অনিয়ম-দুর্নীতিতে ‘জর্জরিত’ ফিনিক্স ফাইন্যান্স

দেশের পুঁজিবাজারে অনিয়মের শেষ নেই। এসব অনিয়মের কারণে বাজার তার সঠিক অবস্থানে ফিরতে পারছে না। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বিনিয়োগকারীদের সঠিক তথ্য দেওয়া হয় না। প্রকৃত লভ্যাংশ থেকে বিনিয়োগকারীদের বছরের পর বছর বঞ্চিত করা হয়। কোম্পানির বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া এবং দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে এজিএম সম্পন্ন করে কোম্পানির এজেন্ডা পাস করানোর হয়। এতে বিনিয়োগকারীদের সর্বপ্রকার অধিকার হরণ করা হচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে।

মুলত ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে এজিএমে (বার্ষিক সাধারণ সভা) অনিয়ম, বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন করার সুযোগ না দেওয়া এবং আর্থিক প্রতিবেদনে গুরুতর অসঙ্গতি আড়াল করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন এক বিনিয়োগকারী।

তার দাবি প্রতিষ্ঠানটি তথাকথিত সাজানো এজিএম আয়োজন করে ভুলে ভরা বার্ষিক প্রতিবেদন পাশ করিয়েছে। তবে এ অভিযোগের বাইরেও কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষনে দেখা যায় কোম্পানিটি নিয়মিত ক্ষতির মুখ থেকে উত্তরণে আসতে পারছে না বরং আরও ধ্বসের দিকেই যাচ্ছে।

বিনিয়োগকারীর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে আইডিইবি ভবনের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ফিনিক্স ফাইনান্সের এজিএমে বিনিয়োগকারীগণ উপস্থিত ছিলেন। একজন বিনিয়োগকারী বার্ষিক প্রতিবেদনের অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন করার চেষ্টা করলে কোম্পানির কিছু কর্মকর্তা, কন্টাক্ট করা পক্ষের শেয়ারহোল্ডার এবং ভাড়া করা কিছু নন শেয়ারহোল্ডার তাকে বাধা দেয়। এতে তিনি কোনো প্রশ্ন তুলতে বা আলোচনায় অংশ নিতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি লিখিতভাবে কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর প্রশ্নপত্র জমা দিলেও দীর্ঘ সময়েও কোনো উত্তর পাননি।

এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানি ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি চলছে। প্রতিষ্ঠানটির বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। এই ঋণের অর্ধেকের বেশিই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

এছাড়াও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে সংস্থান ও মূলধন ঘাটতি। সম্পদের গুণগত মান দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় পুঞ্জীভূত লোকসান দিন দিন বাড়ছে। ফিনিক্স ফাইন্যান্সের প্রতি ব্যপক আস্থার সংকট থাকায় নতুন করে আমানতও পাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। তীব্র তারল্য সংকটে পড়তে হচ্ছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটিকে।

অবস্থা এমন পর্যায়ে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নগদ জমার হার (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) সংরক্ষণে ব্যর্থ হচ্ছে। পাশাপাশি দিন দিন প্রতিষ্ঠানটির লোকসান বেড়েই চলছে। এজন্য গত কয়েকবছর ধরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও দিচ্ছে না কোম্পানিটির। সার্বিক আর্থিক অবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে ফিনিক্স ফাইন্যান্সের এমন দুর্দশার চিত্র উঠে এসেছে।

ব্যাংক বহির্ভূত এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির এমন দুর্দশার জন্য অযোগ্য নেতৃত্বকে দায়ী করছে খাতসংশ্লিষ্টরা। অযোগ্য নেতৃত্বের ফলে প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছর ধরে লোকসানে রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) দেয়া তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের পর ফিনিক্স ফাইন্যান্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি।

খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফিনিক্স ফাইন্যান্সের দুরবস্থার জন্য সাাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এসএম ইন্তেখাব আলমের অযোগ্য নেতৃত্বই দায়ী। কারণ শীর্ষ পদটিতে ২০০৮ সাল থেকে টানা ১৬ বছর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডিকে সম্প্রতি বরখাস্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রাহক প্রতিষ্ঠান এস এ অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড, আমান সিমেন্ট মিলস ইউনিট-২, মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি, মাহিন এন্টারপ্রাইজ, ম্যাক স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং গ্রাহক নাজমা পারভিন, ফারহান মোশাররফের ঋণে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন থাকার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ থেকে বিরত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। জুন শেষে প্রতিষ্ঠানটির বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ২ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৮৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির প্রভিশন ঘাটতি বর্তমানে ১৪ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ক্রমাগত লোকসানের অন্যতম কারণ হচ্ছে নামে-বেনামে ঋণ দেয়া। কোম্পানিটি বিভিন্ন সময় ঋণ দিলেও সেটি পরে খেলাপিতে পরিণত হচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে একসময় নতুন মূলধন জোগান ছাড়া প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আর্থিক খাতের যত অনিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংক পেয়েছে, তার বেশির ভাগের ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘন করে জামানতবিহীন কিংবা ভুয়া জামানতের বিপরীতে ঋণ দেওয়ার তথ্য মিলেছে। অনেক ক্ষেত্রে জামানত নিলেও তা অতিমূল্যায়ন করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুয়া গ্যারান্টির বিপরীতে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে ঋণ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না অনেক প্রতিষ্ঠান। আর এ তালিকার প্রথম দিকেই আছে ফিনিক্স ফাইন্যান্স।

অভিযোগে বলা হয়, কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদনে ২০২৪ অর্থবছরের প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ দেখানো হয়েছে ২৩৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, অথচ প্রতিবেদনে লস দেখানো হয়েছে ৮০৮ কোটি ২৩ লাখ টাকারও বেশি। এতে প্রভিশন হিসেবে দেখানো অর্থের হিসাবও প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি বলেন, ২০২৩ সালে ভবিষ্যৎ ক্ষতির জন্য ৫০৪ কোটি টাকার বেশি সংস্থান করা হয় এবং ২০২৪ সালে প্রায় ৫৭১ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয় যা প্রকৃত ক্ষতির চেয়ে বহুগুণ বেশি। এসব সংস্থান বাদ দিলে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতে থাকার কথা থাকলেও প্রতিবেদনে তার কোনো উল্লেখ নেই।

অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন ১৬৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যার প্রায় ৪৯ শতাংশ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। সাধারণ জনগণের কাছ থেকে আমানত নেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকার বেশি, অথচ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকারও বেশি। বিনিয়োগকারীর প্রশ্ন এই ঘাটতি পূরণের অর্থ কোথা থেকে এল এবং ১ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকার প্রভিশন করার মতো তহবিলের উৎস কী?

বিনিয়োগকারী তার লিখিত অভিযোগে বলেছেন, ফিনিক্স ফাইনান্সসহ একাধিক কোম্পানি তথাকথিত ‘এজিএম পার্টি’ মাধ্যমে এজিএম পরিচালনা করেছে, যেখানে প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বা প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। এসব সভায় কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ভুলে ভরা প্রতিবেদন কোনো আলোচনা ছাড়াই পাশ করা হচ্ছে। ফলে কোম্পানিগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা আড়াল হয়ে যাচ্ছে এবং জবাবদিহিতা সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যাচ্ছে।

বিনিয়োগকারীরা বিএসইসির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, ভাড়া করা লোক দিয়ে এজিএম আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ফিনিক্স ফাইনান্সের অনিয়ম তদন্ত করে বিনিয়োগকারীদের প্রশ্নের উত্তর প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক। তার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাধারণ বিনিয়োগকারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না করে কেবল কিছু সংগঠনের সঙ্গে কাজ করছে, যাদের মধ্যেই অনেকেই এজিএম অনিয়মে জড়িত।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সাজানো এজিএম এবং আর্থিক প্রতিবেদনে অসত্য তথ্য উপস্থাপন বাজারে আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আরও নিরুৎসাহিত হবে, যা সার্বিকভাবে পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক বার্তা বহন করছে।

ফিনিক্স ফাইনান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এর আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কোম্পানিটির বিনিয়োগ, টোটাল অ্যাসেট, ফিক্সড অ্যাসেট ও এফডিআর সব-ই কমেছে গত তিন বছরে। রিপোর্টে দেখা যায় ২০২৩ সালে কোম্পানির বিনিয়োগ ছিল ১৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা যা ২০২৪ সালে হ্রাস পেয়ে হয়েছে ১৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

