অনিয়মে জর্জরিত চার্টার্ড লাইফের এজিএম পণ্ড

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি—পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের চতুর্থ প্রজন্মের এই কোম্পানি এখন নীতিমাল লঙ্ঘন আর অনিয়মে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। এর প্রেক্ষিতে আজ কোম্পানীর ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের তীব্র ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও বিশৃঙ্খলার মুখে শেষ পর্যন্ত পণ্ড হয়ে গেছে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, কোম্পানিটির বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে রয়েছে একের পর এক অনিয়ম, স্বচ্ছতার অভাব ও আইনের লঙ্ঘন। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা কোনো আলোচনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন আর বিনিয়োগকারীদের অভিযোগগুলো:

  • বার্ষিক প্রতিবেদনে অসঙ্গতি:
    ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরজুড়ে প্রথম তিন প্রান্তিকে আয় বাড়লেও শেষ প্রান্তিকে কৃত্রিমভাবে লোকসান দেখিয়ে শেয়ারপ্রতি ১১ পয়সা লোকসান দেখানো হয়েছে। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১৬ পয়সা।

  • লভ্যাংশ বঞ্চনার অভিযোগ:
    বিনিয়োগকারীদের দাবি, বছরের শেষ প্রান্তিকে কৃত্রিম লোকসান দেখিয়ে ২০২৪ সালের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার পথ তৈরি করেছে কোম্পানিটি। অথচ ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে আবার মুনাফা দেখানো হয়েছে।

  • আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন:

    • ২০২৪ সালে কোম্পানির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আবু আহমাদ কবির নিজেকে ‘ভারপ্রাপ্ত সিইও’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা বীমা আইন অনুযায়ী আইডিআরএ’র অনুমোদন ছাড়া অবৈধ।

    • বার্ষিক প্রতিবেদনে আবার মুহাম্মদ আসিফ শামসকে সরাসরি সিইও হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দ্ব্যর্থহীনভাবে আইনের লঙ্ঘন।

    • ১১ জন উদ্যোক্তা পরিচালক থাকলেও কোম্পানিতে মাত্র ২ জন স্বতন্ত্র পরিচালক রয়েছে, যেখানে বিএসইসির গভার্ন্যান্স কোড অনুযায়ী কমপক্ষে ২০% স্বতন্ত্র পরিচালক বাধ্যতামূলক।

  • শ্রম আইনের উপেক্ষা:
    শ্রমিকদের মুনাফার অংশ ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ডে (WPPF) জমা দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও কোম্পানি তা মানেনি। এটি শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৩৪ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর লঙ্ঘন বলে গণ্য করা হচ্ছে।

  • লাইফ ফান্ডে অস্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির পতন:
    ২০২৩ সালে লাইফ ফান্ডে ২৫.৪০% প্রবৃদ্ধি থাকলেও ২০২৪ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ৮.২৪%-এ। এ ছাড়া পরিশোধিত মূলধনের চেয়ে কম পরিমাণ এফডিআর (৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা) দেখানো হয়েছে, যা আইন পরিপন্থী।

  • কোম্পানির জবাব

    কোম্পানি সচিব জি এম রাশেদ স্বীকার করেন, “আগে থেকেই ভুল হয়ে আসছিল। এখন আমাদের নজরে এসেছে, ভবিষ্যতে পরিপালনের চেষ্টা করব।”
    স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে অনিয়ম নিয়েও তিনি বলেন, “এখানে আমাদের ব্যর্থতা এবং অবজ্ঞা স্বীকার করে নিচ্ছি।”

  • চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এখন বিনিয়োগকারীদের আস্থার বড় পরীক্ষায়। কোম্পানির ভেতরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইন পরিপালনের ঘাটতি পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে ভেঙে দিচ্ছে। সঠিক তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা ছাড়া এই ধরনের অনিয়ম বীমা খাত ও পুরো পুঁজিবাজারকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

    বিনিয়োগকারীরা জরুরী ভিত্তিতে বিএসইসি এবং আইডিআরএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।




বিডি পেইন্টসের ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে এসএমই খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি পেইন্টস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.২০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডাররা।

২০২৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১ ডিসেম্বর২৮ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর হাইব্রিড পদ্ধতিতে। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর।

২০২৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৩ টাকা। আগের হিসাববছরে একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.২২ টাকা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭.৯৯ টাকা। এই কর্পোরেট ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেনের কোনো মূল্যসীমা থাকবে না।




অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ঋণের সুদ নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন

চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক ব্যবসা বাংলাদেশে এসেছে। সেগুলো রাখতে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। ঋণের সুদ ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৬ শতাংশ হয়ে গেছে। যা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। ঋণের সুদ নিয়ে বসে আলোচনা করা দরকার। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সকালে মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেমিনারে ব্যবসায়ীরা এসব কথা বলেন।

ডিসিসিআই সভাপতি আশরাফ আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বিকেএমইএ এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম খান ও শামস মাহমুদ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চীনসহ অনেক দেশ থেকে ব্যবসা বাংলাদেশে এনেছি। সেগুলো ধরে রাখতে বাংলাদেশে রাজনৈতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। ঋণের সুদ ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৬ শতাংশ হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ওই সুদে ঋণ পরিশোধ কঠিন চ্যালেঞ্জ। ঋণের সুদ নিয়ে সরকারের সঙ্গে বসা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঋণ খেলাপির সংস্কৃতি থেকেও বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

ডিসিসিআই আয়োজিত সেমিনারে আহসান খান চৌধুরী বলেন, ছাত্র জনতার আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্য দূর করা। মানুষের অবস্থার উন্নতি, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতির উন্নতি। ব্যবসায়ীরাও দেশ প্রেমিক, তারা দেশের উন্নয়ন চায়, মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে চায়। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে পারলে দ্রুতই সব কিছু স্বাভাবিক হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি আমাদের সমস্যা দেখে তাহলে তাদের পরামর্শ নিতে চাই। যারা এখন অসন্তোষ করছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

নিজের কারখামায় শ্রমিক অসন্তোষের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষের কোনো ঘটনা কখনোই হয়নি। এবারই প্রথম শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা ঘটেছে। আমরা দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সরকারের সহায়তায়, শ্রমিক ও মালিকের বোঝাপোড়ার মাধ্যমে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। প্রায় দেড় লাখ মানুষ আমার কারখানায় কাজ করে। আজকে কারখানায় ঢুকতে ভয় লাগে। আমি কী নিজের জীবন নিয়ে ফেরত আসতে পারবো। যদি এই ধরনের শঙ্কা থাকে তাহলে আগামী দিনে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রায় আড়াই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান প্রয়োজন। মানুষ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তবে ব্যবসায়ীরা কষ্টে আছে।




ইউনিট বিক্রি করবে ফনিক্স ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা পরিচালক ইউনিট বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার (১৩ মার্চ) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের হাতে থাকা মিউচুয়াল ফান্ডটির ১ কোটি ৭০ লাখ ইউনিটের মধ্যে ১০ লাখ ইউনিট বিক্রি করবে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ডিএসইর পাবলিক মার্কেটে আলোচ্য ইউনিট বিক্রি সম্পন্ন করবে এই উদ্যোক্তা।

২০১০ সালে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হওয়া ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মোট ইউনিটের ৩২.৮২ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে।




