কোম্পানীর সার্ভিস সেল কার্যালয়ে এ ব্যবসা উন্নয়ন সভা ও বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়।
পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আল আমিন বীমা প্রকল্পের মহাব্যবস্থাপক (উন্নয়ন) ও ইনচার্জ আবুল কালাম শরীফের সভাপতিত্বে ব্যবসা উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আল আমিন বীমা প্রকল্পের উর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের, ইসলামী বীমা তাকাফুল প্রকল্পের উর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আল আমিন একক বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আবুল বাশার , আল আমিন একক বীমা প্রকল্পের জেএস জিএম মজিবর রহমান, আল আমিন একক বীমা প্রকল্পের জেইডি শাহ আলম প্রমুখ।

ব্যবসা উন্নয়ন সভা শেষে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমা গ্রাহকদের হাতে বীমাদাবীর ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী।




সিটি ব্যাংকের অ্যাপ থেকে গার্ডিয়ান ইন্স্যুরেন্সের পলিসি কিনতে পারবেন গ্রাহকরা

সিটি ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন থেকে ব্যাংকটির নিজস্ব অ্যাপ ‘সিটি টাচ’ এর মাধ্যমে সরাসরি গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পলিসি কিনতে পারবেন। নতুন এই ফিচারটির মাধ্যমে গ্রাহকেরা যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে বিভিন্ন ধরনের পলিসি সম্পর্কে জানা, তাৎক্ষণিক পলিসি কেনা, এমনকি ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম জমা দিতে পারবেন। ইন্স্যুরেন্স খাতে এই নতুনত্ব প্রমাণ করে যে, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স একত্রিত হলে তা গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সুবিধা এবং আর্থিক নিরাপত্তা দিতে পারে।

গার্ডিয়ান এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী শেখ রকিবুল করিম এফসিএ বলেন, “ইন্স্যুরেন্সকে সবার জন্য সহজ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তবে জীবন ও স্বপ্নকে সুরক্ষা দিতে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে আমরা দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলামুক্ত সেবা নিশ্চিত করছি। এ অংশীদারিত্বের ফলে গ্রাহকেরা খুব সহজেই অনলাইনে এখন তাদের ইন্স্যুরেন্স সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন।”

সিটি ব্যাংকের ডিএমডি এবং হেড অফ রিটেল ব্যাংকিং মোঃ অরূপ হায়দার বলেন, “সিটি ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক যারা বাজারে ব্যাংকান্সুরেন্স চালু করে। স্থানীয় ব্যাংকিং ইন্ডাষ্ট্রিতে ডিজিটাল সমাধান আনার ক্ষেত্রেও আমরা এগিয়ে আছি। তাই ব্যাংকিং অ্যাপে সরাসরি বীমা পণ্য চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ব্যাংক হওয়া একটি স্বাভাবিক অগ্রগতি ছিল, যার ফলে আমাদের গ্রাহকদের বিস্ত‍ৃত পরিসরের আর্থিক সমাধান প্রদান করা হচ্ছে।”

গার্ডিয়ান সব সময় ইন্স্যুরেন্সকে আরও সহজলভ্য ও স্বচ্ছ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর সে লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিকমানের সেবার অনুশীলন অনুসরণ করে আসছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সূচনা দিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল তা এখন এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরও বিস্ত‍ৃত হয়েছে এবং এর ফলে বাংলাদেশের ডিজিটাল ইন্স্যুরেন্স খাতে গার্ডিয়ানের নেতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হয়েছে।




অনুমোদন পেতে যাচ্ছে নতুন বীমা কোম্পানি

প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও অনুমোদন পেতে যাচ্ছে কৃষিবিদ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড নামে নতুন একটি নন-লাইফ (সাধারণ) বীমা কোম্পানি। মিরপুরের কাজীপাড়ায় সদর দপ্তর স্থাপন করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। চেয়ারম্যান থাকছেন ড. মো. আলী আফজাল। বর্তমানে দেশে ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি কার্যক্রম চালাচ্ছে। কৃষিবিদ ইন্স্যুরেন্স অনুমোদন পেলে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ৪৭-এ।