২০২৩ সালে টোটাল অ্যাসেট ছিল ২ হাজার ৯১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা কিন্তু ২০২৪ সালে তা কমে দাড়িয়েছে ২ হাজার ৭৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ফিক্সড অ্যাসেটের ক্ষেত্রেও নিয়মিত ধ্বস নেমেছে কোম্পানিটির। ২০২৩ সালে কোম্পানিটির ফিক্সড অ্যাসেট ছিল ৬৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৬২ কোটি ২২ লাখ টাকায়।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিনিক্স ফাইন্যান্সের মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, যেখানে মোট দায় ৪ হাজার ১৮৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির ওপর দায় সম্পদের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বেশি। এটি প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক কাঠামোকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো এর ক্লাসিফায়েড বা শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ।

প্রতিষ্ঠানটির মোট ঋণের ৮৮.৬৬ শতাংশ এখন অনাদায়ী অবস্থায় রয়েছে যা দেশের যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনা করলে দেখা যায় বে লিজিংয়ের ৮০.৮৪ শতাংশ, ইসলামিক ফাইন্যান্সের ৫৮.৫৭ শতাংশ এবং প্রাইম ফাইন্যান্সের ৬০.২৯ শতাংশ ঋণ ক্লাসিফায়েড যেখানে ফিনিক্সের অবস্থান সবচেয়ে বিপজ্জনক।

ফিনিক্স ফাইন্যান্স গত অর্থবছরে কর-পরবর্তী ক্ষতি দেখিয়েছে ৮০৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। একই সময়ে এর ইপিএস দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৪৮.৭৩ এবং এনএভি ঋণাত্মক ৮২.০১। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডার ইক্যুইটি এখন নেতিবাচক ১ হাজার ৩৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা যা ইঙ্গিত করে যে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত মূলধন হারিয়ে ফেলেছে।

সুত্র: দেশ প্রতিক্ষণ




প্রগতি লাইফের ১৫% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) কোম্পানির চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ডিজিটাল প্লাটফর্মে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শেয়ারহোল্ডারবৃন্দের সর্বসম্মতিতে ২০২৪ সালের জন্য ১৫% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান (আমন্ত্রিত) আবদুল আউয়াল মিন্টু, পরিচালক সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন, মো. শফিউর রহমান, তাফসির এম. আউয়াল, মো. আব্দুল হামিদ, তাজোয়ার এম. আউয়াল, সোহেল আহমদ চৌধুরী, ড. সৈয়দ কামরুল হোসেন, আনোয়ার ফারুক।

এছাড়াও কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালালুল আজিম, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর দাস, এফসিএ এবং বহি. নিরীক্ষক অনিল সালাম ইদ্রীস এন্ড কোং চাটার্ড একাউন্টস, একচ্যুয়ারি ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ারহোল্ডারবৃন্দের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে সভা পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব জগদীশ কুমার ভঞ্জ, এফসিএস।




সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা আজ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির একটিং চেয়ারপার্সন মো. মোতালেব হোসেন।

সভায় ২০২৪ইং সালের নিরীক্ষিত হিসাবের ভিত্তিতে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

সভায় অংশগ্রহণ করেন ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারপার্সন শহিদুল ইসলাম নিরু, ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক ও এনআরসি এর চেয়ারপার্সন ড. শরীফ এনামুল কবির। এছাড়া, সভায় অংশগ্রহণ করেন কোম্পানির পরিচালক আলহাজ মো. রুহুল আমিন, আলহাজ মো. শামসুল হক, আবুল কালাম আজাদ, মি. কৈলাশ চৈন্দ্র বাড়ৈ, মি. গঙ্গাচরণ মালাকার, মি. সুমিত কুমার বাড়ৈ, এ.এন.এম. রেজওয়ানুল কাইউম, ইঞ্জিনিয়ার মো. হারুনুর রশীদ মোল্লা, মিসেস ফাহমিদা ওয়ালিউল্লাহ, বেলাল হোসেন এবং ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক দেলোয়ার হোসেন রাজা এবং নারী ইনডিপেনডেন্ট পরিচালক বদরুন নেসা।

আরও অংশগ্রহণ করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুল হুদা, কোম্পানির সিএফও এ. বি. এম. হাসানগীর এবং কোম্পানি সচিব আব্দুর রউফ গোমস্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।




সোনালী লাইফের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ১০% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে মালিবাগে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামান,  জাফর ইকবাল এনডিসি, পর্যবেক্ষক মো. শাহ আলম, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ফজলুতুন নেসা, মোস্তফা কামরুস সোবহান, রিপ্রেজেন্টেটিভ ডিরেক্টর অব রুপালী ইন্স্যুরেন্স ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, স্পন্সর ডিরেক্টর শেখ মো. ড্যানিয়েল।

আরো উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর মোর্শেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হাসিব রেজা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার সভায় যোগ দেন। সভাটি উপস্থাপনা করেন কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আব্দুর রব এফসিএস।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি বিষয় অনুমোদন করা হয়। সেগুলো হলো:

৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত বছরের পরিচালক ও নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী। ২০২৩ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা ও অনুমোদন। ২০২৪ সালের জন্য কোম্পানির স্ট্যাটুটরি অডিটর নিয়োগ। ২০২৪ সালের জন্য কোম্পানির কমপ্লায়েন্স অডিটর নিয়োগ।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি তাদের আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি কোম্পানির টেকসই প্রবৃদ্ধি, আর্থিক সুশাসন ও সর্বোচ্চ করপোরেট গভর্ন্যান্স মানদণ্ড নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

অপরদিকে কোম্পানির ব্যবসায়িক সাফল্য বৃদ্ধিতে আন্তরিক প্রচেষ্টা, পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বীমা খাতের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেয়ারহোল্ডাররা।

সভা শেষে কোম্পানির অগ্রযাত্রায় শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সহযোগিতা ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি




রূপালী ব্যাংকের ইজিএম এবং এজিএম অনুষ্ঠিত

সরকারি মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ১০ম বিশেষ সাধারণ সভা এবং ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর ৩৪, দিলকুশাস্থ রূপালী ব্যাংকের কনফারেন্স রুম থেকে হাইব্রিড পদ্ধতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল হুদা।

সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম ।

সভায় ব্যাংকের ২০২৪ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীসহ আলোচ্যসূচি অনুযায়ী সকল প্রস্তাব শেয়ার হোল্ডারগণ কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক এ বি এম আব্দুস সাত্তার, মো. শাহজাহান, মো. আবু ইউসুফ মিয়া, সোয়ায়েব আহমেদ, মুজিব আহমদ সিদ্দিকী, এ এইচ এম মঈন উদ্দীন ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রফিকুল আলম। এ ছাড়া ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ এতে উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ শাহেদুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার সরাসরি ও ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন।

বিজ্ঞপ্তি




অনিয়মে জর্জরিত চার্টার্ড লাইফের এজিএম পণ্ড

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি—পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের চতুর্থ প্রজন্মের এই কোম্পানি এখন নীতিমাল লঙ্ঘন আর অনিয়মে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। এর প্রেক্ষিতে আজ কোম্পানীর ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের তীব্র ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও বিশৃঙ্খলার মুখে শেষ পর্যন্ত পণ্ড হয়ে গেছে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, কোম্পানিটির বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে রয়েছে একের পর এক অনিয়ম, স্বচ্ছতার অভাব ও আইনের লঙ্ঘন। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা কোনো আলোচনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন আর বিনিয়োগকারীদের অভিযোগগুলো:

  • বার্ষিক প্রতিবেদনে অসঙ্গতি:
    ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরজুড়ে প্রথম তিন প্রান্তিকে আয় বাড়লেও শেষ প্রান্তিকে কৃত্রিমভাবে লোকসান দেখিয়ে শেয়ারপ্রতি ১১ পয়সা লোকসান দেখানো হয়েছে। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১৬ পয়সা।

  • লভ্যাংশ বঞ্চনার অভিযোগ:
    বিনিয়োগকারীদের দাবি, বছরের শেষ প্রান্তিকে কৃত্রিম লোকসান দেখিয়ে ২০২৪ সালের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার পথ তৈরি করেছে কোম্পানিটি। অথচ ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে আবার মুনাফা দেখানো হয়েছে।

  • আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন:

    • ২০২৪ সালে কোম্পানির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আবু আহমাদ কবির নিজেকে ‘ভারপ্রাপ্ত সিইও’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা বীমা আইন অনুযায়ী আইডিআরএ’র অনুমোদন ছাড়া অবৈধ।