১০৯ কোটি টাকার লেনদেন সোনালী পেপারের

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ২ হাজার ৩৩৫ কোটি ৭০ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ১৫ শতাংশ বা ৭০৪ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন ছিল ১০ কোম্পানির দখলে। এসব কোম্পানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাগজ ও প্রকাশনা খাতের কোম্পানি সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুসারে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলসের ১৭ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ১০৯ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ডিএসইর মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ সময় শেয়ারটির দাম কমেছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।

 

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সোনালী পেপারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭১ টাকা ২৩ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪১ টাকা ৩০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৮৪ টাকা ৩৩ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ এবং ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটি ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮৪ টাকা ৩৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩০৭ টাকা ৮৮ পয়সা।

২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী পেপারের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫০৮ কোটি ৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২৯ লাখ ৪৫ হাজার ১৯০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮ দশমিক ২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।




এজিএমের নতুন তারিখ নির্ধারণ ন্যাশনাল ব্যাংকের

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ব্যাংকের এজিএমের (বার্ষিক সাধারণ সভা) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকটির স্থগিত হওয়া ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য গত ২৬ জুলাই ৪০তম এজিএম করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু অনিবার্য কারণে এজিএম স্থগিত করা হলে পুনরায় সভার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আলোচ্য বাংকটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।




৭.৭৮% শেয়ারদর বেড়েছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের শেয়ারদর গতকাল ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছে। এর ভিত্তিতে এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে কোম্পানিটি।

তথ্য অনুসারে, গতকাল লেনদেনের শুরুতে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১৭৪ টাকা ৫০ পয়সায়। লেনদেন শেষে এ দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৭ টাকা ৯০ পয়সায়। সে হিসাবে দিনের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১৩ টাকা ৪০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। গতকাল কোম্পানিটির মোট ১২ লাখ ৭৭১টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬০ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। তবে সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৫৯ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ২১ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করেনি সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি। এর আগে ২০২১-২২ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৬৩ পয়সা।




সানলাইফের ঋণমান এ মাইনাস ও এসটি-থ্রি

সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সিপিএ (ক্লেইম পেয়িং অ্যাবিলিটি) রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-থ্রি’। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন, চলতি হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত দ্বিতীয় প্রান্তিক ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আরগাস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ হিসাব বছরের জানুয়ারি-জুন সানলাইফের মোট আয়ের তুলনায় বীমা দাবিসহ মোট ব্যয় ১ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা বেশি হয়েছে।




কারখানার নতুন উৎপাদন লাইন স্থাপন করবে বিডি ল্যাম্পস

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ ল্যাম্পস (বিডি ল্যাম্পস) লিমিটেড জিএলএস বাল্ব উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি তাদের কারখানায় নতুন একটি উৎপাদন লাইন স্থাপন করবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

তথ্য অনুযায়ী, নরসিংদীর ঘাশিরদিয়া, শাসপুর ও শিবপুর পিএসে অবস্থিত কারখানায় টিউবলাইটের প্লাস্টিক যন্ত্রাংশ তৈরি করতে উৎপাদন লাইন স্থাপন করবে বিডি ল্যাম্পস। এ প্রকল্পের প্রত্যাশিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা। প্রকল্পটি ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া কোম্পানিটির পর্ষদ জিএলএস বাল্ব উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জিএলএস বাল্ব বাইরে থেকে এনে সরবরাহ করবে।

 

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) বিডি ল্যাম্পসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৬৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮১ টাকা ২৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৮৬ টাকা ৩৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে বিডি ল্যাম্পস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ১০ পয়সা।

২০২০-২১ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ১০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯ টাকা ৮৮ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল বিডি ল্যাম্পস।

১৯৮১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিডি ল্যাম্পসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৫১। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৬ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

ডিএসইতে গতকাল বিডি ল্যাম্পস শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ২৫২ টাকা ২০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২৫২ টাকা ২০ থেকে ৩৯৪ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।




২১ সেপ্টেম্বর হবে সানলাইফ’র এজিএমের

বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ পরিবর্তন করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, কোম্পানিটির এজিএম ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যা পরিবর্তন করে ২১ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। এছাড়া এজিএম-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) সানলাইফের মোট আয়ের তুলনায় বীমা দাবিসহ মোট ব্যয় ১ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা বেশি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এ খাতে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা বেশি ব্যয় হয়েছিল। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে সানলাইফের তহবিল ৭০ কোটি ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা কমেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির জীবন বীমা তহবিল হয়েছে ৪৫ কোটি ৭১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

সমাপ্ত ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। লোকসানের কারণে ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। ডিএসইতে গতকাল সানলাইফের শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৫২ টাকা ৯০ পয়সা।




৪ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন শুরু

ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের পর আগামীকাল ৪ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলো হলো- পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ইবিএল এনআরবি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড : ফান্ডটি ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

আলোচ্য সময়ে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ০ দশমিক ০৫ টাকা।

 

আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ২২ টাকা।

ইবিএল এনআরবি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: ফান্ডটি ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৭ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

আলোচ্য সময়ে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ২৫ পয়সা।

আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৮৮ টাকা।

পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড : ফান্ডটি ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ২ দশমকি ৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

আলোচ্য সময়ে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০ দশমিক ০১ টাকা।

আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ২৬ টাকা।

এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড : ফান্ডটি ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০ দশমকি ০৬ টাকা।

আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৫৭ টাকা।




নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ন্যাশনাল টি কোম্পানি

নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় ক্রমাগত লোকসানে পড়ছে ন্যাশনাল টি কোম্পানি। ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য দায়ের পরিমাণ সম্পদের তুলনায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধে গড়িমসি, নতুন পণ্য বৈচিত্র্যকরণে ব্যর্থতা, মেশিনারিজ স্থাপনে অদক্ষতা, উৎপাদন হ্রাস, ব্যাংক ঋণের দায় মেটাতে অক্ষমতা, ব্যবস্থাপনায় অদূরদর্শিতা ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারে চায়ের গুণগতমানের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

সূত্র মতে, ন্যাশনাল টি কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকে (৩১ মার্চ ২০২৩) দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, যা মোট সম্পদ থেকে প্রায় ৫০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বেশি। শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৪৮ টাকা ৭৯ পয়সা থেকে অস্বাভাবিকভাবে কমে ২ টাকা ২ পয়সায় নেমে এসেছে। শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৬ টাকা ২ পয়সা। যা আগের বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩১ টাকা ১২ পয়সা। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হ্রাস পেয়েছে ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা। যা একই সময়ে আগের বছর ছিল ঋণাত্মক ১২ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ তুলনামূলক হ্রাস পেয়েছে ৩৪৭.০২ শতাংশ। বিনিয়োগকারীদের মতে, হঠাৎ এনওসিএফপিএস এতো বেশি হ্রাস পাওয়ায় শেয়ারহোল্ডারদের জ্ঞাতার্থে কর্পোরেট গভর্ন্যান্স কোড ২০১৮ এর শর্ত ১(৫)(রী) অনুযায়ী ডিসক্লোজার দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু সেটা পালন করেনি প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খাত সংশ্লিষ্টরা বলেন, সম্পদের তুলনায় দায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি, শেয়ারপ্রতি আয় ঋণাত্মক, অতিরিক্ত ঋণ ও শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধে অক্ষমতায় যে কোন সময় দেউলিয়া হতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। এরকম ধারাবাহিক অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন পায় তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ন্যাশনাল টি কোম্পানির বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকৃত লোকসানের তথ্য গোপনের বিষয়ে অভিমত উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির বহিঃনিরিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রতিবেদনে ২০২১-২২ অর্থবছরে নিট লোকসান দেখিয়েছে ২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। কিন্তু প্রকৃত লোকসান ছিল ৫৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির বহিঃনিরিক্ষক মেসার্স হুদাভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং তাদের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অভিমত ব্যক্ত করেন, সমাপ্ত অর্থবছর ১ জানুয়ারি ২০২১ থেকে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ছিলো ৩৩ কোটি ৯ লাখ টাকা। যা পরিশোধ করা হয়নি এবং পরিশোধের জন্য কোন প্রভিশন রাখেনি।