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরামর্শক (মিডিয়া ও যোগাযোগ) সাইফুন্নাহার সুমি বলেন, কোম্পানির নামের বিষয়ে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে অনাপত্তি মানেই অনুমোদন নয়।

আইডিআরএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট কোম্পানিটির জন্য অনাপত্তি দেওয়া হয় আরজেএসসির নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। দুই বছর পর চলতি বছরের ১৪ আগস্ট আরজেএসসি অনাপত্তিপত্রের বৈধতা নিশ্চিত করতে আইডিআরএকে চিঠি পাঠায়।

আইডিআরএর উপপরিচালক মো. সোলায়মান বলেন, অনাপত্তি দেওয়া হলেও এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়। নিবন্ধন না পেলে আইডিআরএ কোনো দায় নেবে না।

বর্তমানে দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি আছে—এর মধ্যে সাধারণ বীমা ৪৬টি এবং জীবনবীমা ৩৬টি। কৃষিবিদ ইন্স্যুরেন্স অনুমোদন পেলে মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৮৩টিতে। কিন্তু দেশের অর্থনীতির আকারের তুলনায় কোম্পানি বেশি হওয়ায় খাতে অনৈতিক প্রতিযোগিতা বাড়ছে।

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) পরিচালক এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে বীমা কোম্পানি অনেক বেশি। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন কোম্পানির প্রয়োজন নেই। বরং নতুন অনুমোদন অনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও বাড়াবে।




ব্র্যাক ব্যাংকের সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খানকে প্রগতি লাইফের শুভেচ্ছা

প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালালুল আজিম সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রগতি লাইফ ও ব্র্যাক ব্যাংকের পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে গ্রাহকদের জন্য আরও ইতিবাচক সেবা ও সুযোগ তৈরি করবে বলে প্রত্যাশা করেন তারা।




গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের সিইও পদে ফারজানা চৌধুরীর পুনর্নিয়োগ অনুমোদন

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে ফারজানা চৌধুরীকে পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)

এক চিঠির মাধ্যমে আইডিআরএ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য, অর্থাৎ ২৩ আগস্ট ২০২৮ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে। আইডিআরএর উপ-পরিচালক (নন-লাইফ) মো. সোলায়মান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাফল্য: সিইও’র বার্তা

শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় ফারজানা চৌধুরী বলেন, “২০২৫ সাল ছিল চ্যালেঞ্জে ভরা একটি বছর। ডলার সংকট, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রভাবে বীমা খাত জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়ে। বিশেষ করে পুনর্বীমার প্রিমিয়াম বিদেশে পাঠানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।”

তবে তিনি জানান, কৌশলগত পদক্ষেপ, আন্তরিক অংশীদারিত্ব, এবং নবায়নযোগ্য উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সব বাধা অতিক্রম করেছে।

মূল আর্থিক ও কর্মক্ষম তথ্য

  • মোট সম্পদ: ১৪২৪ কোটি টাকা

  • মোট দায়: ৭৪০ কোটি টাকা

  • বৈচিত্র্যপূর্ণ বিনিয়োগ পোর্টফোলিও: ৬০৬ কোটি টাকা

  • দাবি নিষ্পত্তি অনুপাত: ৭৯%

  • ROE: ৯%, ROA: ৪%

  • পলিসিধারক: ১ লাখের বেশি

  • দাবির পরিমাণ (পরিশোধিত): ৭০ কোটি টাকার বেশি

  • দাবির পরিমাণ (বকেয়া): ২৬৬ কোটি টাকার বেশি

  • শাখা সংখ্যা: ৩৭টি

টানা ১১ বছর ধরে CRAB-এর AAA রেটিং ধরে রাখা, এবং ICAB-এর সেরা উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদন পুরস্কারে ধারাবাহিকভাবে স্বর্ণপদক প্রাপ্তি প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা প্রমাণ করে।