    • বার্ষিক প্রতিবেদনে আবার মুহাম্মদ আসিফ শামসকে সরাসরি সিইও হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দ্ব্যর্থহীনভাবে আইনের লঙ্ঘন।

    • ১১ জন উদ্যোক্তা পরিচালক থাকলেও কোম্পানিতে মাত্র ২ জন স্বতন্ত্র পরিচালক রয়েছে, যেখানে বিএসইসির গভার্ন্যান্স কোড অনুযায়ী কমপক্ষে ২০% স্বতন্ত্র পরিচালক বাধ্যতামূলক।

  • শ্রম আইনের উপেক্ষা:
    শ্রমিকদের মুনাফার অংশ ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ডে (WPPF) জমা দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও কোম্পানি তা মানেনি। এটি শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৩৪ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর লঙ্ঘন বলে গণ্য করা হচ্ছে।

  • লাইফ ফান্ডে অস্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির পতন:
    ২০২৩ সালে লাইফ ফান্ডে ২৫.৪০% প্রবৃদ্ধি থাকলেও ২০২৪ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ৮.২৪%-এ। এ ছাড়া পরিশোধিত মূলধনের চেয়ে কম পরিমাণ এফডিআর (৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা) দেখানো হয়েছে, যা আইন পরিপন্থী।

  • কোম্পানির জবাব

    কোম্পানি সচিব জি এম রাশেদ স্বীকার করেন, “আগে থেকেই ভুল হয়ে আসছিল। এখন আমাদের নজরে এসেছে, ভবিষ্যতে পরিপালনের চেষ্টা করব।”
    স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে অনিয়ম নিয়েও তিনি বলেন, “এখানে আমাদের ব্যর্থতা এবং অবজ্ঞা স্বীকার করে নিচ্ছি।”

  • চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এখন বিনিয়োগকারীদের আস্থার বড় পরীক্ষায়। কোম্পানির ভেতরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইন পরিপালনের ঘাটতি পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে ভেঙে দিচ্ছে। সঠিক তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা ছাড়া এই ধরনের অনিয়ম বীমা খাত ও পুরো পুঁজিবাজারকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

    বিনিয়োগকারীরা জরুরী ভিত্তিতে বিএসইসি এবং আইডিআরএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।




গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারের বিমা খাতে তালিকাভুক্ত গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের এ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, সোমবার (৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটি পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ আগস্ট। এ জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ জুলাই।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৮ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.৩৮ টাকা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪.৫৪ টাকা।

এই করপোরেট ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেনে কোনো মূল্য সীমা থাকবে না।




এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানি এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গতকাল হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মাজাকাত হারুন।

সভায় কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম কায়ছার, স্বতন্ত্র পরিচালক আমির হামজা সরকার, সৈয়দ আল ফারুক, পলিসি হোল্ডার অ্যান্ড প্রোটেকশন কমিটির চেয়ারম্যান আসিফুর রহমান সহ সকল পরিচালক ও উল্লেখযোগ্য শেয়ারহোল্ডার স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কোম্পানির ২০২৪ সালের মুনাফা হতে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডারগণ কোম্পানির ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সমাপ্ত বছরের বার্ষিক হিসাব বিবরণ, পরিচালকবৃন্দের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষকের প্রতিবেদনের উপর বিভিন্ন প্রশ্ন, আলোকপাত এবং বক্তব্য রাখেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বদিউজ্জামান লস্কর প্রতিষ্ঠানের সার্বিক বিষয়ে তুলে ধরেন। সভায় সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ঘোষিত ৫ শতাংশ লভ্যাংশের পরিবর্তে গত বছরের ন্যায় ৭ শতাংশ লভ্যাংশ দাবি করেন।

এর আগে ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ১ টাকা ২৩ পয়সা আয় হয়েছে। আগের বছর শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৫১ পয়সা আয় হয়েছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৯ টাকা ২৯ পয়সা।

-বিজ্ঞপ্তি




মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির’ ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. নবীউল্লাহ এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় কোম্পানির উপদেষ্টা এম. কামাল উদ্দিন, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল হক, ভাইস-চেয়ারম্যান এ. এম. এরশাদ চৌধুরী (ভার্চুয়ালি), রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মন্নান মজুমদার, পরিচালক ড. মো. মিজানুর রহমান, পরিচালক নুরুল আজিম সানী (ভার্চুয়ালি), পরিচালক আহমেদ রেফায় আলিফ, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হাসান উদ্দিন সিকদার, স্বতন্ত্র পরিচালক ও NRC চেয়ারম্যান মো. সালাম ওবায়দুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ, স্ট্যাটিউটরি অডিটর, ফ্লুটিনাইজার অডিটর এবং মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ সহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভার আলোচ্যসূচি সমূহ শেয়ারহোল্ডারগণ কর্তৃক সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। এসময় কোম্পানির সকল শেয়ার হোল্ডারদের ২০২৪ সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।

-বিজ্ঞপ্তি




শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র ২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ডিজিটাল প্লাটফর্মে (অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান এ. কে. আজাদ।

এজিএম এ ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। এছাড়া সভায় ২০২৩ সালের সমাপ্ত বছরে শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের বিষয়টি অনুমোদিত হয়। সভায় ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান এ. কে. আজাদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানি সচিব মোঃ আবুল বাশার।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ, পরিচালকবৃন্দ মোঃ সানাউল্লাহ সাহিদ, মোঃ আব্দুল বারেক, আব্দুল হালিম, আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, খন্দকার শাকিব আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ তৌহিদুর রহমান, ফকির আখতারুজ্জামান, মোঃ মশিউর রহমান চমক, মিসেস তাহেরা ফারুক, মিসেস জেবুন নাহার, ফকির মাসরিকুজ্জামান, স্বতন্ত্র পরিচালক একরামুল হক, কে. এ. এম. মাজেদুর রহমান ও নাসির উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ, এস. এম. মঈনুদ্দীন চৌধুরী, মিঞা কামরুল হাসান চৌধুরী ও এম. আখতার হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ ইউ. আহমেদ ও এম. এম. সাইফুল ইসলাম, ব্যাংকের আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজীজ, ব্যাংকের বহিঃনিরীক্ষক হুদা ভাসী চৌধুরী এন্ড কোং এর প্রতিনিধি সাবরিনা মেহজাবিন, এফসিএ, ইন্ডিপেনডেন্ট স্ক্রুটিনাইজার জেসমিন এন্ড এ্যসোসিয়েটসের প্রতিনিধি জেসমিন আক্তার, এফসিএ, ব্যাংকের সিএফও মোঃ জাফর ছাদেক, এফসিএ এবং শেয়ার হোল্ডারগণ অনলাইনে উক্ত এজিএম এ অংশগ্রহণ করেন।




মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২৫তম এজিএম অনুষ্ঠিত

মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি’র ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের ব্যালেন্স শীট এবং ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম ও স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ কামরুল ইসলাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালী য্ক্তু ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান এ.এস.এম. ফিরোজ আলম, ভাইস চেয়ারম্যান ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ারুল হক, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন (হুমায়ুন), মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জ হাউজ (ইউকে) লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. আমানউল্লাহ, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ডঃ মোঃ রেজাউল কবির, মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. এ খান বেলাল, পরিচালকবৃন্দ মোঃ আব্দুল হান্নান, মোশাররফ হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ও উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার মোঃ শহিদুল আহসান। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান, সিএফও তাপস চন্দ্র পাল, পিএইচডি ও কোম্পানি সেক্রেটারি আবু আসগার জি. হারুনী, উদ্যোক্তাবৃন্দ ও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত ছিলেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান তাঁর বক্তব্যে ২০২৩ সালের অর্জিত সাফল্যকে ব্যাংকের প্রতি শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের আস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল রেগুলেটরি সংস্থার সহযোগিতা এবং পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি সেবার মান ও পরিধি এবং মানবসম্পদের দক্ষতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুষ্ঠু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার মাধ্যমে মার্কেন্টাইল ব্যাংক একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ কামরুল ইসলাম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালে ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম এবং ২০২৪ সালে ব্যাংকের ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে ‘স্মার্ট ব্যাংকিং’ নিশ্চিত করার জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং পণ্য ও সেবা উদ্ভাবনে আরও জোর দেওয়া হবে, যাতে করে নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা যায়।
উল্লেখ্য ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৯১ পয়সা এবং নীট অপারেটিং ক্যাশফ্লো হয়েছে ৪ টাকা ৮০ পয়সা।

উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাকির হোসাইন, আদিল রায়হান, শামীম আহম্মদ, মোঃ মাহমুদ আলম চৌধুরী এবং অসীম কুমার সাহা, এসইভিপি শাহ মোঃ সোহেল খুরশীদ ও মোহাম্মদ ইকবাল রেজওয়ান সহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।




ব্র্যাক ব্যাংকের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি’র শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ ২০২৩ সালের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড আকারে বণ্টিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এজিএম এ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে এজিএমে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালক আসিফ সালেহ, ফাহিমা চৌধুরী, ফারজানা আহমেদ, ডা. জাহিদ হোসেন, শামেরান আবেদ, ডা. মোস্তফা কে. মুজেরী, সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।

সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম আর. এফ. হোসেন শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান। কোম্পানি সচিব এম মাহবুবুর রহমান, এফসিএস এজিএম পরিচালনা করেন।

ব্যাংকটি ২০২৩ সালে সমন্বিতভাবে ৮২৮ কোটি টাকা কর-পরবর্তী মুনাফা অর্জন করে। এর ফলে ২০২২ সালের সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা ৬১৪ কোটি টাকার তুলনায় ২০২৩ সালে ৩৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। ২০২২ সালের তুলনায় ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে ২০২৩ সালে ব্র্যাক ব্যাংক এককভাবেই ৭৩০ কোটি টাকা মুনাফা করে, ২০২২ সালে যার পরিমাণ ছিল ৫৭৬ কোটি টাকা। সভায় ব্র্যাক ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের এসব বিষয়ে জানায়।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তাঁর বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁর তুলে ধরা বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ২০২৩ সালে ব্যাংকটির গ্রাহক আমানত ও ঋণে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি। তিনি শেয়ারহোল্ডার, রেগুলেটর, সহকর্মী এবং স্টেকহোল্ডারদের তাঁদের সমর্থন এবং অবিচল আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি ২০২৪ সালে ব্র্যাক ব্যাংক আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




প্রাইম ব্যাংকের এজিএমে ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত সভায় ৩১২ জন নিবন্ধিত শেয়ারহোল্ডারগণসহ স্টক এক্সচেন্জ ও অডিটরগণের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহন করেন।

লাইভ ট্রান্সমিশনকৃত এই সভায় ২০২৩ সালে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৭.৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ, আর্থিক বিবরণী, ডিরেক্টরস ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন, অবসরগ্রহনকারী পরিচালকগণের পুনঃনির্বাচন, স্বতন্ত্র পরিচালকগণের নিয়োগ/পুনঃনিয়োগ, এবং স্ট্যাটুইটরী ও কমপ্লায়েন্স অডিটরের পুনঃনিয়োগসহ ৬টি সাধারণ এজেন্ডা শেয়ারহোল্ডারগণ অনুমোদন করেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান তানজিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও কোম্পানি সেক্রেটারির মডারেশনে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের বিভিন্ন কমিটির সভাপতিগণসহ পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, চীফ ফিনান্সিয়াল অফিসারসহ ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তগণ অংশগ্রহন করেন।

সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছাড়া, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার উদ্দিন চৌধুরী এফসিএ, ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হাসান ও. রশীদ শেয়ারহোল্ডারগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেন্জ কমিশন ধারাবাহিকভাবে ৫ বছর “এ” ক্যাটাগরীতে থাকা লিস্টেড কোম্পানীদেরকেই কেবল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করেছেন।




সিটি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (৩০ মে) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার।

সভায় পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ১৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়

এসময় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ, পরিচালকবৃন্দ রুবেল আজিজ, হোসেন মেহমুদ, সৈয়দা শায়রীন আজিজ, সাভেরা এইচ মাহমুদ, রেবেকা ব্রোসন্যান, স্বতন্ত্র পরিচালকদ্বয় সেলিম মাহমুদ এমপি ও মতিউল ইসলাম নওশাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কাফি খান, পদস্থ কর্মকর্তাগণ ও বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার উক্ত এজিএম-এ অংশগ্রহণ করেন।

স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার ২০২৩ সালের ব্যাংকের ৬৩৮ কোটি টাকার সমন্বিত কর পরবর্তী মুনাফার প্রশংসা করে বলেন যে, তার আগের বছরের ৪৭৮ কোটি টাকা থেকে মুনাফার এই ৩৩.৫% প্রবৃদ্ধি সিটি ব্যাংকের শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সুশাসনের স্মারক।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের মোট চলতি ও সঞ্চয়ী আমানত বেড়ে ২০২৩-এর ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে মোট আমানতের ৫১ শতাংশে, যা ৪ বছর আগেও ছিল মাত্র ৩৬ শতাংশ। তিনি সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংক প্ল্যাটফর্ম সিটিটাচ-এর প্রবল জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে জানান, ২০২৩ সালে গ্রাহকেরা সিটিটাচ-এ ৬০,০০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করেছে যা চলতি বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়াবে।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ অনুযায়ী ব্যাংকের নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক বিবরণী এই সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারগণ ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর আলোচনা করেন।

সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরে তাদের উত্থাপিত নানা প্রশ্নের উত্তর দেন।




গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের এজিএম অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানি লিমিটেডের ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩১ মার্চ রোববার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান আবুল হাসান চৌধুরী। শেয়ারহোল্ডারদের অংশগ্রহণে ২০২৩ সালের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন পরিচালক পরিষদের প্রতিবেদন, স্থিতিপত্র, লাভ লোকসান হিসাব ও অডিট প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় শেয়ারহোল্ডাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা।

সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস প্রিমিয়াম ৪৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং নিট প্রিমিয়াম হয়েছে ১৮৮ কোটি ২০ লাখ টাকা। আগের বছর গ্রস প্রিমিয়াম ছিল ৪২২ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং নিট প্রিমিয়াম ছিল ১৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে অবলিখন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১০৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিলো ১০৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২৩ অর্র্থ বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফার বিগত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আলোচ্য বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে যথাক্রমে ৯৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং ৬০ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১০৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং ৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এদিকে শেয়ারহোল্ডার ইক্যুয়িটি ২০২২ সালে যেখানে ছিলো ৬৯০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা তা বেড়ে ২০২৩ সালে হয়েছে ৭৩৩ কোটি ১৮লাখ টাকা। ২০২৩ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫৯৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, যা ২০২২ সালে ছিল ১৪১১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির এমন ব্যবসায়িক অগ্রগতিতেও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস)কমেছে। শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বৃদ্ধি পেয়েছে । আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬.০৮ টাকায়, যা আগের বছর ছিল ৭.৩০ টাকা এবং এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭১.৪২ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৬৮.৯৬ টাকা। বছর সমাপান্তে ব্যবসায়িক এমন পরিসংখ্যানের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণসহ যাবতীয় আলোচ্যসূচি শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদিত হয়।




জিইএফ পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেল ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড গ্লোবাল ইকোনোমিস্ট ফোরাম ২০২৪ পারফরম্যান্স অ্যাওর্য়াড’ পেয়েছে।

রাজধানীর সিরডাফ অডিটোরিয়ামে গতকাল এক অনুষ্ঠানে বীমা খাতে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসাবে বেস্ট লাইফ ইনসিওরার হিসাবে পুরস্কার পান।

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতের সেনাবাহিনীর সাবেক মহাপরিচালক ও সিকিউরিটি উপদেষ্টা এবং গ্লোবাল ইকোনোমিস্ট ফোরাম সেন্ট্রাল কমিটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল ড. দিলওয়ার সিং এবং ব্রুনাই দারুস সালামের রাষ্ট্রদূত হাজী হারিস বিন হাজী ওসমান প্রমুখ।

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড দেশের একটি নেতৃস্থানীয় জীবন বীমাকারী প্রতিষ্ঠান। দেশের অধিকাংশ মানুষ সুদমুক্ত আয়ের মাধ্যমে বেঁচে থাকতে আগ্রহী। জয়েন্ট স্টক কোম্পানির সাথে নিবন্ধিত কোম্পানিটি ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড হিসাবে গঠিত এবং যা সারিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত হয় এবং দেশের বিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদের নিয়ে একটি শারিয়া কাউন্সিল গঠিত হয়েছে। ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড প্রধানত দেশের কয়েকজন উৎসাহী উদ্যোক্তার উদ্যোগে বিভিন্ন পেশায় বাংলাদেশি নাগরিকদের জীবন বীমা কভারেজের আওতায় আনার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. আতাউর রহমান ভূঁইয়া কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো গিয়াস উদ্দিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কোম্পানির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বাজারের খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড দ্রুত, সততা, নিষ্ঠার সাথে দেশকে সেবা প্রদান করে আসছে। কোম্পানির দাবি নিষ্পত্তি তার ব্যবসার সাফল্যের চাবিকাঠি। গ্লোবাল ইকোনমিস্ট ফোরামের জুরি বোর্ড কোম্পানিটিকে বাংলাদেশের সেরা জীবন বীমাকারী হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে।




সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্সের এজিএমে ১৩.৫০% লভ্যাংশ অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের চতুর্থ প্রজন্মের সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩১ মার্চ রোববার হাইব্রিড পদ্ধতিতে সেনা গৌরব হল এসকেএস টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. হাবিব উল্লাহ এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউ, পিএসসি, এমফিল। শেয়ারহোল্ডারদের অংশগ্রহণে ২০২৩ সালের জন্য ১৩.৫০% শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন পরিচালক পরিষদের প্রতিবেদন, স্থিতিপত্র, লাভ লোকসান হিসাব ও অডিট প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিক শামীম, পিএসসি (অব.)সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। অংশগ্রহণকারী বিনিয়োগকারীবৃন্দ কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আগামিতে লভ্যাংশ বৃদ্ধি পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করে কোম্পানির ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন। সভা সঞ্চালনা করেন কোম্পানি সচিব সাজেদুল ইসলাম এফসিএস। মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিক শামীম (অব.) বলেন, অতি সম্প্রতি সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স উদিয়মান শ্রেষ্ঠ নন-লাইফ কোম্পানি হিসেবে (আরটিভি বীমা এওয়ার্ড-২০২৩) লাভ করেছে। এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে মূলত দুটি মুখ্য কারণে একটি হলো জনকল্যানমুলক পরিকল্পনা গ্রহন এবং অন্যটি হলো কম্পøায়েন্স নিশ্চিত করা। যদি আমরা এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতে পারি তবে খুব শীঘ্রই আমরা ননÑলাইফ সেক্টরে সেরা কোম্পানি হতে পারবো ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কৃষি ও গবাদি বীমা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান। চতুর্থ প্রজন্মের উদীয়মান সেরা কোম্পানির ঈর্ষণীয় সাফল্যে বিস্মিত বিনিয়োগকারীরা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস প্রিমিয়াম ৯৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং নিট প্রিমিয়াম হয়েছে ৪২ কোটি ৯ লাখ টাকা। আগের বছর গ্রস প্রিমিয়াম ছিল ৮০ কোটি ৬ লাখ টাকা, নিট প্রিমিয়াম ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে অবলিখন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা যা আগের বছর ছিলো ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। যার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯.২৩ শতাংশ। ২০২৩ অর্র্থ বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফার বিগত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে । আলোচ্য বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে যথাক্রমে ১৫ কোটি ২ লাখ টাকা এবং ১৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং ১১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এদিকে শেয়ারহোল্ডার ইক্যুয়িটি ২০২২ সালে যেখানে ছিলো ৮০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা তা বেড়ে ২০২৩ সালে হয়েছে ৮৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ২০২৩ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬০ কোটি ৫ লাখ টাকা, যা ২০২২ সালে ছিল ১৪৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা টাকা।

সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির এমন ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বৃদ্ধি পেয়েছে। আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩.৪২ টাকায়, যা আগের বছর ছিল ২.৮৬ টাকা এবং এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪৩ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২০ টাকা ১৭ পয়সা। বছর সমাপান্তে ব্যবসায়িক এমন পরিসংখ্যানের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৩.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণসহ যাবতীয় আলোচ্যসূচি শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদিত হয়।




ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএমে অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির লিমিটেডের ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩১ মার্চ রোববার হাইব্রিড পদ্ধতিতে ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (মাহিন)। শেয়ারহোল্ডারদের অংশগ্রহণে ২০২৩ সালের জন্য ১০% স্টক ও ৭% শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন পরিচালক পরিষদের প্রতিবেদন, স্থিতিপত্র, লাভ লোকসান হিসাব ও অডিট প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। অংশগ্রহণকারী বিনিয়োগকারীবৃন্দ কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আগামিতে লভ্যাংশ আরো বাড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা করে কোম্পানির ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস প্রিমিয়াম ৭১ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং নিট প্রিমিয়াম হয়েছে ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আগের বছর গ্রস প্রিমিয়াম ছিল ৬৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, নিট প্রিমিয়াম ৪৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে অবলিখন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ২২ লাখ টাকা যা আগের বছর ছিলো ১৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। যার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.৪৯। ২০২৩ অর্র্থ বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফার বিগত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে । আলোচ্য বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে যথাক্রমে ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ১২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৩ কোটি ২ লাখ টাকা এবং ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এদিকে শেয়ারহোল্ডার ইক্যুয়িটি ২০২২ সালে যেখানে ছিলো ৯৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা তা বেড়ে ২০২৩ সালে হয়েছে ১০৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ২০২৩ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা টাকা।

সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির এমন ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বৃদ্ধি পেয়েছে। আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩.০৫ টাকায়, যা আগের বছর ছিল ২.৭২ টাকা এবং এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫.৮৭ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৪.৩১ টাকা। বছর সমাপান্তে ব্যবসায়িক এমন পরিসংখ্যানের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০%স্টক ও ৭% শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণসহ যাবতীয় আলোচ্যসূচি শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদিত হয়।




শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন করেছেন এডিএন টেলিকমের উদ্যোক্তা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এডিএন টেলিকম লিমিটেডের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী সরকার শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন করেছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী সরকারের কাছে থাকা শেয়ারের মধ্যে ৮ লাখ ৫২ হাজার ৫০০টি শেয়ার তার স্ত্রী শাফিয়া আশরাফিকে (সাধারণ শেয়ারহোল্ডার) উপহার দিয়েছেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি শেয়ার হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছিল কোম্পানির এ উদ্যোক্তা।




শেয়ার কিনবে এ্যাপেক্স ফুটওয়ারের পরিচালক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এ্যাপেক্স ফুটওয়ার লিমিটেডের উদ্যোক্তা পরিচালক সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী কোম্পানিটির ১১ হাজার শেয়ার কিনবে।

আগামী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে ডিএসইর পাবলিক মার্কেটের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারদরে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার কিনতে পারবে এই পরিচালক।




বেস্ট হোল্ডিংসের লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সম্পন্ন করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, পুঁজিবাজারে কোম্পানিটি ‘এন’ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে “BESTHLDNG”। আর কোম্পানি কোড ২৯০০৫। কোম্পানিটি ‘ভ্রমন ও অবকাশ’খাতে যুক্ত হবে।

এর আগে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাতে গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বেস্ট হোল্ডিংস প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা গ্রহণ করে। কোম্পানিটির শেয়ারের ভিত্তিমূল্য ছিলো ৩৫ টাকা।




ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স লিমিটেডের ৫৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারের সচিব ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ এনডিসি।

এসময় কোম্পানির পরিচালক খালিদ আহম্মেদ, অনুপম বড়ুয়া, মুহম্মদ আশরাফ হোসেন, ইন্ডিপেনডেন্ট পরিচালক অ্যাডভোকেট মুন্সী গোলাম মোস্তফা ও মোঃ কামরুল হাসান, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নুসরাত সুলতানা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম, সিএফও মোঃ রেজাউল করিম সিদ্দিক, কোম্পানি সচিব আবু মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং বিপিসি ও কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ ৩০ জুন ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত বছরের কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব ও পরিচালকমন্ডলীর প্রতিবেদনের উপর অনলাইনে মতামত পেশ করেন এবং কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স লিমিটেড-এর পর্ষদ চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ এনডিসি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্ন ও মন্তব্যের উত্তর দেন। সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের পর শেয়ারহোল্ডারগণ কর্তৃক ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রতি শেয়ারে ৬০% নগদ এবং ১০% স্টক ডিভিডেন্ড অর্থাৎ সর্বমোট ৭০% লভ্যাংশ অনুমোদন প্রদান করা হয়।




নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৩% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় শেয়ারহোল্ডারগন ৩০ জুন, ২০২৩ সমাপ্ত বছরের জন্য ১৩% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ জোনায়েদ শফিক ও অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, কোম্পানির অডিটর ও ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেয়ারহোল্ডারগণ ২০২২-২০২৩ সমাপ্ত বছরে ১৩% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত এবং ধারাবাহিকভাবে ভাল লভ্যাংশ প্রদানের জন্য কোম্পানির প্রশংসা করেন। তাছারা শেয়ারহোল্ডারগণ বিক্রয় রাজস্ব, নিট মুনাফা এবং ইপিএসের টেকসই বৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।