 

এছাড়া, ২০২২-২৩ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে নিট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এখানেও শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা আমলে নেওয়া বা প্রভিশন রাখা হয়নি। বকেয়া বেতন আমলে নেওয়া হলে নিট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়াতো ৬৫ কোটি টাকার উপরে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাশনাল টি কোম্পানির প্রতিটি প্লেসমেন্ট শেয়ার দশ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১০৯.৫৩ টাকা প্রিমিয়াম নেয়ার লক্ষ্যে কৌশলে প্রকৃত লোকসানের পরিমাণ গোপন করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) কেরামত আলী ও কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সুকৌশলে প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু সম্পন্ন করতে চেয়েছিলো। প্রকৃত সত্য গোপন করে মাইনোরিটি শেয়ারহোল্ডারদের নিঃস্ব করা লক্ষ্যে এ কাজটি করা হয়েছে। কিন্ত বহিঃনিরিক্ষক বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তাদের মতামতে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরেন। শুধু প্লেসমেন্ট শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে ও কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য স্ফিত দেখানোর লক্ষে ব্যবস্থাপনা পর্ষদ এই অপকৌশলের আশ্রয় নেয়।

 

এছাড়া, ন্যাশনাল টি কোম্পানির বহিঃনিরিক্ষক তারল্য সংকট হেডে অ্যাম্পেসিস অব ম্যাটারে কোম্পানির অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া তারল্য সংকট সর্বশেষ ২০২৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩০ জুন ২০২১ সালে যেখানে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ ছিল ঋণাত্মক ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, সেখানে ৩০ জুন ২০২২ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২৩ টাকা ৫২ পয়সা এবং সর্বশেষ ৩১ মার্চ ২০২৩ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা। স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটির বহিঃনিরিক্ষক তার প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ধারাবাহিকভাবে তারল্য সংকট চলতে থাকলে শেয়ারহোল্ডারর্স ইকুইটি এন্ড লায়াবিলিটিজ, নন কারেন্ট লায়াবিলিটিজ ও কারেন্ট লায়াবিলিটিজের জন্য দায় দেনা পরিশোধ করা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আর সম্ভব হবে না। বহিঃনিরিক্ষক আদার অপিনিয়ন হেডে উল্লেখ করেন, ‘লোকসানের এই ধারা অব্যাহত থাকলে কোম্পানিকে অবসায়ন অথবা চা বাগানসহ সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করা ছাড়া বিকল্প উপায় থাকবে না’।

ধারাবাহিক লোকসানের বিষয়ে এক বিনিয়োগকারী জানান, এনটিসির অদূরদর্শী ও দায়সারা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কারণে ক্রমাগত লোকসান থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কারসাজির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে ফায়দা লুটছে একটি সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটে প্রতিষ্ঠানের ভিতরের কিছু লোকের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের সহযোগিতায় প্রকৃত তথ্য গোপন করে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। ফলে কোম্পানিটিতে হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর পুঁজি আটকে যায়। প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু অনুমোদন এবং প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের উল্লস্ফন দেখে আকৃষ্ট হয়ে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। হঠাৎ সেই প্লেসমেন্ট স্থগিতে হাইকোর্টের রিটের সংবাদে শেয়ারের দাম তলানিতে নেমে যায়। এতে পুঁজি আটকে বিনিয়োগকারীদের মাথায় হাত। আরেক বিনিয়োগকারী গোলাম ফারুক জানান, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে বিএসইসি থেকে প্লেসমেন্ট শেয়ারের অনুমোদন নেয় প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এর ধারা ১৫২ (১) (ক) লঙ্ঘন করে প্লেসমেন্ট শেয়ারের আবেদন বিএসইসি থেকে অনুমোদন করিয়ে নেওয়ার অভিয়োগ রয়েছে কোম্পানির বিরুদ্ধে।

পরবর্তীতে বিষয়টি আমলে এনে জাকির হোসেন সরকার নামে এক বিনিয়োগকারী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। জনসম্মুখে উঠে আসে ন্যাশনাল টি কোম্পানির অনিয়মতান্ত্রিক প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু আবেদন প্রক্রিয়ায় ত্রুটি। হাইকোর্টের দৈত বেঞ্চের নির্দেশে বিএসইসি স্থগিত করতে বাধ্য হয় প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু প্রক্রিয়া। তিনি আরো বলেন, এসব বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা যথাযথ উদ্যোগ না নিলে প্রতিনিয়তই ক্ষতির সম্মুখীন হবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের। এর প্রভাবে আরো তারল্য সংকটে পড়বে পুঁজিবাজার। তিনি দাবি করেন, যাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে হঠাৎ প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু স্থগিত হয় ও যারা কারসাজি করে এনটিসির শেয়ারে ফায়দা হাতিয়ে নিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করলে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

এদিকে এনটিসির তৃতীয় প্রান্তিক মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী ব্যাংক ঋণের (নন কারেন্ট পোরশান) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা ও স্বল্পমেয়াদী ব্যাংক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। কারেন্ট ও নন কারেন্ট পোরশানে সর্বমোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩৯ কোটি ২৮ লাখ টাকার উপরে। এই সমস্ত ঋণ নেয়া হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে কৃষি ব্যাংক থেকে ন্যাশনাল টি কোম্পানির অনুকূলে ৩৪৩ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩০৬ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এখন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বলছে বাকি ৩৭ কোটি টাকা দিলেও বাগান পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। এর সাথে অতিরিক্ত ৪৩ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদনের জন্য জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এই ৪৩ কোটি টাকা কৃষি ব্যাংক অনুমোদন করলে এনটিসির নিকট ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৮৬ কোটি টাকা। সুদ-আসলে যার পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০০ কোটির ঊর্ধ্বে। এ দায় এনটিসির মোট সম্পদের তুলনায় অনেক বেশি।

এ বিষয়ে কৃষি ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম খানের সঙ্গে আলাপকালে তিনি তিনি বলেন, ‘আমি এখানে এক মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছি। এর মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্যারের নির্দেশে সিলেটের কয়েকটি চা বাগানের সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য পরিদর্শন করে এসেছি। এনটিসির বাগানগুলো পর্যায়েক্রমে পরিদর্শন করা হবে। নতুন ঋণ ছাড়ের পূর্বে বাগান পরিদর্শনের তথ্য-উপাত্ত ও কোম্পানির সক্ষমতা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার অনিয়ম হবে না’।

এ সকল অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে এনটিসির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মুসার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত। আপনি কোম্পানি সচিব গোলাম মোহাম্মদ বেলালের সাথে যোগাযোগ করেন’। কোম্পানি সচিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোম্পানির আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে বিস্তারিত জানার জন্য কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা কেরামত আলীর সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। কিন্তু কেরামত আলীর সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি। পরবর্তীতে বিষয়বস্তু উল্লেখ করে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন জবাব পাওয়া যায়নি।