ডিজিটাল রূপান্তর ও উদ্ভাবনমুখী পরিকল্পনা

ফারজানা চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল হাব গড়ে তুলেছে, যা স্টার্ট-আপ ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনে সহায়তা করছে। এই উদ্যোগ ESG লক্ষ্যমাত্রা পূরণেও অবদান রাখছে।

একইসঙ্গে বিনিময় হারের ক্ষতি কমাতে ডলারে অর্থপ্রদান গ্রহণ, কিছু শাখা একীভূতকরণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

টেকসইতা ও সামাজিক উদ্যোগে অগ্রণী ভূমিকা

মাত্র ছয় বছরে ১৪ লাখের বেশি কৃষককে ক্ষুদ্রবীমা প্রদান, এসএমই বীমা খাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহযোগিতায় কাজ, এবং SDG ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি টেকসই উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতি বজায় রেখেছে।

এছাড়া, ACCA-এর ট্রেইনি ডেভেলপমেন্ট গোল্ড স্ট্যাটাস অর্জন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক বৃহৎ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি, প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলতা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করে।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা

ভবিষ্যতে ব্যয়ের দক্ষতা, অনুপ্রাণিত কর্মীবাহিনী, ডিজিটাল সম্প্রসারণ এবং ব্যাংকাসিউরেন্স ও নতুন বীমা পণ্য চালু করার উপর জোর দেওয়ার কথা জানান তিনি। এছাড়াও, পোষা প্রাণীর বীমা, ওষুধ বীমা ও মোটর বীমা খাতে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

EPZ খাতে কৌশলগত অবস্থান

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (EPZ) বীমা সমাধান প্রদানের মাধ্যমে গ্রীন ডেল্টা সেখানে নিজস্ব অবস্থান শক্তিশালী করেছে। মিরসরাই EPZ-এ প্রতিষ্ঠানটির নিবেদিত শাখা কাজ করছে, যা ব্যবসায়িক প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সবশেষে, ফারজানা চৌধুরী বলেন, “আমরা আমাদের অংশীদার, গ্রাহক, কর্মী এবং নিয়ন্ত্রকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী—উদ্ভাবন, দায়িত্বশীলতা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।”




হোমল্যান্ড লাইফের অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করল উচ্চ আদালত

হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন একটি অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করেছে উচ্চ আদালত। ৩ মাসের জন্য এই বোর্ড গঠন করা হয়েছে। কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালক মোহাম্মদ জুলহাস, সালেহ হোসেন ও মো. এরশাদ করিমের দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে গত ৩ সেপ্টেম্বর এই বোর্ড গঠন করে দেয় আদালত।

বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মজিদকে। এই বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী আহসান, অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাকির হোসেন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ফার্ম আহমেদ হক সিদ্দিকী অ্যান্ড কোং এর পার্টনার মোহাম্মদ শাকিল চৌধুরী (এফসিএ) এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (অর্থ) ও মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান উজমা চৌধুরী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হোমল্যান্ড লাইফের ১৫১তম বোর্ড সভা কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে ২৯ জানুয়ারি বেলা ১২টায় আহবান করা হয়। তবে এই সভাটি কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের পরিবর্তে গত ৪ ফেব্রুয়ারি সিলেটের হোটেল ব্রিটানিয়ায় আহবান করে পরিচালকদের নোটিশ প্রদান করা হয়। এই নোটিশ দেয়া হয় গত ২৩ জানুয়ারি।

একইসাথে কোম্পানির ৪৩৩তম নির্বাহী কমিটির সভা এবং ৮১ তম নিরীক্ষা, বিনিয়োগ, দাবি ও সিএমআই কমিটি সভার স্থানও সিলেটে স্থানান্তর করে পরিচালকদের নোটিশ প্রদান করা হয়।