রংপুর ডেইরির লভ্যাংশ অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রংপুর ডেইরি এন্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ ৩০ জুন ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে।

সভাটি বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) ডিজিটাল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান রুমানা কবির, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. কবির এবং অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ।




আইসিবি’র লভ্যাংশ অনুমোদন

ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ৪৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা শনিবার (২৩ ডিসেম্বর)অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ৩০ জুন ২০২৩ এর সমাপ্ত ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারগণের জন্য ২.৫% ক্যাশ এবং ২.৫% স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

আইসিবি’র পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবুল হোসেন এবং পরিচালনা বোর্ডের অন্যান্য পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।




একমি ল্যাবরেটরিজের ৩৩ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ৪৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত এ সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ ২০২২-২০২৩ আর্থিক বছরের জন্য ৩৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছেন।

কোম্পানির চেয়ারম্যান নাগিনা আফজাল সিন্হা সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিন্হা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাবিলুর রহমান সিন্হা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহানারা মিজান সিন্হা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসনিম সিন্হা, পরিচালক তানভীর সিন্হা, পরিচালক সাবরিনা জুনেদ, পরিচালক ফাহিম সিন্হা, স্বতন্ত্র পরিচালক দাস দেবা প্রসাদ, স্বতন্ত্র পরিচালক এহসান উল ফাত্তাহ, মনোনীত পরিচালক মো. আবুল হোসেন, অতিরিক্ত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং হেড অব ইন্টারনাল অডিট এন্ড কমপ্লায়েন্স মো. হাসিবুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক এবং প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কাজী মোহাম্মদ বদরুদ্দিন, এফসিএ, এফসিএমএ এবং ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী সচিব মো. আরশাদুল কবির, এফসিএ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণ যোগদান করেন।

সভায় কোম্পানির ২০২২-২০২৩ আর্থিক বছরের উল্লেখযোগ্য সকল কার্যক্রম, বার্ষিক প্রতিবেদন, পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন, নিরীক্ষা প্রতিবেদন, আর্থিক প্রতিবেদন, ৩৩% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, পরিচালকগণের অবসর ও পুনঃনিয়োগ, স্বতন্ত্র পরিচালকগনের-নিয়োগ/পুনঃনিয়োগ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ, নিরীক্ষক নিয়োগ ও সম্মানী নির্ধারণ, কমপ্লায়েন্স নিরীক্ষক নিয়োগ ও সম্মানী নির্ধারণ এবং সর্বোপরি ভবিষ্যতের উল্লেখযোগ্য কর্মপরিকল্পনা সমূহ শেয়ারহোল্ডারদের নিকট উপস্থাপিত এবং অনুমোদিত হয়।

 

 

 




৩২ কোম্পানির এজিএমের তারিখ প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩২টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিগুলোর এজিএম মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

রানার অটোমোবাইলস: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

রংপুর ডেইরি: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৫ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

শমরিতা হসপিটাল: কোম্পানির এজিএম আগামী ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড দেবে।

শাশা ডেনিম: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

সোনালী পেপার: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৪০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

স্টাইলক্রাফট: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৫ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

উসমানিয়া গ্লাস: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

ইনফর্মেশন সার্ভিসেস: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে ।

জেএমআই সিরিঞ্জস: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২১ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে ।

কে এন্ড কিউ: কোম্পানির এজিএম আগামী ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৩ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

লিবরা ইনফিউশন: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২১ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৩০ শতাংশ (স্বাধারণ বিনিয়োগকারীদের) নগদ এবং ৫০ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড দেবে।

মেট্রো স্পিনিং: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

এম.এল ডাইং: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ২ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

অগ্নি সিস্টেমস: কোম্পানির এজিএম আগামী ১৯ ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৪.৭৫ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

বসুন্ধরা পেপার: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১১ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

বিডিকম অনলাইন: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

ক্রাউন সিমেন্ট: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

বাংলাদেশ সার্ভিসেস: কোম্পানির এজিএম আগামী ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

বেঙ্গল বিস্কুট: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৫ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

দুলামিয়া কটন স্পিনিং: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

ফার ক্যামিক্যাল: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনোডিভিডেন্ড দেবে না।

ফু-ওয়াং ফুড: কোম্পানির এজিএম আগামী ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ০.৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। যা চূড়ান্ত ডিভিডেন্ড হিসেবে বিবেচিত হবে।

মীর আক্তার: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ১২.৫০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

এমজেএল বিডি: কোম্পানির এজিএম আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৫০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

ন্যাশনাল ব্যাংক: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৬০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড দেবে।

অলিম্পিক এক্সেসরিজ: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

আর. এন. স্পিনিং: কোম্পানির এজিএম আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।

জেমিনি সি ফুড: কোম্পানির এজিএম আগামী ২৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন,২০২৩ তারিখের সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না।




আজিজ পাইপসের এজিএমের তারিখ পরিবর্তন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আজিজ পাইপসের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটি অনিবারয কারণে এজিএমের তারিখ পরিবর্তন করেছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটির এজিএম ২৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে আগামী ৩১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া এজিএমের অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।




দেশ গার্মেন্টসের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড এর ৪৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা ১৪ই ডিসেম্বর ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশ গ্রহণ করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মিসেস রোকেয়া কাদের, ব্যবস্থাপনা পরিচালক  ওমর কাদের খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসেস ভিদিয়া অমৃত খান, স্বতন্ত্র পরিচালক  আবদুল-মুয়ীদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার সাজেদ আহাম্মদ সামী, নাজমুল হুদা মল্লিক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবং বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মিসেস রোকেয়া কাদের এবং সভা পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব জনাব ড. কে. মৌলিক ।

বিশদ আলোচনার পর ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অংশ গ্রহণ করে শেয়ারহোল্ডারগণ কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে সকল শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩% ক্যাশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন করেন। ৩০শে জুন, ২০২৩ ইং সালে সমাপ্ত অর্থ বছরের নিরীক্ষিত হিসাব, পরিচালক বৃন্দের প্রতিবেদন এবং নিরীক্ষকদের প্রতিবেদন গৃহীত হয়। মিসেস রোকেয়া কাদেরকে পরিচালক পদে পুনঃনিয়োগ করা হয় এবং  সাজেদ আহাম্মদ সামীকে পরবর্তী টার্মের জন্য স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করা হয়। মেসার্স শফিক বসাক এন্ড কোঃ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের জন্য অডিটর নিয়োগ করা হয়। কর্পোরেট গভর্ণনেন্স গাইডলাইন সনদ প্রদানের জন্য জেসমিন এন্ড অ্যাসোসিয়েটস্, চার্টার্ড সেক্রেটারিজকে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের জন্য নিয়োগ ও পারিতোষিক নির্ধারণ করা হয়।

পরিশেষে সভার সভাপতি সকলকে ভার্চুয়াল প্লাটফরমে অংশ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।




বেনাপোলে ৪ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৩২৮ কোটি টাকা

ডলার সংকটে এলসি খোলায় নানান ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। ফলে কমেছে পণ্য আমদানি। দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টম হাউজেও কমেছে আমদানি বাণিজ্য। এতে ধস নেমেছে রাজস্ব আদায়ে। গত চার মাসেই ৩২৮ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি দেখা দিয়েছে এ বন্দরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ ছাড়াও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ এবং কাস্টম কর্তৃপক্ষের হয়রানি এ বন্দরে আমদানি কমার কারণ। তারা আরও বলেন, কয়েক বছর ধরেই এ অবস্থা চললেও কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়নি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাস্টম কর্তৃপক্ষ বর্তমানে অতীতের তুলনায় কড়াকড়ি করছে অনেক বেশি। নিত্যনতুন হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া কর্তৃপক্ষের মনমতো এইচএস কোড (পণ্য শনাক্তকরণ ও ট্যাক্স নির্ধারণ কোড) পরিবর্তনের কারণে আর্থিক ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা অন্য বন্দরে ঝুঁকছেন। কতিপয় কর্মকর্তার অনিয়ম ও হয়রানির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সরকারের রাজস্ব আয় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে কাস্টম কর্তৃপক্ষ বলছে, শুল্ক ফাঁকি রোধে কড়াকড়ি আরোপ করায় রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের বৈধ সুবিধাগুলো বাড়াতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং করপোরেশনের অধীনে বেনাপোল দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০২ সালে মর্যাদা পায় স্থলবন্দরের। বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সরকারের বড় অঙ্কের রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একসময় মোটর পার্টস, ফেব্রিকস, আয়রন, স্টিল, মোটরগাড়ি, ফল আমদানিতে মুখর থাকতো বেনাপোল স্থলবন্দর। কিন্তু এখন এসব আমদানিকারকের আনাগোনা নেই এ বন্দরে। এতে কমেছে আমদানি, কমেছে রাজস্ব আয়ও।