বিকাশের ক্যাশ পিকআপ সেবা ব্যবহার করবে রেনাটা

দেশজুড়ে থাকা ১৯টি ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে বিকাশের বি২বি (বিজনেস টু বিজনেস) সলিউশন ‘ক্যাশ পিকআপ’ সেবা ব্যবহার করবে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রেনাটা লিমিটেড। ফলে প্রতিষ্ঠানটির সরবরাহ চেইনে ডিপো ও মাঠ পর্যায়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে, যা ব্যবসা প্রসারেও ভূমিকা রাখবে।

এ ধরনের বি২বি সলিউশন উৎপাদক থেকে শুরু করে বিক্রেতার লেনদেনকে করবে আরো সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ। বর্তমানে ক্রেতারা দেশের অধিকাংশ ফার্মেসি থেকেই ওষুধ কিনে বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করছেন। অন্যদিকে ওষুধ বিক্রেতারাও তাদের বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে রেনাটা থেকে কেনা পণ্যের মূল্য সরাসরি পরিশোধ করতে পারবেন। এভাবেই সেবাটি ওষুধসহ অন্যান্য শিল্প খাতের সরবরাহ চেইনের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়াবে এবং দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমকে আরো সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

 

সম্প্রতি এ লক্ষ্যে বিকাশ ও রেনাটা লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ এবং রেনাটা লিমিটেডের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মুস্তাফা আলিম আওলাদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর, রেনাটা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ এস কাইসার কবির, বিকাশের ইভিপি ও হেড অব গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ ও বিজনেস সেলস মাশরুর চৌধুরীসহ দুটি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। —বিজ্ঞপ্তি




আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন শাখায় বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তাদের নিয়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিউর ফর হ্যান্ডলিং রেডি মেড গার্মেন্টস বিজনেস’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত কোর্সের উদ্বোধন করেন।

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর ডিরেক্টর জেনারেল মো. আব্দুল আউয়াল সরকারের সভাপতিত্বে উক্ত কোর্সে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাব্বির আহমেদ, মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এবং শীর্ষ নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মহোদয় বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পে রপ্তানি বাড়ানো, দ্রুত সেবা প্রদান, সামগ্রিক নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি সমস্ত এডি শাখাগুলোর মাধ্যমে অভিন্ন অপারেশনাল পদ্ধতি বজায় রাখা, ব্যাংকের আরএমজি এক্সপোজার সংক্রান্ত সব ধরনের ঝুঁকি কমাতে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি।

এসময় তিনি সার্কুলারের নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পরিপালনের মাধ্যমে ব্যাংকের রপ্তানি কার্যক্রমের ঝুঁকি কমানো এবং এক্সপোর্ট গ্রাহকদের সঠিক পরামর্শ প্রদানের জন্য ব্যাংকারদের আহ্বান জানান।




নগদে রিচার্জ করে গাড়ি জেতার সুযোগ

মোবাইল রিচার্জে আকর্ষণীয় অফার নিয়ে এসেছে দেশের জনপ্রিয় এমএফএস নগদ। ৫০ টাকা বা তার বেশি নগদের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জ করে গ্রাহক প্রতি সপ্তাহে জিতে নিতে পারেন একটি সেডান গাড়ি। পাশাপাশি থাকছে আকর্ষণীয় সব পুরস্কার।

২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ অফারের জন্য একজন নগদ গ্রাহক ৫০ টাকা বা তার বেশি নগদের মাধ্যমে রিচার্জ করলে সেডান গাড়ি জেতার সুযোগ পাবেন। মোবাইল রিচার্জে দেশে এর আগে এমন আকর্ষণীয় অফার কেউ নিয়ে আসেনি। এছাড়া পুরস্কার হিসেবে থাকবে ক্রিকেট বিশ্বকাপের টিকিট, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা এসি বাসের টিকিট, সেন্ট মার্টিনে দুই দিন এক রাত থাকার কাপল রিসোর্ট বুকিং, গিফট ভাউচার, স্মার্ট ওয়াচ, মোবাইল ফোন, স্পেশাল পাওয়ার ব্যাংকসহ আরো আকর্ষণীয় সব পুরস্কার।

 

এ অফারের আওতায় একজন গ্রাহক যত খুশি ততবার নগদের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন। এ অফারে প্রতি সপ্তাহে একটি সেডান কারের পাশাপাশি আরো নানা ধরনের আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নিতে পারবেন গ্রাহকরা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে। এছাড়া নগদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্যাক রিচার্জে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট ক্যাশব্যাক অফার উপভোগ করতে পারবেন।

নগদের রিচার্জ ক্যাম্পেইনের বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) সাদাত আদনান আহমদ বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে গ্রাহকের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি।’ —বিজ্ঞপ্তি




জাপানের বড় বিনিয়োগ আসছে এমারেল্ড অয়েলে

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের শেয়ারবাজারের প্রসার ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে জাপানে রোড শো অনুষ্ঠিত হয় গত ২৭ এপ্রিল। জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত সেই রোড শোর মাধ্যমে দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে জাপোনের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান কামেদা সেইকা কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান ড. লেক রাজ জুনেজা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এমারেল্ড অয়েলে বড় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাপানে রোড শো চলাকালে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়েত-উল ইসলামের সাথে বিনিয়োগের বিষয়ে একান্তভাবে কথা বলেছিলেন ড. লেক রাজ জুনেজা। জাপানের রোড শোতেই মিনোরি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিয়া মামুনের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। এরপর তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। এরই প্রেক্ষিতে সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক সফরে এসেছেন।

 

জাপানের এই বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান এমারেল্ড অয়েলে ৩০ লাখ শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। শেয়ার কেনার জন্য ইতোমধ্যে ড. লেক রাজ জুনেজা বাংলাদেশের একটি বড় ব্রোকারেজ হাউজে বিও হিসাবও খুলেছেন। যার মাধ্যমে তিনি শেয়ার কিনে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে বসবেন। এরপর তিনি কোম্পানিটির উৎপাদনের কাজে বড় বিনিয়োগ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

এমারেল্ড অয়েল ছাড়াও তিনি মি‌নোরী বাংলা‌দে‌শে বি‌নি‌য়োগ কর‌তে চান। সম্প্রতি সাত দিনের ব্যবসায়িক সফরে বাংলাদেশে এসে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেনও।

বাংলাদেশে ব্যবসায়িক সফরের এসে তিনি প্রথমে দ্বীপ জেলা ভোলায় যান। সেখানে বেসরকারি এনজিও গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে কৃষিতে যৌথভাবে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়াও বাংলা‌দে‌শের খাদ‌্য বাজা‌রেও বি‌নি‌য়ো‌গে আগ্রহ দে‌খি‌য়ে‌ছে কোম্পা‌নি‌টি। পরে তিনি এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ফু ওয়াং ফুডসের ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠা‌নে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, আমি বাংলাদেশে বার বার আসতে চাই। এমারাল্ড অয়েল ও ফু-ওয়াং ফুডসের ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখেছি। প্রতিষ্ঠান দুটি আমার পছন্দ হয়েছে। বাংলাদেশে চাল দিয়ে বিস্কুট তৈরির বিষয়টি আমার মাথায় আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি চাল নিয়েই কাজ করি।’ ইউরোপ, আমেরিকা, চীন, জাপান, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের বাজারে চালের ব্যাবসা করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশেও আমি চাল নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। এমারেল্ড অয়েল ও মিনোরী বাংলাদেশে লিমেটেডে বিনিয়োগের বিষয়ে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান দুটি পরিদর্শন করে আমার ভালো লেগেছে। তারা ধান-চাল নিয়ে কাজ করে। এতে আমার বিনিয়োগের আগ্রহ আছে।’