পরে সিলেটে সভা আহবানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট মামলা (কোম্পানি ম্যাটার নং- ১৬৪/২০২৫) দায়ের করেন কোম্পানিটির পরিচালক মোহাম্মদ জুলহাস। মামলার শুনানি শেষে ৪ সপ্তাহের জন্য আহূত সকল সভা স্থগিত করে রুল জারি করেন আদালত। হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ গত ২ ফেব্রুয়ারি এই আদেশ দেন।

পরবর্তীতে কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল (সিপিএলএ নং ৫২৭/২০২৫) দায়ের করেন। আপিলের শুনানি শেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারি চেম্বার জজ আদালত ‘নো অর্ডার’ জারি করেন।

কোম্পানি ম্যাটার নং- ৭১৬/২০২৫ দায়ের করেন হোমল্যান্ড লাইফের আরেক পরিচালক সালেহ হোসেন। গত ৩০ এপ্রিল আহূত বীমা কোম্পানিটির ১৫২তম বোর্ড সভা এবং ৪৩৪তম নির্বাহী কমিটির সভার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে এই আপিল দায়ের করেন। গত ৫ মে ঢাকায় সভা দুটি আহবান করা হয়েছিল।

সালেহ হোসেনের দায়ের করা আপিলের শুনানি শেষে আদালত সভা দুটির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। গত ৫ মে আদালত এই আদেশ দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে চেম্বার জজ আদালতে সিপিএলএ নং- ১৮১২/২০২৫ দায়ের করা হয় এবং আপিলের শুনানি শেষে গত ২৮ মে চেম্বার জজ আদালত ‘নো অর্ডার’ জারি করেন।

অপরদিকে বীমা আইন ২০১০ এর ৭৬ ধারার বিধান অনুসারে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ গঠনের জন্য আদালতে কোম্পানি ম্যাটার নং- ৯৪১/২০২৫ দায়ের করেন হোমল্যান্ড লাইফের আরেক পরিচালক মো. এরশাদ করিম। মামলায় আভিযোগ করা হয়, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের কেউ স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার নন এবং পর্ষদে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নিরপেক্ষ পরিচালকও নেই।

হোমল্যান্ড লাইফ ইস্যুতে আদালতের দেয়া রায়ে বলা হয়, কোম্পানির যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনার পাশাপাশি এই অন্তবর্তীকালীন বোর্ড একটি নিয়মিত বোর্ড গঠনের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। এই বোর্ড আদালতের অনুমোদন ছাড়া সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না, এমনকি নতুন করে কোনো শেয়ারও ইস্যু করতে পারবে না।

অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড চেয়ারম্যানের মাসিক পারিশ্রমিক হবে ২ লাখ টাকা। প্রত্যেক পরিচালক মাসিক পারিশ্রমিক পাবেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া এই বোর্ডের প্রতিটি সভার জন্য চেয়ারম্যানসহ প্রত্যেক সদস্য পাবেন ১৫ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পর্ষদ অপসারণ করে নতুন বোর্ড গঠন করে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এবং সোনালী লাইফের পর্ষদ স্থগিত করে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ।

তবে কোন বীমা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে আদালতের নতুন বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত এটিই প্রথম বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।




সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা আজ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির একটিং চেয়ারপার্সন মো. মোতালেব হোসেন।

সভায় ২০২৪ইং সালের নিরীক্ষিত হিসাবের ভিত্তিতে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

সভায় অংশগ্রহণ করেন ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারপার্সন শহিদুল ইসলাম নিরু, ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক ও এনআরসি এর চেয়ারপার্সন ড. শরীফ এনামুল কবির। এছাড়া, সভায় অংশগ্রহণ করেন কোম্পানির পরিচালক আলহাজ মো. রুহুল আমিন, আলহাজ মো. শামসুল হক, আবুল কালাম আজাদ, মি. কৈলাশ চৈন্দ্র বাড়ৈ, মি. গঙ্গাচরণ মালাকার, মি. সুমিত কুমার বাড়ৈ, এ.এন.এম. রেজওয়ানুল কাইউম, ইঞ্জিনিয়ার মো. হারুনুর রশীদ মোল্লা, মিসেস ফাহমিদা ওয়ালিউল্লাহ, বেলাল হোসেন এবং ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক দেলোয়ার হোসেন রাজা এবং নারী ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক বদরুন নেসা।