আমদানিকারকরা অভিযোগ করেন, ডকুমেন্ট ঠিক মতো সাবমিট করছেন তারা। এরপরও এইচএস কোড ও আমদানি মূল্য নিয়ে প্রতিনিয়ত জটিলতা তৈরি করছে কাস্টম কর্তৃপক্ষ। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি মাছ ও ফলমূলের মতো উচ্চ পচনশীল পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। আগে আপেল আমদানিতে শুল্ক ছিল ৬১.৬৫ টাকা, যা চলতি অর্থবছর দাঁড়িয়েছে ৮৯.২২ টাকা। তাদের মতে, এসব কারণে আমদানি কমেছে।

চলতি অর্থবছর এ কাস্টম হাউজে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ছয় হাজার ২৩৮ কোটি টাকা। প্রতি মাসে গড় লক্ষ্যমাত্রা ৫১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে (জুলাই-অক্টোবর) চার মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে এক হাজার ৭৫১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চারমাসে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩২৮ কোটি টাকা।

এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮০ কোটি টাকা কম হয়।

এ নিয়ে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী জুয়েল রানা বলেন, ভারতের নাসিক থেকে আসা আপেলসহ অন্য উচ্চ পচনশীল পণ্যের চালান আসতে প্রায় তিনদিন লাগে। ফলে অধিকাংশ কার্টনেই ২-৫ কেজি ফল পচে যায়। কিন্তু কাস্টম কর্তৃপক্ষকে এ পচামালেরও রাজস্ব দিতে হয়, যা আগে ছিল না। এ ধরনের পচনশীল পণ্যের রাজস্ব আদায় করায় অধিকাংশ আমদানিকারক বেনাপোল বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ও বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান বলেন, রাজস্ব আদায়ে সবচেয়ে বড় ধসের কারণ হলো কাস্টম হাউজে অতিরিক্ত হয়রানি। কাস্টম হাউজে ডকুমেন্ট সাবমিট করার পর নিচের অফিসারদের অতিরিক্ত হয়রানির কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ঘোষণা ঠিক থাকলেও পণ্যের এইচএস কোড, ভ্যালু ও টেস্ট করা নিয়ে জটিলতায় পড়তে হয়। মনে হয় আমদানিকারকরা আমদানি করে যেন দায়ে পড়েছেন। বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব ঘাটতির এটাই মূল কারণ।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের যুগ্ম কমিশনার মো. শাফায়েত হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ে মূলত ঘাটতি হয়েছে উচ্চশুল্কের পণ্য আমদানি কমে যাওয়ায়। বিশেষ করে মোটরগাড়ি ও মোটর পার্টস থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। আপেল আমদানিতে ২৪ কোটি ও ফেব্রিকস আমদানিতে ২১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। মোট ৩২৮ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি রয়েছে। ব্যবসায়ীদের বৈধ সুবিধা বাড়াতে কাস্টম কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করছে।




মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশের ৫ ধাপ উন্নতি

অর্থপাচার বা মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে। ব্যাসেল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং (এএমএল) ইনডেক্স- ২০২৩ রিপোর্টে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার (২০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ পাঁচটি দেশকে পেছনে ফেলে র‌্যাংকিং এর ৪১ নম্বর দেশ থেকে ৪৬ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। ওই সূচক মোতাবেক সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে রয়েছে হাইতি (১), চাদ (২), মিয়ানমার (৩), কঙ্গো (৪) এবং সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলো আইসল্যান্ড (১৫২)।

অবশ্য এই সূচকে ২০২২ সালেও ২০২১ সালের তুলনায় আট ধাপ উন্নতি করেছিল বাংলাদেশ।

এই তালিকায় চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে ২৭, ১১৯ ও ১৪০তম অবস্থানে রয়েছে।

সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভার্নেন্স বিশ্বের ১৫২টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণ করে গত ১৩ নভেম্বর এই ইনডেক্স প্রকাশ করে। ২০২২ সালের তথ্যের ওপর এটি তৈরি করা হয়েছে।

রিপোর্টে বাংলাদেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সূচকে উন্নয়নের কারণ হিসেবে আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কাঠামোর মানোন্নয়নের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আন্তঃসংস্থার কাজের সমন্বয়, আর্থিক খাতে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের পর্যাপ্ত লোকবল ও অর্থের সংস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এপিজি’র মিউচ্যুয়াল ইভালুয়েশন রিপোর্ট মোতাবেক বাংলাদেশ এফএটিএফ এর ৪০টি সুপারিশের সবকটিই বাস্তবায়ন করেছে।

উল্লেখ্য, দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভার্নেন্স গত ১২ বছর ধরে কোনও একটি দেশের যে পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ব্যাসেল এএমএল ইনডেক্স নির্ধারণ করে থাকে সেগুলো হলো— মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিপালন (৬৫%); ঘুষ ও দুর্নীতি (১০%); আর্থিক স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড (১০%); স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (৫%); এবং আইনগত ও রাজনৈতিক ঝুঁকি (১০%)।




বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ডিবিএর ১৫ পরিচালক

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুঁজিবাজারে স্টক ব্রোকারদের একমাত্র সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) ১৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

তারা আগামী দুই বছর পরিচালক হিসেবে সংগঠনটির দায়িত্ব পালন করবেন। ডিবিএর অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিবিএর তথ‍্য মতে, মঙ্গলবার ডিবিএ নির্বাচন বোর্ড পরিচালক পদের জন্য ১৫ জন প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে, যারা অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন এজিএমে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্ষদের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

এর আগে নির্বাচন বোর্ড ১৫ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। ৩১ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোনো প্রার্থী তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় বিধি মোতাবেক নির্বাচন বোর্ড ১৫ পদের বিপরীতে ১৫ জন প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

নির্বাচিত ১৫ জন পরিচালক হলেন— ব্রাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম, স্যার সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ আতাউর রহমান, আদিল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দস্তগীর মো. আদিল, এরিস সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুল হক, রেমন্স ইনভেস্টমেন্ট এন্ড সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মো. মফিজুদ্দিন, কে-সিকিউরিটিজ এন্ড কনসালটেন্টস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিল আফরোজা কামাল, সাবভেলী সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব-ই-ইলাহী, আইডিএলসি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুদ্দিন, ইমিনেন্ট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর হায়দার খাঁন, আলী সিকিউরিটিজ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন আকবর, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজের সিইও সুমন দাস, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, এনএলআই সিকিউরিটিজের সিইও মো. শাহেদ ইমরান, নিউ এরা সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর. ওয়াই. শমসের ও এবি এন্ড কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাফিউজ্জামান বোখারী।




আইসিএসবি পুরস্কার পেল ৪৩ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

করপোরেট সুশাসনে উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ ৪৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)। শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কোম্পানিকে ১৪ ক্যাটাগরি বা শ্রেণিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

আইসিএসবি এ বছর দশমবারের মতো পুরস্কারটি দিয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং শ্রেণিতে ইস্টার্ণ ব্যাংক স্বর্ণপদক এবং ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক রৌপ্য ও ব্র্যাক ব্যাংক ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক স্বর্ণপদক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক রৌপ্য ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ব্রোঞ্জপদক পায়।

ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান শ্রেণিতে আইডিএলসি ফাইন্যান্স স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স রৌপ্য এবং ডিবিএইচ ফাইন্যান্স ও ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে।

সাধারণ বিমা ক্যাটাগরিতে সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স স্বর্ণ এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স রৌপ্য ও পিপলস ইনস্যুরেন্স ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। জীবনবিমা শ্রেণিতে ন্যাশনাল লাইফ স্বর্ণপদক ও প্রগতি লাইফ রৌপ্যপদক পেয়েছে।

ফার্মাসিউটিক্যালস ও কেমিক্যাল শ্রেণিতে বেক্সিমকো ফার্মা স্বর্ণ, স্কয়ার ফার্মা রৌপ্য এবং রেনাটা লিমিটেড ও নাভানা ফার্মা যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে।

বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শ্রেণিতে মতিন স্পিনিং স্বর্ণ, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল রৌপ্য ও হুয়া ওয়েল টেক্সটাইলস ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। ফুড ও অ্যালায়েড ক্যাটাগরিতে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার স্বর্ণ, গোল্ডেন হার্ভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ব্রোঞ্জপদক পায়।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি শ্রেণিতে এডিএন টেলিকম স্বর্ণ, আমরা টেকনোলজিস রৌপ্য আইটি কনসালট্যান্টস ও ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। প্রকৌশল ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ স্বর্ণ, রানার অটোমোবাইলস রৌপ্য ও সিঙ্গার বাংলাদেশ ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে।

ম্যানুফ্যাকচারিং ক্যাটাগরিতে আরএকে সিরামিকস স্বর্ণ, ম্যারিকো বাংলাদেশ রৌপ্য ও লাফার্জ হোলসিম ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। ফুয়েল অ্যান্ড পাওয়ার ক্যাটাগরিতে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি স্বর্ণ, লিন্ডে বাংলাদেশ রৌপ্য এবং ডোরিন পাওয়ার ও এমজেএল বাংলাদেশ যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে।
সেবা ক্যাটাগরিতে ইস্টার্ন হাউজিং স্বর্ণ, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস রৌপ্য ও ইনডেক্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ শ্রেণিতে রবি আজিয়াটা স্বর্ণ ও বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানি রৌপ্যপদক পেয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি অনলাইনে যুক্ত হন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ভালো জায়গা। দেশের করপোরেট খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ফলে বিনিয়োগ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া আমাদের বেসরকারি খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।’

বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য কীভাবে ঠিক রাখা যায়, তা নিয়ে কাজ করতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৫০ শতাংশের ওপর রপ্তানি হয়ে থাকে। এসব বাজারে রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আইসিএসবির সভাপতি মো. আসাদুল্লাহ বলেন, ‘বর্তমান সরকার যদি ২০১০ সালে চার্টার্ড সেক্রেটারিয়েট আইন প্রণয়ন না করত, তাহলে এই সংস্থা কিংবা এই পেশা এত দূর আসতে পারত না। সরকার এবারের আয়কর আইনে এই পেশাকে নতুন করে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরাও বাংলাদেশে এই পেশার যাত্রাকে আরও বেগবান করার জন্য নানামুখী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। আজকের এই আয়োজন তারই একটা অংশ।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাপিটাল মার্কেট স্টেবিলাইজেশন ফান্ডের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, ইস্টার্ণ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখার, শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, সিটি ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান হোসাইন আক্তার ও আইসিএসবির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নুরুল আলম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার মিজানুর রহমান প্রমুখ।




স্পট মার্কেটে শেয়ার লেনদেন করবে ফিনিক্স ফাইন্যান্স

রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল ও ১১ অক্টোবর স্পট মার্কেটে শেয়ার লেনদেন করবে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। রেকর্ড ডেটের কারণে আগামী ১২ অক্টোবর এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরে ৬ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ৩৬ পয়সা। আগের অর্থবছরে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা।

 

৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৯ টাকা ১৮ পয়সা।

আগামী ৭ ডিসেম্বর কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।




অপরাধ করিনি, শঙ্কিত কেন হবো:  ড. ইউনূস

অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় দুদকের তলবে হাজির হয়েছেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে বের হন তিনি। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, কোনো অপরাধ করিনি, শঙ্কিত হবো কেন। দুদক আমাকে ডেকেছে তাই এসেছি।

এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আইনজীবী এবং গ্রামীণ টেলিকমের দুই কর্মকর্তাসহ দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হন ড. ইউনূস। কার্যালয় থেকে বের হওয়ার তাকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সেই বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চান। প্রথমে তিনি কথা বলতে রাজি হচ্ছিলেন না। পরে সাংবাদিকদের অনুরোধে ড. ইউনূস বলেন, আমাকে ডেকেছে তাই এসেছি। এটা যেহেতু আইনের বিষয়, এ ব্যাপারে যা বলার তা আইনজীবী বলে দিয়েছেন। আমার কোনো মন্তব্য নেই।

তিনি আরও বলেন, অপরাধ করিনি। তাই শঙ্কিত হওয়ার কারণও নেই। শঙ্কিত হবো কেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তার বেশি কিছু বলার নেই।

গত ৩০ মে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনকে আসামি করে মামলাটি করে দুদক। মামলায় ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার।

পরবর্তীতে উপযুক্ত বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার জন্য ড. ইউনূসকে তলব করে দুদক। আজ ৫ অক্টোবর তাকে সশরীরে দুদকে হাজির হতে বলা হয়।

২৭ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্যদসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাত ও মানিলন্ডারিং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আপনার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য ৫ অক্টোবর সাড়ে ১২টায় দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানানো হলো।

মঙ্গলবার ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ৪ অক্টোবর ও ৫ অক্টোবর ড. ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের ৭ জনকে তলব করা হয়েছিল। এই তালিকায় রয়েছেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী।




বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ পেনিনসুলার

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দ্য পেনিনসুলার বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ১২ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৩টায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সভায় ৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।




এজিএমের নতুন তারিখ নির্ধারণ ন্যাশনাল ব্যাংকের

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ব্যাংকের এজিএমের (বার্ষিক সাধারণ সভা) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকটির স্থগিত হওয়া ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য গত ২৬ জুলাই ৪০তম এজিএম করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু অনিবার্য কারণে এজিএম স্থগিত করা হলে পুনরায় সভার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আলোচ্য বাংকটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।




বিপণন কোম্পানির জন্য ডিজেল-পেট্রোলের নতুন দাম নির্ধারণ

জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের নতুন মূল্য কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (২ অক্টোবর) রাত ১২টার পর থেকেই এ মূল্য কার্যকরের বিষয়টি গেজেটে উল্লেখ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। জ্বালানি তেল বিক্রেতাদের কমিশন সমন্বয় করতে নতুন এ আদেশ বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) তার অধীনস্থ কোম্পানিগুলোকে নতুন দরে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে বলেছে। মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক) প্রতি লিটার ডিজেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৯ টাকা। কেরোসিন মূসকসহ ১০১ টাকা ৪৪ পয়সা, মূসকসহ অকটেনের মূল্য ১১৯ টাকা ৬২ পয়সা এবং মূসকসহ পেট্রোল ১১৪ টাকা ৮৬ পয়সা করা হয়েছে।

বর্তমানে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিন লিটার প্রতি ১০৯ টাকা, পেট্রোল ১২৫ টাকা এবং অকটেন ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিজেলের নতুন মূল্য কাঠামোতে বলা হয়েছে, প্রকৃত মূল্য ৮৮ টাকা ২১ পয়সার সঙ্গে মূসক ১৩ টাকা ২৩ পয়সা যোগ করে এক্স-রিফাইনারি মূল্য ১০১ টাকা ৪৪ পয়সা। ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূসক ২ টাকা ১৪ পয়সা, বিপণন কোম্পানির মার্জিন ৫০ পয়সা, পরিবহন ভাড়ার তহবিল হিসেব ৯০ পয়সা, বিপিসির জ্বালানি তেল খাত উন্নয়ন তহবিল ১০ পয়সা মিলে স্থাপনা মূল্যকেন্দ্র মূল্য ১০৫ টাকা ০৮ পয়সা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ডিলারদের স্থানীয় পরিবহন খরচ (৪০ কিলোমিটারের মধ্যে) ৯৩ পয়সা, ডিলার ও এজেন্ট কমিশন ২ টাকা ৯৯ পয়সা। সব মিলিয়ে বিক্রি হবে ১০৯ টাকায়।

অন্যদিকে, কেরোসিনে মূসক ১৩ টাকা ৩৪ পয়সা, পেট্রোলে ১৪ টাকা ৯৮ পয়সা এবং অকটেনে ১৫ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 




৯২ শতাংশ মুনাফা বেড়েছে ইউনিক হোটেলের

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের মুনাফা ৯২ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভায় বিনিয়োগকারীদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণার পাশাপাশি সর্বশেষ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৪২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৩৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৮ টাকা ৫১ পয়সায়।

এদিকে কোম্পানিটির ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৩ অক্টোবর।

২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৮৪ টাকা ৭৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৮১ টাকা ২৭ পয়সা।

২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ইউনিক হোটেল। আগের হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের জন্য ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৯৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৯ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে ৪৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ২৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৪৪ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

ডিএসইতে গতকাল ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৬৮ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ার ৫৫ টাকা ২০ থেকে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।