এ সময় মিনোরী বাংলাদেশ ও ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিয়া মামুন বলেন, জাপান থেকে অনেক বিনিয়োগকারী আমার সঙ্গে বাংলাদেশে এসেছেন। তারা অনেকেই বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মধ্যে কামেদা সেইকা অন্যতম।

তিনি বলেন, সেইনকা ইউরোপ-আমেরিকাসহ এশিয়ার অনেক দেশে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারা চালকে প্রক্রিয়াজাত করে প্রতি কেজি এক হাজার টাকায়ও বিক্রি করে। বাংলা‌দে‌শে প্রচুর প‌রিমা‌ণে চাল উৎপাদন হয়। ফ‌লে আমি চাই বাংলাদেশে তারা বিনিয়োগ করুক। তারাও আমাকে আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশে তারা বিনিয়োগ করবেন।




‘স্বপ্ন’-তে ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা

স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘জনজীবনে স্বস্তি ফেরানোর লক্ষ্যে নামমাত্র মুনাফায় ডিম বিক্রির এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

বর্তমানে বাজারে ডিম ১৬০ বা ১৭০ টাকা ডজনে (১২ টি) বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায়ও দেশের রিটেইল চেইন সুপারশপ ‘স্বপ্ন’তে পাওয়া যাবে ১৫৫ টাকায় এক ডজন ডিম।

স্বপ্নর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘জনজীবনে স্বস্তি ফেরানোর লক্ষ্যে নামমাত্র মুনাফায় ডিম বিক্রির এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

ঢাকা, সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা জোনের সব ‘স্বপ্ন’ আউটলেটে ডিম ১৫৫ টাকা ডজনে পাওয়া যাবে।

স্বপ্নের বিশেষ এই ছাড় ১৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।

তবে শর্ত হিসেবে থাকবে একজন গ্রাহক স্বপ্ন আউটলেট থেকে ১ ডজনের বেশি ডিম কিনতে পারবেন না, যেন অন্য কোনো দোকানি অসৎভাবে বেশি পরিমাণ ডিম কিনে ব্যবসা না করতে পারেন।




সূচকের পতনে ডিএসইতে লেনদেন ৫০০ কোটির নিচে

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) কমেছে সব সূচকের মান। কমেছে ডিএসইতে লেনদেন।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত দিনের চেয়ে ১৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৮ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৫২ দশমিক ৫২ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭২ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে এদিন কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় শেয়ার। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ১৫৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স। এ ছাড়া ফু-ওয়াং ফুডস, সি পার্ল, জে এম আই হসপিটাল রিকুইসিট ম্যানুফ্যাকচারিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, রহিমা ফুড কর্পোরেশন, কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স, খান ব্রাদার্স, দেশবন্ধু পলিমার ও প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টি কোম্পানির, কমেছে ৯৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।




ডিভিডেন্ড ঘোষণার তারিখ জানালো প্রাইম ফাইন্যান্স

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি প্রাইম ফাইন্যান্স লিমিটেড ডিভিডেন্ড ঘোষণার তারিখ জানিয়েছে। কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৮ আগস্ট বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে কোম্পানিটি তা প্রকাশ করবে।

এছাড়া একই সভায় কোম্পানিটির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পরযালোচনা ও প্রকাশ করা হবে।




বহুমাত্রিক প্রযুক্তি সেবার সমাহার সেলফিন অ্যাপে

প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আর্থিক পরিষেবা ব্যবহারে প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে গ্রাহকদের চাহিদা। দ্রুত, সহজ এবং নির্ভরযোগ্য সেবাই সবার পছন্দ। ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলে চালু হয়েছে অনেক আর্থিক প্রযুক্তি বা ফিনটেক। উন্নত হয়েছে ব্যাংকগুলির পরিষেবার গুণগত মান। ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য নিয়ে এসেছে প্রযুক্তিভিত্তিক সব ব্যাংকিং সমাধান।

সেলফিন অ্যাপ ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি পদ্ধতিতে কাজ করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সেলফিন রেজিস্ট্রেশনসহ নিজেই ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের হিসাব খুলতে পারেন। সেভিংস অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স, স্টেটমেন্ট এবং লেনদেন সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন এবং চেক বইয়ের জন্য অনুরোধ করতে পারেন।

সেলফিন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের লেনদেন করা যায়। এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট, কার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট যেমন এমক্যাশ, বিকাশ এবং নগদ-এ তাৎক্ষণিক ফান্ড ট্রান্সফার করা যায়। যেকোনো ব্যাংকের কার্ড, ইসলামী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ও এমক্যাশ থেকে সেলফিনে টাকা আনা যায়। ইসলামী ব্যাংকের শাখা, উপ-শাখা, এটিএম-সিআরএম ও এজেন্ট আউটলেট থেকে ক্যাশ-ইন বা আউট করা যায়। প্রাপকের কার্ড বা অ্যাকাউন্ট ছাড়াই টাকা পাঠানো যায় ক্যাশ-বাই-কোড ব্যবহার করে যা এটিএম-এর মাধ্যমে উত্তোলন করা যায়। গ্রাহক নিজেই গোপন পিন দিয়ে বা ভিসা ডাইরেক্ট চ্যানেলে পেতে পারেন রেমিট্যান্স।

ইসলামী ব্যাংকের ডিজিটাল ওয়ালেট সেবা হিসেবে সেলফিন এরই মধ্যেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। সেলফিনের মাধ্যমে ঘরে বসেই সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করা যায়। সেলফিন টু সেলফিন মানি রিকোয়েস্ট, সেলফিন টু এমক্যাশ/ এমক্যাশ টু সেলফিন টাকা এড এবং টাকা ট্রান্সফার সুবিধা ও ইন্সট্যান্ট ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ নানাবিধ সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

সেলফিনের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে ই-কমার্স পেমেন্ট (কিউ আর কোড/ অনলাইন গেটওয়ে), মোবাইল রিচার্জ, টিকিট কেনা ও স্কুল-কলেজ ফি প্রদান। বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস ইত্যাদি ইউটিলিটি সার্ভিসের বিল (ডিপিডিসি, ডেসকো, ঢাকা ওয়াসা, নেসকো, পল্লী বিদ্যুৎ প্রিপেইড, তিতাস ও জালালাবাদ) স্বাচ্ছন্দ্যে পরিশোধ করা যায়।

খিদমাহ ক্রেডিট কার্ডের বিলও পরিশোধ করা যায় এর মাধ্যমে। সেলফিনে এ-চালানের মাধ্যমে পাসপোর্ট ফি, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ বিভিন্ন সরকারি ফি পরিশোধ করা যায়। দেয়া যায় ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেসিং ফি। এছাড়া যেকোনো অসম্পন্ন লেনদেনের জন্য সেলফিনেই রয়েছে কমপ্লেইনের ব্যবস্থা।

দ্রুতগতির ফিনটেক কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য ব্যাংকগুলোর প্রযুক্তি সেবার উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। ব্যাংকিং খাতে বদলে যাচ্ছে সেবার ধরন। বদলে যাচ্ছে ভোক্তাদের পছন্দ এবং প্রত্যাশাও। গ্রাহকরা নগদ টাকা ছাড়াই লেনদেন পছন্দ করেন। সেলফিনের মত ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ফলে কমে আসছে সনাতনি পদ্ধতির ব্যাংকিং সেবার চাহিদা। সেলফিন এরই মধ্যেই ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