আরও অংশগ্রহণ করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুল হুদা, কোম্পানির সিএফও এ. বি. এম. হাসানগীর এবং কোম্পানি সচিব আব্দুর রউফ গোমস্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।




প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং বা ঋণ মান নির্ণয়ের করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ‌্য মতে, আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেডের রেটিংস অনুযায়ী, কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে সিপিএ (ক্লেইম পেইং অ্যাবিলিটি) রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-২’।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ‌্যের ভিত্তিতে এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




আজহারুল ইসলাম অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের নতুন মুখ্য নির্বাহী

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে মোঃ আজহারুল ইসলামের নিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ( আইডিআরএ)।

নিয়োগপত্রের শর্তাদি পরিপালন সাপেক্ষে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর ২০২৮ তারিখ পর্যন্ত ৩ বছরের জন্য তার নিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ।

কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (নন-লাইফ) মো. সোলায়মান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে এই নিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে।




সাতক্ষীরায় পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের বীমাদাবীর ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর

 

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের সাতক্ষীরা অঞ্চলের বীমা গ্রাহকদের ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্ব) সকালে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এ ব্যবসা উন্নয়ন সভা ও বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়।
পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ব্যবসা উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, আল-বারাকাহ্ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক সোলায়মান হোসেন সোহাগ, ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার কামরুজ্জামান, আল আমিন বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ মিজানুর রহমান, একক বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আরিফুর রহমান বিপ্লব, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের সার্ভিস সেল ইনচার্জ কবিরুল হোসেন প্রমুখ।

 

ব্যবসা পর্যালোচনা সভা শেষে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমা গ্রাহকদের হাতে বীমাদাবীর ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী।




চার্টার্ড লাইফের ভারপ্রাপ্ত সিইও এমদাদ উল্লাহর মায়ের ইন্তেকাল

চার্টার্ড লাইফ এর ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহর মা আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

বাদ আসর জানাজা শেষে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারির কলেজ পাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

তাঁর মৃত্যুতে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।




মেহেরপুরে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বীমাদাবীর ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর ও বিশেষ উন্নয়ন সভা

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের মেহেরপুর অঞ্চলের ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মেহেরপুর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এ বিশেষ উন্নয়ন সভা ও বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়।
পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আল আমিন বীমা প্রকল্পের জেনারেল ম্যানেজার রাফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্য নির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের উর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিলুর রহমান সিকদার , আল-আমিন বীমা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম রুবেল ।

ব্যবসা উন্নয়ন সভা শেষে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমা গ্রাহকদের হাতে বীমাদাবীর ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্য নির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।




পুনরায় চার্টার্ড লাইফের ভারপ্রাপ্ত সিইও এমদাদ উল্ল্যাহ

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ এমদাদ উল্ল্যাহকে আবারও ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি জানানো হয়।

এর আগেও চলতি বছরের ৬ এপ্রিল, তৎকালীন সিইও এস.এম জিয়াউল হকের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে এমদাদ উল্ল্যাহকে ভারপ্রাপ্ত সিইও’র দায়িত্ব দেয় পরিচালনা পর্ষদ। পরে, ৯ জুলাই তাকে সরিয়ে ভারপ্রাপ্ত সিইও হিসেবে মুহাম্মদ আসিফ শামছকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে তার প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে নিয়োগটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব বাতিল করে দেয়। ফলে পুনরায় দায়িত্বে ফিরলেন মোহাম্মদ এমদাদ উল্ল্যাহ।