২০২০ সালে এ অ্যাপের যাত্রা শুরুর পর এরই মধ্যে প্রায় ২৭ লাখ গ্রাহক সেলফিন ব্যবহার করছে। ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই ৫ লাখ ৫০ হাজার গ্রাহক অ্যাকাউন্ট খুলতে সক্ষম হয়েছে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে ডিজিটাল বা স্মার্ট লেনদেনের কোনো বিকল্প নেই। ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ ক্যাশলেস সোসাইটি গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ত্বরান্বিত হবে।




বোনাস লভ্যাংশ দিলো ২ ব্যাংক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুইটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। কোম্পানি দুইটি হলো- গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ব্যাংকগুলো ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশের শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিও হিসাবে পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আর স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ২.৫০ শতাংশ নগদ ও ২.৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ।




৩ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করার পর তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি তিনটি হলো- সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) লিমিটেড।

বুধবার (২ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি তিনটির মধ্যে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। আর বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-২। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারের বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.২০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ আগস্ট। মঙ্গলবার কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কোনো সীমা থাকছে না।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৮ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.৪৩ টাকা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮.৫৭ টাকা।

এর আগের হিসাব বছরে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

 




ওয়েস্টার্ন মেরিনের শেয়ারদর বেড়েছে কোনো সংবেদনশীল তথ্য ছাড়া

কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়া বা বিনা কারণেই পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। দেশের উভয় পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই-সিএসই) এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, শেয়ার দর অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত ১৬ জুলাই ডিএসই ও সিএসই কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠায়। ওই নোটিশের জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দাম এভাবে বাড়ছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে গত ৬ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১১ টাকা। ১৭ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৫.১০ টাকায় উন্নীত হয়। এভাবে অস্বাভাবিক শেয়ার দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষ।




পুনর্নির্বাচিত হলেন পারভেজ তমাল

 

এসএম পারভেজ তমাল এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া, ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু।

রোববার (২৫ জুন) ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ১৬৭তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারা পুনর্নির্বাচিত হন।

এর আগে ব্যাংকের ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের সরাসরি ভোটে তারা পরিচালক হিসেব নির্বাচিত হন। ব্যাংকের উদ্যোক্তা আবু বকর চৌধুরী পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের নিয়োগের বিষয়ে অনাপত্তি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রবাসী সফল উদ্যোক্তা এসএম পারভেজ তমাল এনআরবিসি ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক। ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। প্রযুক্তিনির্ভর উপশাখা ব্যাংকিং, প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ চালু এবং অ্যাপের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং সেবা প্রদান তার যোগ্য নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার ফসল। পারভেজ তমালের নেতৃত্বে মাত্র ৫ বছরে এনআরবিসি ব্যাংক ব্যাপক সেবা প্রসারে গ্রাম-বাংলার প্রান্তিক মানুষের ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। তার যুগোপযোগী সেবার উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের কারণে এনআরবিসি ব্যাংক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছে।

রাশিয়ার ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিক অ্যান্ড ইকোনোমিকসে স্নাতকোত্তর পারভেজ তমাল বিদেশে রিয়েল অ্যাস্টেট অ্যান্ড লজিস্টিক, আইটি ডিস্ট্রিবিউশনে একজন সফল উদ্যোক্তা। তিনি সর্বাধিক রেমিটেন্স পাঠিয়ে অনিবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) হিসেবে একাধিকবার সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। পারভেজ তমাল এফবিসিসিআইয়ের একজন অন্যতম সদস্য।

ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু রাশিয়ার জর্জিয়া টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি রাশিয়ার অন্যতম সফল উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী। এনআরবিসি ব্যাংকের এ উদ্যোক্তা এর আগে ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সফল প্রবাসী ব্যবসায়ী আবু বকর চৌধুরী ব্যাংকের একজন উদ্যোক্তা এবং এর আগে এ ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন। নতুন করে পরিচালক হওয়ার পর তাকে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

 




সপ্তাহ শুরুতেই সূচক বেড়েছে শেয়ারবাজারে

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৫ জুন) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।  এর মাধ্যমে টানা তিন কার্যদিবস মূল্যসূচক বাড়লো।

মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। আর দাম বাড়ার থেকে দাম কমার তালিকায় রয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। অবশ্য দাম বাড়া বা কমার থেকে দাম অপরিবর্তিত থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি।

এদিন শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমার মাধ্যমে। ফলে মূল্যসূচক কমে শুরু হয় দিনের লেনদেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়। এতে লেনদেনের আধাঘণ্টার মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক বাড়ে ৪ পয়েন্ট।

কিন্তু এরপর দাম বাড়ার তালিকা থেকে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দরপতনের তালিকায় চলে আসে। ফলে সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। লেনদেনের এক ঘণ্টার মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ৫ পয়েন্ট কমে যায়।

অবশ্য লেনদেনের শেষ ঘণ্টায় আবার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ে। এতে সবকটি মূল্যসূচক বেড়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে ৮৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বিপরীতে ৮৮টির দাম কমেছে। আর ১৮০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে দিনভর লেনদেন হয়েছে ৬৩৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭৮৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ১৪৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৫৮ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খান ব্রাদার পিপি ওভেন ব্যাগের ১৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইটিসি।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে-ইস্টার্ন হাউজিং, এমারেল্ড অয়েল, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, জেমিনি সি ফুড এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষে খান ব্রাদার্স

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোম্পানির দর বেড়েছে ৩০ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বমোট ৪৬ কোটি ৯১ লাখ ৫ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৯ কোটি ৩৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক অক্সেসরিজের শেয়ার দর বেড়েছে ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বমোট ১৭ কোটি ১৬ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৩ কোটি ৪০ লাখ ৩ হাজার ২০০ টাকা।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা সেন্ট্রাল ফার্মার শেয়ার দর বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বমোট ১৯ কোটি ৫০ লাখ ৯ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৩ কোটি ৯০ লাখ ১ হাজার ৮০০ টাকা।

তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৪.৬৬ শতাংশ, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ১৩.২৪ শতাংশ, মাইডাস ফাইন্যান্সের ১২.৭৫ শতাংশ, প্রাইম ইসলামী লাইফের ১২.৩৩ শতাংশ, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের ১১.৯৯ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ১১.৭৪ শতাংশ এবং জাহিন স্পিনিংয়ের ১১.১১ শতাংশ।

 




রেমিট্যান্স গ্রহণকারী গ্রাহকদের জন্য পুরস্কার রাখছে রূপালী ব্যাংকে

রূপালী ব্যাংক লিমিটেড কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এরই অংশ হিসেবে ১৮ জুন রোববার দিলকুশাস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘রূপালী ব্যাংক রেমিট্যান্স সেবা কর্মসূচি (ঈদ আনন্দ)’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের তৃতীয় সপ্তাহের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে রূপালী ব্যাংক প্রবাসীদের নানা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ যেন রেমিট্যান্স উত্তোলনকারী গ্রাহক দ্রুত ও নিরাপদে পেতে পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

ক্যাম্পেইনটি ২৮ মে শুরু হয়েছে, চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত। এই সময়ে প্রবাসীরা রূপালী ব্যাংকে টাকা পাঠালেই পাচ্ছেন লটারি জেতার সুযোগ। তৃতীয় সপ্তাহে ৫ জন রেমিট্যান্স উত্তোলনকারী পুরষ্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। লটারির প্রথম পুরস্কার হিসেবে ১টি ১০০ সিসি মোটরসাইকেল পেয়েছেন ফেনীর ইসলামপুর রোড শাখার গ্রাহক মো. আবুল কাশেম, দ্বিতীয় পুরষ্কার পুরষ্কার হিসেবে ১টি ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি পেয়েছেন মুন্সীগঞ্জ কর্পোরেট শাখার গ্রাহক সোহেল আহমেদ, তৃতীয় পুরষ্কার হিসেবে ১টি মাইক্রোওয়েভ ওভেন পেয়েছেন টাঙ্গাইলের কালিহাতী শাখার গ্রাহক ছালেহা বেগম, চতুর্থ পুরষ্কার হিসেবে ১টি স্মার্টফোন পেয়েছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল শাখার গ্রাহক নূরজাহান বেগম এবং পঞ্চম পুরষ্কার হিসেবে ১টি ডিনার সেট পেয়েছেন ফরিদপুরের বিএমএম শাখার গ্রাহক সালাম শেখ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডিএমডি তাহমিনা আখতার, মহাব্যবস্থাপক মো. হারুনুর রশীদ, সালামুন নেছা, তানভীর হাসনাইন মইন ও এস. এম দিদারুল ইসলামসহ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।




কোরবানির পশুর হাট ঘিরে ব্যবস্থা নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

এবার কোরবানির পশুর চার হাজার ৩৯৯টি হাট বসবে সারা দেশে। সব পশুর হাট ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে ওয়াচ টাওয়ার বসাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একইসঙ্গে এসব জায়গা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমেও মনিটর করা হবে। সারা দেশে সড়ক-মহাসড়কে কোনও ধরনের পশুরহাট বসানো যাবে না। সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কোনও পশুবাহী যানবাহন থামাতে পারবে না।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আজ রবিবার (১৮ জুন) এসব তথ্য জানান। কোরবানির ঈদ ও পশুর হাট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেসব ব্যবস্থা নিচ্ছে, সে ব্যাপারে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পশুরহাটে হাসিলের সাইনবোর্ড দৃশ্যমান জায়গায় হতে হবে। জালনোট শনাক্তকরণ মেশিন ও এটিএম বুথ থাকবে পশুর হাটে।




ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করেছে ইউনিয়ন ব্যাংক

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।

রোববার (১৮ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী, কোম্পানির দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে “এ+”। আর স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে “এসটি-২”।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং চলতি বছরের ১৪ জুন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক গুনগত তথ্যের ভিত্তিতে এই ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




সহজের ১০ শতাংশ শেয়ার কিনছে এডিএন টেলিকম

অনলাইন টিকেট প্ল্যাটফর্ম সহজ লিমিটেডের মালিকানায় আসছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইটি খাতের কোম্পানি এডিএন টেলিকম লিমিটেড।

২০১৯ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এডিএন টেলিকম অ-তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান সহজের ১০ শতাংশ শেয়ার কিনে মালিকানায় আসছে। মালিকানায় আসতে ১২ কোটি বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি। অর্থাৎ এডিএন টেলিকম ১২ কোটি টাকায় ১০ শতাংশ শেয়ার কিনে সহজের মালিকানায় আসবে।

কোম্পানির সর্বশেষ পরিচালনা পর্ষদের সভায় শেয়ার কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

কোম্পানির বিনিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা সহজ লিমিটেড বর্তমানে অনলাইনে বাস ও রেলের টিকিট বিক্রির প্ল্যাটফর্মে নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। এর ব্র্যান্ড নাম সহজ। এই প্ল্যাটফর্মে দেশের দূরপাল্লার সব বাস রুটের টিকিট কেনার সুযোগ আছে। এছাড়া কোম্পানিটি বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন টিকেট ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে।

এছাড়াও ‘সহজ’ অ্যাপের মাধ্যমে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং, ট্রাক বুকিং, অনলাইন ডাক্তার পরামর্শ, ডিজিটাল শিক্ষা, এবং খাবার, মুদি এবং ওষুধের হোম ডেলিভারি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে ৬৪ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার পরিশোধিত কোম্পানি এডিএন টেলিকমের বর্তমান ৬ কোটি ৪৬ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি শেয়ার রয়েছে। প্রতিটি শেয়ার বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ১৪০ টাকা ১০ পয়সায়।

কোম্পানিটি ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের সর্বশেষ ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। তার আগের বছরও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।




পিপলস ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের প্রতিষ্ঠান পিপলস ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ হিসেবে প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নগদ এক টাকা ৫ পয়সা করে পাবেন।

লভ্যাংশ ঘোষণার পাশাপাশি কোম্পানিটি চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি থেকে মার্চ) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা গত বছরের তুলনায় কমেছে।

কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

লভ্যাংশের বিষয়ে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের নেওয়া সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ জুন। আর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ মে।

সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে ২ টাকা ৬১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪৪ পয়সা।

ডিএসই জানিয়েছে, লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে আজ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে কোনো সার্কিট ব্রেকার থাকবে না। অর্থাৎ শেয়ার দাম যত খুশি বাড়তে পারবে। তবে ফ্লোর প্রাইসের নিচে শেয়ার দাম নামতে পারবে না।

এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে এই বিমা কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি মুনাফা করেছে ৫২ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫৮ পয়সা। এ হিসেবে গত বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি মুনাফা ৬ পয়সা কমেছে।

মুনাফা কমলেও কোম্পানিটির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৯৭ পয়সা, যা ২০২২ সালের মার্চ শেষে ছিল ৩০ টাকা ৬৬ পয়সা।




কে অ্যান্ড কিউয়ের ৯ মাসে মুনাফা কমেছে ৪৭.৮৩ শতাংশ

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৩) ও নয় মাসের (জুলাই, ২০২২-মার্চ, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশি প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য হিসাব বছরের নয় মাসে কোম্পানিটির আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৪৭.৮৩ শতাংশ কমেছে।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি তৃতীয় প্রন্তিকের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.১১ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৪৬ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা ০.৩৫ টাকা বা ৭৬.০৯ শতাংশ কমেছে।

এদিকে, নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৩৬ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৬৯ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা ০.৩৩ টাকা বা ৪৭.৮৩ শতাংশ কমেছে।

২০২৩ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৪.৪৬ টাকায়।




দুই কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুইটি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি দুইটি হলো-সিটি ব্যাংক লিমিটেড ও এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

 

সিটি ব্যাংক লিমিটেড: ইনটেক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ সভা আগামী ১১ এপ্রিল বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ সদস্যরা এই প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি। আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড: কোম্পানির পর্ষদ সভা আগামী ৯ এপ্রিল দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ সদস্যরা এই প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি। আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।




‘প্রতিটি ঘরে ইলিশ পৌঁছে দেওয়া সরকারের লক্ষ্য’

জাটকা নিধন বন্ধ হলে দেশের মানুষ সুস্বাদু বড় ইলিশ খাওয়ার সুযোগ পাবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি ঘরে ইলিশ পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। উদ্বৃত্ত উৎপাদন হলে দেশের বাইরে রফতানি করা হবে।’

শনিবার (১ এপ্রিল) পিরোজপুরের হুলারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘একটা মা ইলিশ ছয় লাখের বেশি ডিম দেয়। একটা মা ইলিশ ধরা মানে ছয় লাখ ডিম নষ্ট করা। জাটকা ধরা মানে ছোট ইলিশ বড় হওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেওয়া। কিছু দুর্বৃত্ত বালু উত্তোলন করতে গিয়ে ইলিশের প্রজননস্থলের পরিবেশ নষ্ট করে। নদী দূষণ করে নষ্ট করে ইলিশের ডিম ও পোনা। ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে যত্রতত্র মাছ আহরণ করে মা ইলিশ ও জাটকা নিধন করে। যারা জাটকা ধরছে– এ মাছ বড় হলে তারাই ধরবে। বড় মাছ বিক্রি করে তারাই লাভবান হবে। দেশের মানুষ সুস্বাদু বড় ইলিশ খেতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘একটা সময় দেশে মাছের আকাল ছিল। বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দফতর-সংস্থার কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মাছের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। ইলিশের উৎপাদন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, বিশ্বের মোট ইলিশের শতকরা ৮০ ভাগ শুধু বাংলাদেশে উৎপাদন হয়। ২০০৮-০৯ সালে দেশে ইলিশের মোট উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার মেট্রিক টন। ২০২১-২২ সালে তা বেড়ে ৫ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা এবং তার সরকারের অবদানের কারণে ইলিশের উৎপাদন অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের অভিযাত্রায় স্মার্ট মৎস্য খাতের দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির অনেক মাছ ফিরিয়ে এনে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের পোনা দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। যে অঞ্চলে যে মাছ নেই, সে অঞ্চলে সে মাছের পোনা ছাড়া হচ্ছে। এভাবে ভাতে-মাছে বাঙালির বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি আবার ফিরিয়ে আনা হবে।’

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘দেশে মাছের উৎপাদন বাড়ার ফলে খাবারের যোগান বাড়ছে, পুষ্টি চাহিদা পূরণ হচ্ছে। মাছ চাষের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, সচল হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি। মাছ উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও রফতানির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান হচ্ছে। অপরদিকে মাছ রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে, যা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।’

মৎস্যজীবীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘জিআই সনদপ্রাপ্ত রাষ্ট্রীয় সম্পদ ইলিশ বিলুপ্ত হলে বাঙালির গর্বের ইলিশের জিআই সনদ থাকবে না। সেজন্য কোনোভাবেই মা ইলিশ ধরা যাবে না, জাটকা ইলিশ নিধন করা যাবে না। জাটকা নিধন বন্ধ থাকাকালে মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ (ভার্নারেবল গ্রুপ ফিডিং) দেওয়া হচ্ছে, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইলিশ বড় হতে দিতে হবে। বড় ইলিশ মৎস্যজীবীরাই আহরণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাটকা নিধন বন্ধ না করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। যারাই জাটকা নিধনের জড়িত থাকবে, আমরা তাদের আইনের আওতায় আনবো।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন– মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল কাইয়ূম, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, নৌপুলিশের ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন এস এম এনামুল হাসান, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পিরোজপুরের বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে জাটকা রক্ষায় জনসচেতনতামূলক প্রচারণার অংশ হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর প্রতিনিধিসহ জেলে এবং মৎস্যজীবীদের সঙ্গে পিরোজপুরের হুলারহাট লঞ্চ ঘাট থেকে কচা নদীতে বর্ণাঢ্য নৌর‌্যালিতে অংশ নেন মন্ত্রী।

‘করলে জাটকা সংরক্ষণ, বাড়বে ইলিশের উৎপাদন’ প্রতিপাদ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শনিবার (১ এপ্রিল) শুরু হওয়া জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৩ চলবে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদফতর।




শেয়ারবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়লো

শেয়ারবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এখন থেকে মিউচুয়াল ফান্ড শেয়ারবাজারে আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সীমা ৬০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফান্ডগুলো এতদিন তার আকারের ১০০ টাকার মধ্যে ৬০ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারতো। এখন থেকে ১০০ টাকার মধ্যে ৮০ টাকা করতে পারবে।




লোকসানে ইনটেক লিমিটেড

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইনটেক লিমিটেড ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (২০২১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের মার্চ) লোকসান করেছে। সেই সঙ্গে কমেছে সম্পদের পরিমাণ। পাশাপাশি ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে।

কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ডিএসই জানিয়েছে, ২০২১ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ৮ পয়সা।

হিসাব বছরটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ ২০২১ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ১০ পয়সা।

আর তৃতীয় প্রান্তিকে বা ২০২২ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ১ পয়সা।

এতে ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ১৯ পয়সা।

লোকসানের পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০২২ সালের মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা, যা ২০২১ সালের জুন শেষে ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা।

এদিকে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি অপারিটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ৭৫ পয়সা।




কূটনীতিকদের সম্মানে এফবিসিসিআই’র ইফতার

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

বুধবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা এমন একটি দেশে বাস করছি যে দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আতিথেয়তার ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ, যেখানে নানা ধর্ম ও বর্ণের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে। আমাদের খাবার, সংগীত, শিল্প এবং ঐতিহ্যে যা প্রতিফলিত হয়। আমি গর্বের সঙ্গে বলছি, বাংলাদেশে সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঐক্যবদ্ধভাবে পালিত হয়।

বাংলাদেশে নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আপনার দেশের সেতুবন্ধন নির্মাণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর অনন্য সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় সমৃদ্ধ হচ্ছে। আমরা বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান সুযোগ দেখতে পাচ্ছি। একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যত গড়ে তুলতে সক্ষম হবো বলে আমি বিশ্বাস করি।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করেন আগত অতিথিরা।

ইফতার মাহফিলে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, ভারত, জার্মানি,ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, ব্রুনেই,কসোভো, ইরান, লিবিয়া,ফিলিপাইন,তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি এম এ মোমেন, মো. আমিন হেলালী, মো. হাবীব উল্লাহ ডন, এম এ রাজ্জাক খান রাজ, বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ বিশিষ্ট সাংবাদিক, এফবিসিসিআই’র পরিচালকরা, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়িক নেতাসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।




অ্যালায়েন্স ক্যাপিটালের এমডির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় বিএসইসি

সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান অ্যালায়েন্স ক্যাপিটাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) খন্দকার আসাদুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৯ মার্চ) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, খন্দকার আসাদুল ইসলাম তার ব্যবস্থাপনাধীন মিউচুয়াল ফান্ড থেকে বেআইনিভাবে ৪৫ কোটি ৭ লাখ টাকা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেছেন। পরবর্তী সময়ে এ অর্থ নগদ উত্তোলন কিংবা অজ্ঞাত প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ অর্থ স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে। মিউচুয়াল ফান্ডের এ অর্থ বিনিয়োগকারীদের টাকা এবং খন্দকার আসাদুল ইসলাম সেটি পাচার করেছেন। এ বিষয়ে কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সম্পদ ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে অর্থ পাচারের বিষয়ে ব্যাখ্যা ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য চাওয়া হয়েছে। কিন্তু তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে খন্দকার আসাদুল ইসলামের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পায়নি। বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে তিনি কমিটিকে কোনো ধরনের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ মুহূর্তে আইনি ও ফৌজদারি কার্যক্রম এড়ানোর উদ্দেশ্যে আসাদুল ইসলামের দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে তিনি যাতে পালাতে না পারেন সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছে বিএসইসি।

মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান অ্যালায়েন্স ক্যাপিটাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য। তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে খন্দকার আসাদুল ইসলামের বিস্তারিত তথ্য ও তার ধানমন্ডি বাসার ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এ চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।